‘ওয়ানডে ক্রিকেটে উন্নতি করাই এখন মূল লক্ষ্য’
প্রায় চার মাস পর ওয়ানডে ফরম্যাটে ফিরছে বাংলাদেশ। সামনে ২০২৭ বিশ্বকাপের সরাসরি অংশগ্রহণের সমীকরণ থাকলেও সেদিকে এখনই তাকাতে চান না টাইগারদের প্রধান কোচ ফিল সিমন্স। গাণিতিক হিসাব-নিকাশের চেয়ে ৫০ ওভারের ক্রিকেটে দলের খেলার মান বাড়ানোই তার কাছে এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
শেষ পাঁচটি ওয়ানডে সিরিজের চারটিতেই হেরেছে বাংলাদেশ। সোমবার মিরপুরে সাংবাদিকদের সিমন্স বলেন, ‘সরাসরি বিশ্বকাপে খেলার গাণিতিক সমীকরণ নিয়ে না ভেবে আমাদের মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত ওয়ানডে ক্রিকেটে আরও ভালো দল হয়ে ওঠা।’
একটা সময় ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ বেশ সুবিধাজনক অবস্থানে থাকলেও বর্তমানে দলে অভিজ্ঞতার কিছুটা ঘাটতি আছে বলে মানছেন কোচ। তবে বর্তমান ক্রিকেটারদের যে প্রতিভা আছে, তার সেরাটা মাঠে দেখতে চান তিনি, ‘আমাদের কাজ হলো পয়েন্ট টেবিলে উপরের দিকে ওঠা। লক্ষ্য শুধু সেরা আটে থেকে সরাসরি কোয়ালিফাই করা নয়, বরং ভালো ক্রিকেট খেলে র্যাঙ্কিংয়ে ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যাওয়া।’
আগামী বছর দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়াতে হতে যাওয়া ১৪ দলের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আয়োজক দেশ হিসেবে সরাসরি খেলবে জিম্বাবুয়ে ও দক্ষিণ আফ্রিকা। এছাড়া ২০২৭ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত র্যাঙ্কিংয়ে শীর্ষ আটটি পূর্ণ সদস্য দেশ সরাসরি মূল পর্বে জায়গা পাবে। সিমন্স মনে করেন, সেই সময়ের মধ্যে র্যাঙ্কিংয়ে উন্নতি করা দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য হলেও এখনকার মনোযোগ থাকা উচিত খেলার গুণগত মানের ওপর।
গত অক্টোবরে ঘরের মাঠে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ২-১ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই সিরিজের শেষ ম্যাচে টপ অর্ডারের ব্যাটসম্যানরা রানে ফিরেছিলেন। সিমন্স চান সেই ধারাবাহিকতা এই সিরিজেও বজায় থাকুক। তবে মিডল অর্ডারের রানখরা নিয়ে কিছুটা চিন্তিত তিনি।
সিমন্স বলেন, ‘ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের সাফল্যকে আমরা পরবর্তী ধাপে নিয়ে যেতে চাই। বিশেষ করে শেষ ম্যাচের ব্যাটিং পারফরম্যান্স ধরে রাখা এবং মাঝের ওভারগুলোর দুর্বলতা কাটিয়ে ওঠা জরুরি। আমাদের চেষ্টা থাকবে মাঝের ওভারগুলোতে রান তোলার গতি বাড়ানো এবং বোলারদের উইকেট নেওয়ার হার বাড়ানো।’