রাষ্ট্রের সংকটে প্রাসঙ্গিক নাজমুল করিমের সাধনা
সমাজের ভেতরে যদি ওরকম কোন তরঙ্গ না দেখা দেয় তা হলে, বায়ান্নোর ভাষার আন্দোলন এভাবে কি সর্বপ্লাবি হয়ে উঠতো? নাজমুল করিমের সমাজ অনুসন্ধানকে বিবেচনায় নিয়ে এ বিষয়ে ভ্রান্তির অবকাশ নিশ্চিতভাবেই ঠুনকো হয়ে আসে।
১৮ নভেম্বর ২০২৩, ০৪:২৭ অপরাহ্ন
স্বৈরাচার বিরোধী কবিতায় যে কবি খ্যাতিমান
বাঙালির মুক্তিযুদ্ধের স্বপ্ন বাস্তবায়ন হয়নি। গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। গণতান্ত্রিক সংস্কৃতি বিকশিত হয়নি। ন্যায্যতা ভিত্তিক সমাজ নির্মাণ সম্ভব হয়নি। নিজের কাছে ফিরতে হলে দেশ ও জাতিকে যে নির্মাণ ও নির্মিতির মধ্যে দিয়ে যেতে হয় তার অনেক কিছু তখনও অধরা রয়ে গেছে।
৯ নভেম্বর ২০২৩, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
এ মুহূর্তে অমর্ত্য সেন পাঠ কেন জরুরি
অমর্ত্য সেনের জন্মদিন ছিল গত শুক্রবার, ৩ নভেম্বর। যে ক’জন বাঙালি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি ও সম্মানের অধিকারী হয়েছেন, তিনি তাদের অন্যতম। যখন দেশে আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে দৃশ্যত এক অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে, তখন অমর্ত্য সেন বেশি বেশি পাঠ করা জরুরি। কেননা এই অচলাবস্থা কীভাবে দূর করা যায় তার সুন্দর ও যৌক্তিক সমাধান দিয়েছেন তিনি।
৬ নভেম্বর ২০২৩, ০৩:৫০ অপরাহ্ন
হারিয়ে যাচ্ছে সৈয়দ আবুল মকসুদদের ‘সরলপথ’
সৈয়দ আবুল মকসুদের পথ চেনা সহজ হবে, উনার পক্ষপাতটা বোঝার মধ্যে দিয়ে। হ্যাঁ উনি পক্ষপাতী ছিলেন, এতে কোন প্রকার ঢাকঢাক গুড়গুড় ছিল না। এ ব্যাপারে দ্ব্যার্থহীন ও স্পষ্টবাদী ছিলেন।
২৯ অক্টোবর ২০২৩, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
জীবনানন্দকে কতোটুকু চেনা হলো
কবিতা যে চেনা জীবনের ছকের বাইরের কিছু সেটা জীবনানন্দ প্রবন্ধে যেমন পরিস্কার করে যুক্তি-তর্ক দিয়ে পরিষ্কার করেছেন, তেমনি তার কবিতাতেও সেই অচেনা-অজানাকে কিছু ধরেছেন-ধরার চেষ্টায় ব্রতী থেকেছেন।
২৫ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
সুলতানের শিল্পসত্তা আমাদের জাতীয় গৌরব
সুলতানের জীবন যেন পক্ষিসদৃশ, মন যেন পাখির মতো। ডানাও ছিল হয়তো, আমরা পায়নি দেখতে। সব পাখি যেমন নীড়ে ফেরে। সুলতানও ফিরেছিলেন স্বগৃহে, ডারউইন যেমন ফিরেছিলেন
১৮ অক্টোবর ২০২৩, ০৭:৫১ পূর্বাহ্ন
কেন কবির মন ভালো থাকে না
যখন কবির দরবারে হাজির হই ঘড়ির কাঁটা মধ্যাহ্নে। কবি থাকেন রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় একটি হোটেলে। সেখানেই দীর্ঘদিনের আবাসন-ঘর-সংসার একাকী জীবন এবং কবিতাযাপন।
৭ অক্টোবর ২০২৩, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
স্বভাবকবি রাধাপদরা কেন বারবার ক্ষতবিক্ষত হন
এই রাষ্ট্র কবে বুঝবে রাধাপদর ওপর আঘাত কেবল একজন ব্যক্তিকে অবমাননা বা আঘাত নয়, এ আঘাত রাষ্ট্রের হৃদয়ের ওপর, বাঙালিত্ব ও বাঙালি সংস্কৃতির ওপর।
৩ অক্টোবর ২০২৩, ০৩:৫৮ অপরাহ্ন
সৃজন তরঙ্গে সব্যসাচীর আগুন
সৈয়দ হকের বিশাল সৃজনসম্ভারকে আমরা অবলোকন-বিশ্লেষণ-ব্যাখ্যা করলে তো বটেই, তার এই সিগনেচার রাইটিংসের আলোকে আমরা বলতে পারি, তিনি ছিলেন সব্যসাচী এক গল্পকার।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০১:৫০ অপরাহ্ন
আবু হেনা মোস্তফা কামাল, কেন তিনি উপেক্ষিত
যিনি ছিলেন প্রখ্যাত কবি, প্রাবন্ধিক, গবেষক ও গীত রচয়িতা। যশস্বী হয়েছিলেন অধ্যাপনায়, বাগ্মিতায়, উপস্থাপনায় ও প্রশাসকরূপে।
২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশের উজ্জ্বলতম বন্ধু গীতা মেহতা
সেই পরম বন্ধুর ৮০ বছরের ইহজাগতিক পরিভ্রমণ শেষ হল শনিবার, ভারতের রাজধানী দিল্লীতে। গীতা মেহতা খ্যাতিমান ছিলেন জনপ্রিয় ও দায়িত্বশীল একজন সাহিত্যিক হিসেবে।
২০ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৫:২৮ পূর্বাহ্ন
আবুল মনসুর আহমদের সাংবাদিকতার প্রাসঙ্গিকতা
যে হেমেন্দ্রনাথ দত্তের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে আবুল মনসুর আহমদ ‘কৃষক’ ছেড়েছিলেন। আকস্মিকভাবে তিনি আবার ‘ম্যানেজিং ডিরেক্টর রূপে ‘নবযুগে’ আবির্ভূত হন।
১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
প্রকৃতির আড়ালে স্বাধীনতার কথা বলা বিভূতিভূষণ
তিনি বিশ্বাস করতেন প্রকৃতির যে শিক্ষা বহুর মধ্যে ঐক্য এই মন্ত্রে নিষ্ঠাবান হলেই আমরা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পোঁছতে পারব। যার মধ্যে দিয়ে সার্থক হবে দেশপ্রেম, মানবহিতৈষণা, জাতীয়তাবাদ এবং নৈতিক ও ন্যায্যতাভিত্তিক সমাজ-রাষ্ট্র নির্মাণের স্বপ্ন
১২ সেপ্টেম্বর ২০২৩, ০৬:৩১ পূর্বাহ্ন
সত্যপ্রকাশে লক্ষ্যভেদী কবি রুদ্র
রুদ্রর কবি প্রতিভার সহজাত বৈশিষ্ট্য হল তিনি কবিতায় প্রশ্ন জারি রেখেছিলেন নানাভাবে, প্রভূত মাত্রাকে অবলম্বিত করে। না, এই প্রশ্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের মতো প্রশ্ন না করেও যে প্রশ্ন করা যায় তার সবিশেষ উদাহরণ রয়েছে রুদ্রর বেশীরভাগ কবিতায়। আমরা তো জানি, একজন কবি-দার্শনিকের প্রধান কাজ হল প্রশ্ন উত্থাপন করা।
২৪ জুন ২০২৩, ০৯:১১ পূর্বাহ্ন
মহিউদ্দিন আহমেদ: প্রকাশনা শিল্পের বাতিঘর
দেশে প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ক্রম বর্ধিষ্ণু, ঝাঁকের কৈ-এর মতো বাড়ছে এর সংখ্যা। উচ্চশিক্ষায়, বিশ্ববিদ্যালয় স্তরে শিক্ষার্থীরা পাঠ নিচ্ছেন এ বিষয়ে। এসবই আশাবাদের জায়গা। সেই আশাবাদকে আরও বৃহত্তর জায়গায় নিতে হলে আমাদের স্মরণে রাখতে একজন মহিউদ্দিন আহমেদকে, বাংলাদেশের জ্ঞানকাণ্ডকে, যিনি এ দেশের মাটিতে আন্তর্জাতিক মানের একটা প্রতিষ্ঠান করে শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন।
২২ জুন ২০২৩, ০১:১১ অপরাহ্ন
চিরস্মরণীয় আবদুল কাদির কেন কম চেনা
বিশেষভাবে উল্লেখ করা প্রয়োজন, শুধু ‘নজরুল রচনাবলী’ সম্পাদনা নয়, নজরুলকে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে চর্চায় এবং নজরুলকেন্দ্রিক প্রতিষ্ঠান নির্মাণে যারা সর্বাগ্রে স্বপ্ন দেখেছিলেন-নানামুখী চেষ্টায় নিমগ্ন হয়েছিলেন তাদেরও অন্যতম হলেন আবদুল কাদির।
৩ জুন ২০২৩, ১০:৩৮ পূর্বাহ্ন
জাতীয়তাবাদের প্রশ্নে আপসহীন নজরুল
বাংলা সাহিত্যে নজরুলের আবির্ভাব ‘ধুমকেতু’র মতো। কিন্তু আসন গেঁড়ে হয়ে উঠেছেন ‘কালপুরুষ’ এর মতো চিরস্থায়ী। হঠাৎ আলোর ঝলকানির মতো উদিত হয়ে অস্তপারে পাড়ি জমাননি। দেশ ও জাতির সংকটে সুবিধাবাদ ও উপঢৌকন বিলাসে আখের গোছাননি। বুদ্ধিজীবীর ধর্ম পালনে নজরুলের ভূমিকা তাই বাংলা সাহিত্যে তো বটেই, দক্ষিণ এশিয়াতেও তুলনারহিত।
২৫ মে ২০২৩, ১২:১৪ অপরাহ্ন
সমরেশের অনিমেষ-মাধবীলতারা কেন পরাজিত হয়
সমরেশ মজুমদারের আগে জনপ্রিয় ও প্রভাবশালী ঔপন্যাসিকের জন্ম হয়েছে, পরেও। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মতো বহুমাত্রিক এক প্রতিভা পেয়েছে বাংলা ভাষা ও সাহিত্য। সাহিত্যের অন্যান্য শাখার মতো উপন্যাসেও তিনি সোনা ফলিয়েছেন। গোরা’র কথায় ধরা যাক, আম পাঠকের কাছে খুব বেশি জনপ্রিয় না হলেও উপন্যাস হিসেবে শক্তিশালী। রবীন্দ্রনাথের সর্বশেষ উপন্যাস ‘শেষের কবিতা’ জনপ্রিয়তায় ছাড়িয়ে গেছে উনার সকল উপন্যাসকে। অমিত ও লাবণ্যর কথা আমরা কে না জানি। এমনকি কেতকীও আমাদের ড্রয়িংরুমেরই একজন।
১০ মে ২০২৩, ০১:৪৮ অপরাহ্ন
প্রশ্নহীন সময়ে প্রশ্ন তুলতে শিখিয়েছেন যিনি
একজন গবেষকের প্রধান গুণ কি? বিশ্লেষণের ক্ষমতা ছাড়া, এ প্রশ্নের যুতসই কোন উত্তর নেই। ইতিহাসবেত্তার কাজও তাই। কেবল বিশ্লেষণ নয়, সেটাকে কতগুলো মাত্রায় ও কত রকমের স্তর থেকে বিশ্লেষণ করা যায় সেটাই হল প্রকৃত গুণবিচারী ক্ষমতা । যে গুণে অনন্য ছিলেন রণজিৎ গুহ। যে কোন বিষয়কে হোলিস্টিক প্রসেসে অর্থাৎ সমগ্রক রূপে দেখায় তিনি যে দৃষ্টান্ত রেখে গেলেন তা সবার জন্যই অমূল্য এক পাথেয়।
২ মে ২০২৩, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
কেন বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যায়
উন্নয়নের দেশে কিসের অভাবে বন্ধ হয়ে যায় বইয়ের দোকান? এর মধ্য দিয়ে কী বার্তা দেয়, সেটা কখনো কি জানার ও ভাবার চেষ্টা করেছি? ব্যক্তি থেকে প্রতিষ্ঠান, সমাজ থেকে রাষ্ট্র, কোনো পর্যায়ে এসব নিয়ে ভাবান্তর সদর্থক অর্থে দৃশ্যমান হয়নি। এসবের পেছেন কারণ কি একটাই-- জাতি হিসেবে আমরা বই বিমুখ? যদি এই অভিযোগ সত্য হলে, তাহলে তো পাল্টা প্রশ্নও করা যায়, এর থেকে উত্তরণের কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেই কেন? দেশের প্রতিটি জেলায় একটি করে বিশ্ববিদ্যালয় নির্মিত হচ্ছে যখন, সে সময়ে বইয়ের দোকান বন্ধ হয়ে যাওয়ার অপসংস্কৃতিতে স্পষ্ট হয় আমরা কাঠামোগত উন্নয়নে যতটা আন্তরিক, বুদ্ধিবৃত্তিক সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে উল্টোপথে ও জ্ঞানচর্চার মূলস্রোত থেকে অনেক দূরে।
৩০ এপ্রিল ২০২৩, ০৯:২৩ পূর্বাহ্ন