নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে ৩ জনের মনোনয়ন সংগ্রহ

নিজস্ব সংবাদদাতা, নারায়ণগঞ্জ

আগামী ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ২টি রাজনৈতিক দলের ৩ জন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেছেন। এর মধ্যে বিএনপির ২ জন ও কল্যাণ পার্টির একজন।

আজ রোববার সকাল থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত পর্যায়ক্রমে জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় থেকে ওই মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তারা।

মেয়র পদে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহকারীরা হলেন- নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল ও কল্যাণ পার্টির সাংগঠনিক সম্পাদক মো. রাশেদ ফেরদৌস সোহেল মোল্লা।

নারায়ণগঞ্জ জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ মতিয়ুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, 'শুক্রবার থেকে সিটি করপোরেশন নির্বাচনের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়। তবে, শুক্রবার কেউ ফরম নেয়নি। আজকে বিএনপির এটিএম কামাল, অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন ও কল্যাণ পার্টির রাশেদ ফেরদৌস মেয়র পদের জন্য মনোনয়ন ফরম নিয়েছে। তবে, এখনো পর্যন্ত কাউন্সিলর পদের জন্য কেউ মনোনয়ন ফরম নেননি।'

গত ৩০ নভেম্বর নির্বাচন কমিশনের বৈঠক শেষে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন নির্বাচন কমিশন সচিব হুমায়ুন কবীর খোন্দকার।

তফসিল অনুযায়ী, নির্বাচনের মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র বাছাই ২০ ডিসেম্বর। আর প্রার্থীতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২৭ ডিসেম্বর। আগামী ১৬ জানুয়ারি নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোট গ্রহণ।

বিএনপি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবে না ঘোষণা দিলেও মনোনয়ন ফরম সংগ্রহের বিষয়ে মহানগর বিএনপির সহ সভাপতি অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান বলেন, 'সিটি করপোরেশন নির্বাচন নিয়ে এখনো পর্যন্ত কেন্দ্র থেকে কোনো ঘোষণা দেয়নি। ফলে, আমি মনোনয়ন সংগ্রহ করেছি। যদি দল নির্বাচনে যায় এবং মনোনয়ন দেয় তাহলে নির্বাচন করবো। অন্যথায় স্বতন্ত্র নির্বাচন করবো।'

মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এটিএম কামাল বলেন, 'আমার দলের পক্ষ থেকে নির্বাচনে না গেলে আমি স্বতন্ত্র নির্বাচন করবো। আমি সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা বলেছেন স্বতন্ত্র নির্বাচন করতে কেন্দ্র থেকে কোনো বাধা নেই। তবে, শেষ মুহূর্ত দল যদি কাউকে মনোনয়ন দেয় তার পক্ষে কাজ করব।'

প্রসঙ্গত ২০১১ সালে সিটি করপোরেশন হিসেবে যাত্রা শুরুর পর এবার তৃতীয় নির্বাচন হবে। প্রথমবার ৯টি ওয়ার্ডে ইভিএমে, বাকিগুলোতে ব্যালট পেপারে ভোট হয়। ২০১৬ সালে সব কেন্দ্রে ব্যালট পেপারে এবং এবার ভোট হবে ইভিএমে। প্রথমবার নির্দলীয় প্রতীকে ভোট হয় এ সিটিতে। দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন চালুর পর এটি দ্বিতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে।