বিস্মৃত এক সম্পাদক
বাঙালি মুসলমানের জাগরণে দৈনিক পত্রিকা ‘আজাদ’ এর গুরুত্ব অপরিসীম। এই উপমহাদেশ থেকে ব্রিটিশ উপনিবেশের বিদায়কালে, দেশভাগ, পাকিস্তানের জন্ম, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ, মন্বন্তর, পাকিস্তান সৃষ্টির পর পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে নানাবিধ বিষয়ের টানাপোড়েন এবং পশ্চিম পাকিস্তান ও পূর্ব পাকিস্তানের সঙ্গে বৈষম্য; ইতিহাসের এইসব সন্ধিক্ষণ এবং বাঁক বদলের সাক্ষী মওলানা আকরম খাঁর মালিকানাধীন পত্রিকা ‘আজাদ’। শুধু সাক্ষী নয় , ঘটনার ভেতর-বাহিরের ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণেও পত্রিকাটি বিবিধ ভূমিকা পালন করেছে।
৫ নভেম্বর ২০২২, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
চে’র রূপকথা বিশ্ব সমান
বিরল এক দিন ছিল গতকাল। অভূতপূর্ব ও বিস্ময়কর। কোজাগরী ও লক্ষ্মীপূজার কারণে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের কাছে, প্রবারণা পূর্ণিমা হওয়ায় বৌদ্ধদের কাছে, স্টার সানডে হওয়ায় খ্রিস্টানদের কাছে এবং ঈদে-ই মিলাদুন্নবী হওয়ায় ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের কাছে দিনটি ছিল সবিশেষ গুরুত্ববহ এবং মহিমা ও মর্যাদার। একই দিন, একই চাঁদ অথচ উপলক্ষের হেরফেরের কারণে দিনটি আলাদা-আলাদাভাবে বিশিষ্ট ও বিশেষত্বের দাবিদার।
১০ অক্টোবর ২০২২, ০২:২৯ অপরাহ্ন
সাহিত্যের নোবেল ও আমাদের স্বরূপ
ফরাসি সাহিত্যিক অ্যানি এখঁনো পেয়েছেন ২০২২ সালের নোবেল সাহিত্য পুরস্কার। বেশ কটি বিষয়ে নোবেল দেয়া হলেও সাহিত্যের নোবেল নিয়ে আমাদের আগ্রহ কেবল বেশি নয়, রীতিমতো চোখে পড়ার মতো। আমাদের এই উল্লম্ফন মানসিকতাই বলে দেয়, আমরা যতটা লম্ফে-ঝম্ফে আছি, ততটা সাধনায় নেই-ত্যাগে নেই। ফলে সাহিত্যের নোবেল নিয়ে আগ্রহের মধ্য দিয়ে আমাদের খাসলতের স্বরূপটাও বোঝা যায় পরিষ্কারভাবে। যেটা ফি বছরই দেখা যায় এবং এই প্রবণতা ক্রমশ ঊর্ধ্বমুখীও বটে।
৭ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৫০ পূর্বাহ্ন
তোয়াব খান: একজন যুগন্ধর সম্পাদকের বিদায়
সদর্থক অর্থেই তিনি ছিলেন একজন কিংবদন্তি সাংবাদিক। ৮৭ বছরের আয়ুষ্কালে ৭০ বছরই যুক্ত ছিলেন এ পেশায়। এমনকি যখন তিনি বিদায় নিলেন ইহজাগতিকতা থেকে তখনো সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন সংবাদপত্র সম্পাদনা ও ব্যবস্থাপনার সঙ্গে। সেই বিবেচনায় তার বিদায় ঈর্ষনীয় গর্ব ও গৌরবের।
১ অক্টোবর ২০২২, ১২:৫৭ অপরাহ্ন
আড়ালের বুদ্ধিজীবী সৈয়দ মুজতবা আলী
একজন রম্যলেখক হিসেবে তার পরিচিতি রয়েছে। এর পেছনে যে ঔপনিবেশিক ভূতের আছর আছে তা স্পষ্টত। কেননা রম্য তকমা থাকলে ভাঁড় বলেও চালিয়ে দেয়া যায়। যেটা চাউরও রয়েছে বাঙাল মুলুকে। অথচ তিনি ভাঁড় নন, নন কেবলই একজন রম্যলেখক ও ভ্রমণসাহিত্যিক। আক্ষরিক অর্থে তিনি বুদ্ধিজীবী, সত্যের প্রশ্নে-দেশ ও জাতির প্রয়োজনে। যার লেখায় জারি রয়েছে বুদ্ধিজীবীর সংজ্ঞা ও সকল কোশেশ। তিনি সৈয়দ মুজতবা আলী।
১৩ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
আকবর আলি খান: জনযুক্তিবাদী ভূমিপুত্রের বিদায়
আকবর আলি খান ইতিহাসের ছাত্র ছিলেন। উচ্চতর শিক্ষা নিয়েছেন অর্থনীতিতে। চাকরিসূত্রে কাজ করেছেন বিভিন্ন জায়গায়। সরকারি চাকরিবিধির শুরু থেকে শেষের সব পাঠ নিয়েছেন প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতায়। রাষ্ট্র-প্রশাসন-সমাজ, দেশ ও জনগণকে বুঝেছেন নানা ঘটনার মধ্য দিয়ে। এই অর্থে বলা যায় এখানে তিনি রাষ্ট্র ও সমাজবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী।
৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১০:৪৬ পূর্বাহ্ন
করোনাকালে জীবনের প্রাসঙ্গিক পাঠ
সর্বজনে গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত শাইখ সিরাজ। বাংলাদেশ টেলিভিশন ও পরবর্তীতে চ্যানেল আইয়ের কৃষি বিষয়ক অনুষ্ঠান করে নিজে যেমন পেয়েছেন তারকা খ্যাতি, তেমনি দেশের কৃষি সংস্কৃতির পরিবর্তন-পরিবর্ধন-আধুনিকায়ন এবং প্রযুক্তিমুখী করার ক্ষেত্রে সদর্থক অর্থেই রেখেছেন যুগান্তকারী ভূমিকা। কিন্তু করোনা মহামারি তাকে হাজির করেছেন ‘লেখক’ হিসেবে। ‘করোনাকালে বহতা জীবন’ পাঠের মধ্য দিয়ে আমরা অন্য এক শাইখ সিরাজকে খুঁজে পাই।
৭ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৭:৪৪ পূর্বাহ্ন
গাজী মাজহারুল আনোয়ার ও গীতিকবিদের দুঃখ
আমাদের বাবার মতো গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবাও সন্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। এটাই স্বাভাবিক-সঙ্গত ও বাঙালি জীবনের শাশ্বত বৈশিষ্ট্য। উপরন্তু সন্তান যদি ছেড়ে দেয় একইসঙ্গে সম্মানজনক ও অর্থোপার্জনের বিস্তর সুযোগ থাকার নিশ্চিত পেশা সংলগ্ন লেখাপড়া। এবং সেসবকে শিঁকেয় তুলে রেখে সৃজনশীল কাজে-বিশেষ করে গান লেখাকে যখন বেছে নেয় ধ্যান-জ্ঞান হিসেবে, তখন একজন বাবা কতোটা চিন্তাগ্রস্ত হন, তা শুধু এমন দশাগ্রস্ত একজন বাবার পক্ষেই অনুভব ও উপলব্ধি করা সম্ভব। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের বাবার মধ্যেও আমরা দেখেছি একজন সন্তান স্নেহে অন্ধ বাবার অব্যক্ত দুঃখ-কষ্ট ও চাপা ক্ষোভের উপস্থিতি। গান লেখার নেশায় তিনি যখন ছাড়তে চলেছেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের লেখাপড়া। তখন বাবা এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন, ‘ইউ আর মাই লস্ট গেম’।
৫ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১১:১১ পূর্বাহ্ন
নজরুলের ‘বিদ্রোহী’ আয়নায় দেশকে চেনা
শতবর্ষী ‘বিদ্রোহী’ কবিতার মূল শক্তি অন্তর্নিহিত ভাবসম্পদকে সাক্ষী রেখে গভীরভাবে দেশকে চেনায়। কোন দেশ—যে দেশ পরাধীন, যে দেশে জারি ছিল ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ। এ কারণেই ঘরে ফিরেই নজরুল লিখলেন ‘বিদ্রোহী’ কবিতা। কাজী নজরুল ইসলামের ‘বিদ্রোহী’ কবিতার অ্যাকাডেমিক পাঠের বাইরে গিয়ে নন অ্যাকাডেমিক পাঠও জরুরি তথা আবশ্যক। যদিও এখন পর্যন্ত এই কবিতার পাঠমাত্রই মন্ত্রপাঠের মতো মুখস্থ বুলিই আউড়ানো হয়েছে।
২৯ আগস্ট ২০২২, ১০:২৬ পূর্বাহ্ন
মুর্তজা বশীর ৯৩ বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন
মুর্তজা বশীর ৯৩ বছর বাঁচতে চেয়েছিলেন। তার বেশি কিংবা কম কেন নয়, সে এক মস্তোবড় প্রশ্ন বটে। যার উত্তর ও যৌক্তিকতা জানতেন কেবল তিনিই।
১৮ আগস্ট ২০২২, ০৭:২৪ পূর্বাহ্ন
মানুষের হৃদয়ে যেভাবে আছেন তারেক মাসুদ
আক্ষরিক অর্থে আটপৌরে বলতে যা বোঝায়, ঠিক যেন তার অবিকল প্রতিচ্ছবি তারেক মাসুদ। চলচ্চিত্র ছিল তার ধ্যানজ্ঞান। সংসারও পেতেছিলেন সেই চলচ্চিত্রের সঙ্গে। তারেক ও ক্যাথরিনের যৌথ জীবনের নিঃশ্বাসে-বিশ্বাসে, শয়নে-স্বপনে, সুখে এবং দুঃখে চলচ্চিত্রই ছিল বেঁচে থাকার অবলম্বন।
১৩ আগস্ট ২০২২, ০৩:২২ অপরাহ্ন
জাতির সংকটে নীরবতা রবীন্দ্রনাথের ধর্ম নয়
বাবা দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের তুলনায় ইহজাগতিক আয়ুষ্কাল আট বছর কম পেয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। কিন্তু বাবার মতো যদি আরও আট বছর বাঁচতেন! অবশ্য পরিণত বয়সেই মারা গেছেন তিনি, তারপরও মনে হয় রবীন্দ্রনাথ যদি আরেকটু দীর্ঘ আয়ুষ্কাল পেতেন, তাহলে কী হতো?
৬ আগস্ট ২০২২, ০৪:৪৩ অপরাহ্ন
হোসেন শাহী আমলের অসাম্প্রদায়িকতার চর্চা ও মমতাজুর রহমান তরফদার
হোসেন শাহী আমলের যথার্থ ও যুতসই মূল্যায়ন ছাড়া ভারত উপমহাদেশের অসাম্প্রদায়িকতার ইতিহাস পূর্ণাঙ্গ হবে না। মুসলমান রাজা-রাজড়াদের সময়ে ধর্ম নিরপেক্ষতার রাজসিক অবস্থান উপেক্ষিত এবং তা ঐতিহাসিক সত্যের অপলাপ। এ কারণে এই আমল নিয়ে নির্মোহ গবেষণা ও স্বচ্ছ পর্যবেক্ষণ কেবল জরুরি নয়—একটা জাতির আত্ম-আবিষ্কারের জন্য নির্ভরযোগ্য পথ ও পন্থা।
৩ আগস্ট ২০২২, ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
আহমদ ছফার শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধের খোঁজে
আহমদ ছফার সর্বাধিক আলোড়িত প্রবন্ধ ‘বাঙালি মুসলমানের মন’। বাংলা সাহিত্যেও বোধ করি এর অবস্থান ঈর্ষণীয়। বিদ্বৎসমাজ ও বুদ্ধিজীবী মহলের প্রতিনিধি স্থানীয়দের কয়েকজন প্রবন্ধটিকে দিয়েছেন শ্রেষ্ঠ প্রবন্ধের তকমা ও মান্যতা। যার সঙ্গে আমার রয়েছে বিস্তর দ্বিমত এবং একমত হতে না পারার সদর্থক অনুযোগ।
২৮ জুলাই ২০২২, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
চিত্রাপারের কান্না থামাতে কী করছি আমরা
চিত্রা নদীর পাড়ে এখন বিরাজ করছে ভয়, আতঙ্ক আর অজানা শঙ্কা। কাঁদছে চিত্রাপারের মানুষ-সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। কাঁদছে বিবেক-মানবতাবাদী মন-প্রগতিপন্থায় সমর্পিত হৃদয়। এই কান্না, বেদনা ও দুঃখ লাঘব করার জন্য কাজ করছে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যদিও সেটা ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পর। এ দেশে ‘ডাক্তার আসিবার পূর্বে রোগী মারা যান’। আর সংখ্যালঘুদের ওপর হামলার পর নড়েচড়ে বসেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, রাজনীতিক ও প্রশাসকসহ সংশ্লিষ্ট সব মহল।
২৪ জুলাই ২০২২, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
কেন ষড়যন্ত্রের প্রথম লক্ষ্য ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ
স্বাধীন বাংলাদেশে ষড়যন্ত্রের প্রথম লক্ষ্য ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ। চূড়ান্ত লক্ষ্য ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। প্রশ্ন হলো তাজউদ্দীন কেন প্রথম লক্ষ্য ছিলেন। কারণ, তাজউদ্দীনকে সরিয়ে দিতে পারলে- পরাজিত করা সম্ভব হলে! বাকি লক্ষ্যগুলো হাসিল করা ছিল সহজ- সময়ের ব্যাপার মাত্র। চূড়ান্ত লক্ষ্য সম্পন্ন করাও তখন আর দুরূহ-দুঃসাধ্য কিংবা অসম্ভব কিছু বলে মনে হওয়ার কথা নয়। বাস্তবে হয়েছিলও তাই।
২৩ জুলাই ২০২২, ০২:০৭ অপরাহ্ন
যত দোষ মোটরসাইকেল ঘোষ
একদা বলা হয়েছিল, ‘যত দোষ নন্দ ঘোষ’। এখন বলা হচ্ছে, ‘যত দোষ মোটরসাইকেল ঘোষ’। কী দোষ তাদের? বলা হচ্ছে, সড়ক দুর্ঘটনার জন্য তারা দায়ী। যদি সত্যি সত্যিই তারা দায়ী হয়, তাহলে নিয়ম-কানুন কঠোর করার পাশাপাশি তদারকি ব্যবস্থা জোরদার করলেই তো হয়। এটা যৌক্তিক-ন্যায়সঙ্গত ও নাগরিক অধিকারও বটে। কিন্তু এসবের কিছুতো করা হলোই না,
১২ জুলাই ২০২২, ১২:৫২ অপরাহ্ন
আগুন-বন্যায় কীভাবে আসছে ঈদ
বন্যা-আগুন-দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে অসহায় মানুষদের কাছে ঈদের আনন্দ কতটা? নাকি কেবল ঈদের চাঁদ দেখে ও ঈদ আনন্দের গল্প শুনেই কাটবে তাদের ঈদ?
৮ জুলাই ২০২২, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী: এখনো যার উপর ভরসা রাখি
সমাজতন্ত্রের প্রতি উনার দুর্বলতা অপার, পক্ষপাত প্রশ্নহীন। পছন্দ করেন সমাজতন্ত্রী পরিচয়। স্বচ্ছন্দবোধ করেন কার্ল মার্ক্স, শ্রেণি সংগ্রাম, মানুষের মুক্তি, সামাজিক সাম্য ও মানবের কল্যাণে লিখতে-পড়তে ও পড়াতে। তিনি সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী, আজ তার ৮৭তম জয়ন্তী। বয়সে বার্ধক্যের উপস্থিতি অনেক আগে ঘটলেও চেতনায়-বুদ্ধিজীবীতার প্রশ্নে এখনও তিনি টগবগে এক যুবক। সোজা শিরদাঁড়ায়, ন্যায্যতার প্রসঙ্গে পঞ্চাশোর্ধ্ব বাংলাদেশে তুলনারহিত এক নাম।
২৩ জুন ২০২২, ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
হাসানরা একাই লড়াই করে যায়
বাঙালির বুদ্ধিজীবীতায় ধ্রুপদী এক নাম হাসান হাফিজুর রহমান। জন্মেছিলেন ১৯৩২ সালের ১৪ জুন, মারা যান ১৯৮৩ সালের ১ এপ্রিল। মাত্র একান্ন বছরের স্বল্পরেখার জীবন। ক্ষণজীবনকে তিনি রাঙায়িত করে গেছেন নানাভাবে, যার নজির ছিল না সমসময়ে, এমনকি আজও নয়। স্বল্পরেখার জীবনকে সৃজন ও মননশীলতায় নিয়ে গেছেন মহাকালের অসীমতায়।
১৪ জুন ২০২২, ১১:০৫ পূর্বাহ্ন