পাবনায় নির্বাচনী সহিংসতায় স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী নিহত

নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা

পাবনা সদর উপজেলার ভারারা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. ইয়াসিন আলম (৩৫) নিহত হয়েছেন।

আজ শনিবার সকালে ভারারা ইউনিয়নের কোলাদী চর বটতলা এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন।

পাবনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আমিনুল ইসলাম দ্য ডেইলি স্টারকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সংঘর্ষে আহতদের পাবনা জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হয়। ইয়াসিনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হলে তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে পথে তার মৃত্যু হয়।

আগামী ২৬ ডিসেম্বর ভারারা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। নিহত ইয়াসিন এ নির্বাচনে আনারস প্রতীকের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী ছিলেন।

পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. রোকনউজ্জামান সরকার ডেইলি স্টারকে বলেন, 'পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।'

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে ২ জনকে আটক করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী সুলতান হোসেন দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'নির্বাচনী প্রচারণার জন্য শনিবার সকালে বটতলা এলাকায় গেলে আবু সাইদের নেতৃত্বে তার লোকজন আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আমার চাচাতো ভাই ও আনারস প্রতীকের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইয়াসিনসহ প্রায় ১৫ জন আহত হয়।'

তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আবু সাইদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, 'আমার লোকজন কোনো হামলা করেনি। সুলতানের লোকজন আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমার ভাইসহ অন্তত ১০ জন আহত হয়।'

স্বতন্ত্র প্রার্থী নিহত হওয়ার ঘটনায় এই ইউনিয়ন পরিষদে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন স্থগিত করে শনিবার বিকেলে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে বলে সিনিয়র জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহাবুবুর রহমান জানিয়েছেন।