বুয়েট ভর্তি পরীক্ষা: ফল প্রকাশ হতে পারে ৭ ফেব্রুয়ারি
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল আগামী ৭ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হতে পারে। সেখানে চূড়ান্তভাবে ভর্তির জন্য নির্বাচিত ও অপেক্ষমানদের নামসহ মেধাক্রমের তালিকা থাকবে।
আজ শনিবার বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। বুয়েটের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, ২০২৫-২০২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের হার ছিল ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ।
প্রথম শিফটে মডিউল-এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত। এতে 'ক' ও 'খ' গ্রুপের জন্য উচ্চতর গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান ও রসায়ন বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
দ্বিতীয় শিফটে মডিউল-বি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় দুপুর আড়াইটা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। এই শিফটে 'খ' গ্রুপের জন্য উন্মুক্ত পাঠ্যসূচির আওতায় মুক্তহস্ত অঙ্কন এবং দৃষ্টিগত ও স্থানিক ধীশক্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
সঠিক আবেদনকারীদের মধ্য থেকে বাছাই করে মেধা অনুযায়ী ১০ হাজার ৩৫১ জনকে ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়। এর মধ্যে ছাত্র ৭ হাজার ৬৪৪ জন ও ছাত্রী ২ হাজার ৭০৭ জন।
তাদের মধ্যে ৯ হাজার ৫১ জন আজকের ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন।
কেমিক্যাল অ্যান্ড ম্যাটেরিয়ালস কৌশল, পুরকৌশল, যন্ত্রকৌশল, তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল এবং স্থাপত্য ও পরিকল্পনা অনুষদগুলোর মোট ১৩টি বিভাগে স্নাতক শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে।
এ বছর ভর্তি পরীক্ষায় পার্বত্য চট্টগ্রাম ও অন্যান্য এলাকার ক্ষুদ্র জাতি গোষ্ঠিভুক্ত প্রার্থীদের জন্য প্রকৌশল, নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগগুলোর জন্য মোট ৩টি সংরক্ষিত আসন (কোনো বিভাগে একটি আসনের বেশি নয়) এবং স্থাপত্য বিভাগের জন্য একটি সংরক্ষিত আসনসহ মোট ১ হাজার ৩০৯টি আসনে ভর্তির জন্য পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
বুয়েটে ভর্তি পরীক্ষার বিভিন্ন কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু বোরহান মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ও উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. আব্দুল হাসিব চৌধুরী।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন ভর্তি কমিটিগুলোর সভাপতি ও পুরকৌশল অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আব্দুল জলিল।
পরিদর্শনকালে পরীক্ষার্থীদের মানসিক চাপ ও মনোযোগের বিষয় বিবেচনায় রেখে তারা কোনো পরীক্ষা কক্ষে প্রবেশ করেননি। পরীক্ষা কক্ষের বাইরে থেকেই সার্বিক তদারকি করেন।