পানামাকে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ইংল্যান্ড, কেইনের রেকর্ড গোল
পানামার বিপক্ষে নিজেদের কাজটা ঠিকঠাকই গুছিয়ে নিয়েছে ইংল্যান্ড। প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকার পর দ্বিতীয়ার্ধে জুড বেলিংহাম ও হ্যারি কেইনের গোলে ২-০ ব্যবধানের জয় পেয়েছে তারা।
শনিবার রাতে মেটলাইফ স্টেডিয়ামের এই জয়ে টমাস টুখেলের দল 'এল' গ্রুপের চ্যাম্পিয়ন হয়ে শেষ ৩২-এ জায়গা করে নিয়েছে।
নিউ জার্সির এক বৃষ্টিভেজা দিনে, ম্যাচের এক ঘণ্টা পার হওয়ার পর বুকায়ো সাকার কর্নার থেকে বল পেয়ে ডেডলক ভাঙেন রিয়াল মাদ্রিদ তারকা বেলিংহাম।
সেই পর্যন্ত ম্যাচটা বেশ ম্যাড়মেড়ে ছিল। তবে প্রথম গোলটার একটা আবহ তৈরি হচ্ছিল বেশ কিছু সময় ধরেই। এরপর বেলিংহামের ক্রস থেকে দ্বিতীয়ার্ধের মাঝামাঝি সময়ে হেডে দ্বিতীয় গোলটা করেন কেইন।
ক্রোয়েশিয়ার বিপক্ষে ৪-২ ব্যবধানের উদ্বোধনী জয়ে জোড়া গোল করার পর এটা ছিল এই টুর্নামেন্টে কেইনের তৃতীয় গোল। এর মাধ্যমে অধিনায়ক কেইন কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকারকে ছাড়িয়ে বিশ্বকাপের ইতিহাসে দেশের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা (১১ গোল) হয়ে গেলেন।
২০১৮ সালে রাশিয়া বিশ্বকাপে ইংল্যান্ড যখন পানামাকে ৬-১ ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছিল, তখন কেইন একাই তিনটি গোল করেছিলেন। তবে এবার 'থ্রি লায়ন্স'দের কাজটা অতটা সহজ ছিল না, কারণ প্রতিপক্ষ দলটার সীমাবদ্ধতা থাকলেও মাঠের পরিশ্রমে তারা কোনো কমতি রাখেনি।
গত মঙ্গলবার বোস্টনে ঘানার সঙ্গে গোলশূন্য ড্রয়ের পর, এই ম্যাচের প্রথম এক ঘণ্টা পর্যন্ত ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ সম্ভাবনা নিয়ে হয়তো প্রশ্ন উঠছিল।
ক্রোয়েশিয়ার সঙ্গে জয়ের মতো ছন্দ তারা এখনো পুরোপুরি ফিরে পায়নি। তবে সম্ভাব্য ৯ পয়েন্টের মধ্যে ৭ পয়েন্ট নিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবেই পরের রাউন্ডে গেল ইংল্যান্ড।
গ্রুপের শীর্ষে থাকা খুব দরকার ছিল, কারণ এর ফলে শেষ ১৬-তে স্পেনের মুখোমুখি হওয়ার ভয়টা এড়ানো গেল।
এর বদলে, আগামী বুধবার (১ জুলাই) আটলান্টায় একটি তৃতীয় স্থানে থাকা দলের সঙ্গে খেলতে নামবে তারা। সেই ম্যাচে জিতলে শেষ ১৬-র লড়াইয়ে মেক্সিকো সিটির অ্যাজটেকা স্টেডিয়ামে তাদের খেলা হতে পারে—সম্ভবত মেক্সিকোর সঙ্গেই, যেখানে ১৯৮৬ সালে ডিয়েগো ম্যারাডোনার আর্জেন্টিনার কাছে হেরেছিল ইংল্যান্ড।