পহেলা বৈশাখে মুখোশ পরা ও ব্যাগ বহনে ঢাবির নিষেধাজ্ঞা

নিজস্ব সংবাদদাতা, ঢাবি

বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩ উদযাপনের অংশ হিসেবে এ বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মুখোশ পরা ও ব্যাগ বহন করা যাবে না। তবে চারুকলা অনুষদের তৈরি মুখোশ হাতে প্রদর্শন করা যাবে।

ভুভুজেলা বাজানো বা বিক্রিও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সব কর্মসূচি বিকেল ৫টার মধ্যে শেষ করতে হবে, এরপর ক্যাম্পাসে প্রবেশ সীমিত করা হবে।

আজ মঙ্গলবার নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে অনুষ্ঠিত নববর্ষ উদযাপনের প্রস্তুতি সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলামের সভাপতিত্বে ‘নববর্ষের ঐকতান, গণতন্ত্রের পুনরুত্থান’ প্রতিপাদ্য চূড়ান্ত করা হয়। 

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তর জানায়, আনন্দ শোভাযাত্রা সকাল ৯টায় চারুকলা অনুষদ থেকে শুরু হয়ে রাজু ভাস্কর্য, দোয়েল চত্বর ও বাংলা একাডেমি হয়ে আবার চারুকলায় ফিরে আসবে।

পহেলা বৈশাখের আয়োজন ঘিরে ক্যাম্পাসে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

১৩ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকে শুধুমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টিকারযুক্ত যানবাহন ক্যাম্পাসে প্রবেশ করতে পারবে। পহেলা বৈশাখে ক্যাম্পাসে কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারবে না। এ সময় মোটরসাইকেল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় বসবাসকারীরা যাতায়াতের জন্য শুধুমাত্র নীলক্ষেত ও পলাশী গেট ব্যবহার করতে পারবেন।

টিএসসি সংলগ্ন রাজু ভাস্কর্যের পেছনের সোহরাওয়ার্দী উদ্যান গেট বন্ধ থাকবে। দর্শনার্থীরা চারুকলা (ছবির হাট), বাংলা একাডেমি ও ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন গেট দিয়ে প্রবেশ করতে পারবেন। বের হওয়ার পথ হিসেবে থাকবে ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন, রমনা কালী মন্দির ও বাংলা একাডেমি গেট।

সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা, চারুকলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. আজহারুল ইসলাম শেখ, প্রক্টর অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমেদ, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, হল প্রভোস্ট, বিভাগীয় প্রধান এবং ডাকসু, শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি ও জাতীয় জাদুঘরের প্রতিনিধিরা।