কেবল ধোনীকে বাহবা দেওয়া মানতে পারলেন না গম্ভীর

স্পোর্টস ডেস্ক

সেদিন বিশ্বকাপ জয়ের মূল নায়ক তো তিনিই হতেই পারতেন। কিন্তু গৌতম গম্ভীরের সময় উপযোগী ৯৭ রানের ইনিংস ঢাকা পড়ে যায় অধিনায়ক মাহেন্দ্র সিং ধোনীর ৯১ রানের ঝড়ে। ভারতের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জেতার কথা এলেই ভেসে উঠে ধোনীর ছক্কা মেরে খেলা শেষ করে দেওয়ার সেই দৃশ্য। কেবল একজনের এমন বাহবা পাওয়া ঠিক মানতে পারছেন না গম্ভীর।

২০১২ সালের আজকের দিনে (২ এপ্রিল) শ্রীলঙ্কাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল ভারত। শ্রীলঙ্কার দেওয়া ২৭৫ রানের লক্ষ্যে শূন্য রানে শুরুতেই আউট হয়ে যান বীরেন্দ্রর শেবাগ। দলের ৩১ রানে বিদায় নেন শচিন টেন্ডুলকারও। বিপদে পড়া ভারতের ত্রাতা হয়ে দাঁড়িয়ে যান তিনে নামা গম্ভীর।

তখনকার তরুণ বিরাট কোহলিকে নিয়ে গড়েন ৮৩ রানের জুটি। এরপর চতুর্থ উইকেটেও ধোনির সঙ্গে মিলে আসে তার ১১৯ রানের আরেক জুটি। বিশ্বকাপ ফাইনালের মতো মঞ্চে সেঞ্চুরিটা একদম নাগালেই ছিল তার কিন্তু ৯৭ রানে আউট হয়ে যান। এরপর বাকি খেলা ঝড় তুলে দ্রুতবেগে শেষ করে ধোনী। ৭৯ বলে অপরাজিত ৯১ রানের ইনিংস খেলেই তিনিই ম্যাচ সেরা।

১০ বল আগে তার মারা ছক্কায় শেষ হয় খেলা। ক্রিকেট ওয়েবসাইট ক্রিকইনফো নয় বছর আগের সে স্মৃতি মনে করিয়ে টুইটারে দিয়েছিল এক পোস্ট। ধোনির ছবি সম্বলিত এই পোস্টে তারা লিখেছিল - ‘২০১১ সালের আজকের দিনে এই ছক্কাতেই লক্ষ কোটি ভারতীয় মেতেছিল উল্লাসে।’

এই পোস্ট রিটুইট করে গম্ভীর দিয়েছেন পালটা টুইট। তাতে তিনি লিখেছেন, ‘২০১১ বিশ্বকাপ জেতার পিছনে গোটা দেশ, ভারতীয় দল এবং সাপোর্ট স্টাফের ভূমিকা ছিল। আর কেবল একটা ছক্কা তোমাদের মগ্ন করে রেখেছে।’

গম্ভীরের পোস্টে এসেছে বিভিন্ন রকম মত। একজন ভক্ত লিখেছেন, ‘শান্ত হোন, তারা বলে নিয়ে এই ছক্কাই বিশ্বকাপ জিতিয়েছে, তারা বলেছে এই ছক্কার পর সবাই আনন্দে মেতেছে।’ অন্য একজন লিখেছেন, ‘ধোনী শেষটা করেছিল, এটাকে নেতিবাচকভাবে দেখছেন আপনি।’

আরেকজন অবশ্য তার সমর্থনে লিখেছেন, ‘সে রাতে আপনি দারুণ এক ইনিংস খেলেছিলেন, সবার মনে থাকবে।’

গম্ভীরের সঙ্গে ধোনির তেতো সম্পর্কের খবর আগেও বেরিয়েছে। তার ক্যারিয়ার দীর্ঘায়িত না হওয়ার পেছনেও অধিনায়ক ধোনির ভূমিকা নিয়ে ভারতীয় ক্রিকেটে আছে নানান রকম বিতর্ক।