দারিদ্র্যতা: পাকিস্তানে পুরনো পোশাকের আমদানি বেড়ে দ্বিগুণ
ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতি ও দারিদ্র্যতার কারণে চাহিদা বাড়ায়, চলতি বছর পাকিস্তানে ব্যবহৃত পোশাকের আমদানি বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গেছে।
আজ শুক্রবার আরব নিউজের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পাকিস্তান পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্যের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, গত অর্থবছরে দেশটিতে সেকেন্ডহ্যান্ড কাপড়ের আমদানি ৯০ শতাংশ বেড়ে ৭ লাখ ৩২ হাজার ৬২৩ মেট্রিক টন হয়েছে। এর মূল্য ৩০৯ দশমিক ৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় ৮৩ দশমিক ৪৩ শতাংশ বেশি।
পাকিস্তান ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ২ মাসে (জুলাই-আগস্ট) ১ লাখ ৮৬ হাজার ২৯৯ মেট্রিক টন ব্যবহৃত পোশাক আমদানি করেছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ২৮৩ শতাংশ বেশি।
একই সময়ে দেশটি ব্যবহৃত পোশাক আমদানিতে ৭৯ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ব্যয় করেছে, যা আগের বছরের তুলনায় ২৭৩ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
চলতি বছরের সেপ্টেম্বরে পাকিস্তানের মুদ্রাস্ফীতি ৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে।
পাকিস্তান সেকেন্ডহ্যান্ড ক্লথিং মার্চেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুহাম্মদ উসমান ফারুকী আরব নিউজকে বলেন, 'দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে সেকেন্ডহ্যান্ড কাপড়ের ব্যবহার ও আমদানি বাড়ছে। যারা আগে সেকেন্ডহ্যান্ড কাপড় ব্যবহার করতেন না, তারাও এখন ব্যবহৃত পোশাকের বাজারের দিকে ঝুঁকছেন।'
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সেকেন্ডহ্যান্ড পোশাক আমদানির অন্যতম প্রধান কারণ দারিদ্র্য। পাকিস্তান ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট ইকোনমিকসের তথ্য মতে, দেশটির প্রায় ৩৯ শতাংশ জনগণ দরিদ্র।