তামিম সভাপতি হওয়ায় লাভ দেখছেন মিরাজ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

খেলার মাঠে লম্বা সময় সতীর্থ ছিলেন তামিম ইকবাল ও মেহেদী হাসান মিরাজ। সাবেক এই অধিনায়কের অধীনে অনেক ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা আছে তার। তবে এবার প্রেক্ষাপট ভিন্ন; বিসিবি সভাপতি হিসেবে তামিমের অধীনে ওয়ানডে দলের নেতৃত্ব সামলাবেন এই অলরাউন্ডার। মাত্র কিছুদিন আগেও একসঙ্গে ক্রিকেট খেলায় মাঠের বাস্তবতাগুলো তামিমই সবচেয়ে ভালো বুঝবেন—এমন সমীকরণেই লাভের অঙ্ক দেখছেন মিরাজ।

আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডের সময় আচমকা ওয়ানডের নেতৃত্ব পেয়েছিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। এই অলরাউন্ডারকে বিগত বোর্ডই ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ পর্যন্ত দায়িত্ব বাড়িয়েও দিয়েছিল। বুলবুলের বোর্ডের অপসারণের পর দায়িত্ব নিয়েছে তামিমের নেতৃত্বাধীন অ্যাডহক কমিটি।

বোর্ডের সর্বোচ্চ পর্যায়ে নাটকীয় বদলের ঝাপটা ক্রিকেটের সব কার্যক্রমেই লাগা অস্বাভাবিক নয়। তবে নিউজিল্যান্ড সিরিজ শুরুর আগে অধিনায়ক মিরাজ জানালেন, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের রদবদল তাদের এতটা প্রভাবিত করছে না, ‘আমরা তো অনুশীলন করেছি এবং গত তিন সপ্তাহে আমরা খুবই ভালো অনুশীলন করেছি। পেশাদার ক্রিকেটার হিসেবে আসলে বাইরে কী হয়, সেসব আমাদের মাথায় ওভাবে প্রভাব ফেলে না। কারণ আমাদের কাজ হলো পারফর্ম করা। গত তিন সপ্তাহে যেভাবে অনুশীলন হয়েছে, আমার কাছে মনে হয় অনেক ভালো প্রস্তুতি নিয়েছি আমরা। বাইরে কী হয়েছে, এটি নিয়ে আমরা কখনোই চিন্তা করিনি।’

তবে তামিম সভাপতি হওয়া যে বর্তমান ক্রিকেটারদের জন্য ইতিবাচক, তা স্পষ্ট করে বলেছেন তিনি, ‘আমার কাছে মনে হয় যে, যেহেতু আমরা একসঙ্গে ক্রিকেট খেলেছি, তিনি আমাদের সম্পর্কে আরও বেশি ভালো জানবেন। সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের কী চাহিদা আছে এবং আমরা কী পছন্দ করি—যেহেতু তিনি সম্প্রতি খেলা ছেড়েছেন, এটি ক্রিকেটারদের জন্য একটি ইতিবাচক দিক।’

আগের বোর্ড ২০২৭ বিশ্বকাপ পর্যন্ত মিরাজকে দায়িত্ব দিলেও নতুন বোর্ডের সেটি বদলানোর সুযোগ আছে। এই ব্যাপারে তামিমের সঙ্গে স্পষ্ট আলোচনা হয়েছে কি না—এমন প্রশ্নে কিছুটা কূটনৈতিক পথে হাঁটেন মিরাজ, ‘প্রেসিডেন্টের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছিল। আমাদের দলটা ভালো করছে দেখে তিনি আমাদের বুস্ট আপ করেছেন। বলেছেন যে, আমরা যেভাবে খেলছি, এভাবেই ভালো ক্রিকেট খেলে যেতে হবে।’