Skip to main content
Home
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
ঢাকা
ঢাকার ২০ আসনের জয়-পরাজয়ের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন

Main navigation

  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য
  • English
  • আজকের সংবাদ
শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৪, ২০২৬
  • E-paper
  • Today’s News
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

jashim_uddin.jpg

জসীম উদ্দীনের নিজস্বতা

জসীম উদ্দীনের দেখার দৃষ্টি একদিকে সহানুভূতিতে পরিপূর্ণ, অন্যদিকে ইহজাগতিকতার দ্বারা চিহ্নিত। তিনি অসাম্প্রদায়িক ও লৌকিক। মানুষের জাগতিক দুঃখের কবি তিনি।
২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
smaaj_naa_bdlaale_raassttr_bdlaabe_naa.jpg

সমাজ না বদলালে রাষ্ট্র বদলাবে না

ধরে নিলাম নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু তার দ্বারা কি নিশ্চিত হওয়া যাবে যে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে? মোটেই না। কেননা নির্বাচন আর যাই করুক রাষ্ট্রের চরিত্রে কোনো মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে না। নির্বাচনের দায়িত্বই হচ্ছে রাষ্ট্রের ‘চরিত্র’ রক্ষা করা।
২২ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
phyaasibaad_o_taar_prtipkss.jpg

ফ্যাসিবাদ ও তার প্রতিপক্ষ

পশু ও মানুষের সহাবস্থানে পশুর বড় সুবিধা, মানুষের বড়ই বিপদ।
২১ আগস্ট ২০২৪, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
hittlaarer.jpg

ফ্যাসিবাদ ও তার প্রতিপক্ষ

মানুষে মানুষে সহমর্মিতার ভিত্তিতে যে ঐক্য ও দেশপ্রেম গড়ে উঠেছিল তাও ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই অপরাজেয়।
২০ আগস্ট ২০২৪, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury_2.jpg

আমরা যে আধুনিকতায় মানুষ হয়েছি

আমাদের বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার কথা আমরা জানি, সেটা হচ্ছে কলোনিয়াল আধুনিকতা।
৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury_2.jpg

বাংলাদেশের প্রতীক কী?

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হলো তখনো কিন্তু আমাদের সেই রেশন কার্ডের কাছে যেতে হচ্ছে—তেলের জন্য, কাপড়ের জন্য।
৪ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury.jpg

পাকিস্তান অনেককে নিঃস্ব করে দিয়েছে

তখন আমাদের গ্রামে এত শ্রেণিবিভাজন ছিল না। সাম্প্রদায়িকতা তো ছিলই না।
৩ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury.jpg

এ সময় বিচ্ছিন্নতার

বাংলাদেশের এমপি-মন্ত্রীরা পুঁজিবাদী দীক্ষায় দীক্ষিত। তারা উপনিবেশিকতার চর্চা করে চলেছেন।
২ জুলাই ২০২৪, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
কমিউনিস্ট পার্টি

জাতীয়তাবাদী ও সমাজতন্ত্রীদের লড়াই

গণবিক্ষোভ ও আন্দোলনকে ভিন্ন খাতে নিয়ে যাবার জন্য ব্রিটিশ গভর্নমেন্ট আয়োজন করেছিল সাধারণ নির্বাচনের। নির্বাচনের পরে দাঙ্গা বাধে, এবং ভারতবর্ষ ভাগ হয়ে যাবার দিকে অনিবার্যভাবে অগ্রসর হয়। বলাবাহুল্য দেশভাগে জাতীয়তাবাদী হিন্দু মহাসভার উৎসাহ ছিল সর্বাধিক।
১৯ এপ্রিল ২০২৩, ০৩:৪৫ পূর্বাহ্ন
sheikh_mujibur_rahman.jpg

শেখ মুজিবের সাহস তো অবশ্যই, বুদ্ধিমত্তাও ছিল প্রখর

শেখ মুজিবুর রহমানের অসামান্য সাফল্যের পেছনে তার ব্যক্তিগত বিভূতি কার্যকর ছিল। সাহস তো অবশ্যই, তার বুদ্ধিমত্তাও ছিল প্রখর।
১৭ মার্চ ২০২৩, ০২:১৮ পূর্বাহ্ন
92.jpg

ধর্মীয় জাতীয়তাবাদ অবাস্তব ও বিপজ্জনক

নিম্নবর্গের ইতিহাসবিদের একটি বিশেষ গুণ সাহিত্যে তাদের আগ্রহ। ইতিহাস নিয়ে লেখা গ্রন্থ ও প্রবন্ধকে তাঁরা সাহিত্যের আবেদনে সমৃদ্ধ করেছেন।
৯ মার্চ ২০২৩, ০২:১৯ পূর্বাহ্ন
emran_bhai_bangla_web_57.jpg

পরিপূর্ণ গণতন্ত্র চাইবো, সঙ্গে মানবিকতা

পৃথিবী যে ভাগ হয়ে যাচ্ছে এটা নতুন কোনো ঘটনা নয়। দুর্ঘটনাও নয়। অনিবার্যভাবেই তা ঘটে চলেছে। সুবিধাভোগী ও সুবিধাবঞ্চিতদের ভেতর বিভাজনটা অতিপুরাতন। একালে বিভাজনটা সর্বগ্রাসী ও সর্বত্রবিস্তারী হয়েছে, এই যা। ভাগটা ওপরের ও নীচের। ওপরে রয়েছে সুবিধাভোগী অল্পকিছু মানুষ, নীচে বিপুল সংখ্যক সাধারণ মানুষ, যারা শ্রম করে এবং যাদের শ্রমের ফল অপহরণ করেই ওপরের মানুষগুলো তরতাজা হয়। লেখক জনাথন সুইফট তাঁর গালিভার্স ট্রাভেলস বইতে আজব কয়েকটি দেশের কল্পকাহিনী লিখেছিলেন। দেশগুলোর একটিতে শাসকরা থাকে উড়ন্ত এক দ্বীপে, নীচে বিস্তীর্ণ এক মহাদেশ, সেখানে বসবাস প্রজাদের।
২৭ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:২৮ পূর্বাহ্ন
সাহিত্যের চাওয়া পাওয়া

সাহিত্যের চাওয়া পাওয়া

সাহিত্যের কাছে আমাদের চাইবার জিনিস আছে। কিন্তু সাহিত্যের নিজের চাওয়া পাওয়ার একটা বিষয় থাকে। আমরা জানি যথার্থ সাহিত্য বারবার পড়া যায়, কখনোই পুরাতন হয় না। উল্টো প্রতিপাঠেই নতুন চেহারায় ধরা দেয়। এর কারণ সাহিত্যের ভেতর একটা রহস্য থাকে। রহস্যটা কী? থাকে সে কোথায়? সেসব কথা একেবারে পরিষ্কার করে বলা যাবে না, বলতে গেলে কারণের একটা ফর্দ তৈরি করতে হবে। ফর্দে উল্লেখ থাকবে লেখকের কল্পনার, তার অনুভূতির, এবং তার দর্শনের। কোনটা আগে কোনটা পরে সেটার মীমাংসাও একটা সমস্যা। কারণ ওই ৩টি মিলেমিশে যায়, অভেদ্য হয়ে পড়ে। তবে এটা খুবই সত্য যে দর্শন ছাড়া সাহিত্য নেই। সাংবাদিকতা যে সাহিত্য নয় তার প্রধান কারণ ওই দর্শন।
১৯ জানুয়ারী ২০২৩, ০২:২৬ পূর্বাহ্ন
রাজনীতি

সময় ও সমাজ যাচ্ছে কোন দিকে

চলতি বছরে এসএসসি পরীক্ষার প্রথম দিনে অনুপস্থিত ছিল ৩৩ হাজার ৮৬০ পরীক্ষার্থী। ধারণা করা মোটেই অসঙ্গত নয় যে, এদের অধিকাংশই নিম্নবিত্ত পরিবারের সন্তান। এটাও অনুমান করি যে, ছেলেদের তুলনায় মেয়েরাই ঝরে পড়েছে অধিক সংখ্যাতে। কারো বিয়ে হয়ে যায়, কারো বাবা-মা পড়াশোনার খরচ যোগাতে ব্যর্থ হন। কিন্তু এরই মধ্যে কয়েকটি অসামান্য খবর বের হয়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে মেয়েদের কেউ কেউ সে রকমেই অসম্ভব কাজ করেছে যেমনটা করেছে তাদেরই বয়সী সাফ চ্যাম্পিয়ান আমাদের নারী ফুটবল খেলোয়াড়রা।
২৫ ডিসেম্বর ২০২২, ০২:১৬ পূর্বাহ্ন
sic_sir_vasani.jpg

মওলানা ভাসানী ও ইসলামী সমাজতন্ত্র

ভাসানী সমাজতন্ত্রী ছিলেন, কিন্তু শেষ দিকে তিনি ইসলামী সমাজতন্ত্রের কথা বলছিলেন। এ নিয়ে বিস্ময় ও হতাশা দু’টোই দেখা দিয়েছে, বিশেষ করে তাঁর অনুরাগী ও অনুসারীদের ভেতরে। বদরুদ্দীন উমর মনে করেন যে, এটা ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের একটি মস্ত বড় পশ্চাদ্গমন। ১৯৭০ সালের জানুয়ারিতে তিনি লিখেছেন,  Whether the Maulana and his political associates understand the import of such declarations or not is a different  question, but the fact of the matter is that by his latest stand the Maulana has struck at the very root of democratic politics in this country.
১৭ নভেম্বর ২০২২, ০৭:১৪ পূর্বাহ্ন
poster_7.jpg

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কর্তব্য হবে মনুষ্যত্বকে রক্ষা করা

বিশ্ববিদ্যালয় তার অস্তিত্বের একশ’ বছর পার হয়ে এসেছে। সামনের দিনগুলোতে সে কিভাবে এগুবে সে প্রশ্নটা খুবই সঙ্গত। এগুতে হবে অবশ্য উচ্চশিক্ষার প্রতিষ্ঠান হিসেবেই। সেটাই দাঁড়াবে প্রধান ও প্রাথমিক দায়িত্ব। তার জন্য প্রয়োজন হবে বিতরণের লক্ষ্যে জ্ঞান আহরণ ও সৃষ্টি।
১২ নভেম্বর ২০২২, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
Sirajul Islam Chowdhury.jpg

আমলাতান্ত্রিক রাষ্ট্র মেধাবানদের টেনে নিয়েছে

বিশ্ববিদ্যালয়ের যা অর্জন তা কেবল যে শিক্ষকদের কারণেই ঘটে এমন নয়; ছাত্রদের কাজটাও এখানে খুবই জরুরী। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকরা যেমন ছাত্রদেরকে গড়ে তুলেছেন, ছাত্ররাও তেমনি শিক্ষকদেরকে শিক্ষাগ্রহণের মধ্য দিয়ে উদ্দীপ্ত করেছে, এবং অত্যন্ত প্রয়োজনীয় যে চরিতার্থতা তার বোধটাও শিক্ষকদের কাছে পৌঁছে দিয়েছে। রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে যখন সঙ্কটাদি দেখা দিয়েছে তখন ছাত্ররাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের ব্যাপারে মুখ্য ভূমিকা পালন করেছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জীবনে ছাত্রদের এই যে সংবেদনশীলতা ও অধিকার-চেতনা ছিল একটি চালিকাশক্তি।
১১ নভেম্বর ২০২২, ০৬:০৪ পূর্বাহ্ন
sic-02-01.jpg

ছাত্রসংসদ আইয়ুব খানের সময়েও টিকে ছিল

স্মরণ করলে দেখা যাবে যে, গত একশ’ বছরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের যে বিস্তার ও উন্নয়ন ঘটেছে তা অসাধারণ। শিক্ষাক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান বহুমুখী ও সুবিস্তৃত। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠা ঘটে দরিদ্র, অবহেলিত ও প্রান্তিক এক জনপদের মানুষকে উচ্চ শিক্ষার ক্ষেত্রে সাহায্য করার দায়িত্ব নিয়ে।
১০ নভেম্বর ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
poster_4.jpg

আইয়ুব খান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়কে শত্রুপক্ষ মনে করতো

শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদানগুলোর একটি হচ্ছে ধর্মনিরপেক্ষতা। বাইরে যখন প্রবল সাম্প্রদায়িক হানাহানি চলছে, এবং দেশ এগিয়ে যাচ্ছে ভাগ হওয়ার দিকে, এই বিশ্ববিদ্যালয় তখন কেবল যে সাম্প্রদায়িক হতে অস্বীকার করেছে তাই নয়, হয়ে উঠেছে ধর্মনিরপেক্ষই। ধর্মনিরপেক্ষতার যে দু’টি গুণ- ইহজাগতিকতা ও রাষ্ট্রের সঙ্গে ধর্মের বিচ্ছিন্নতা- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেই দু’টিকে লালন করেছে। শিক্ষকরা ছিলেন অসাম্প্রদায়িক; আর রাষ্ট্রীয় কর্তৃপক্ষের পরিকল্পনার ভেতর দিয়ে সাম্প্রদায়িক বিভাজনকে বাড়িয়ে দেওয়ার আগ্রহ থাকলেও, বিশ্ববিদ্যালয় ওই পথে এগোয়নি।
৯ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন
312584513_654053199539211_6018944276943266359_n.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রীয় হস্তক্ষেপই ছিল সবচেয়ে ক্ষতিকর

ইতিহাসের ধারাবাহিকতা ও ঐতিহ্যের প্রবহমানতা অচ্ছেদ্য রূপে বজায় রাখা সম্ভব না হলেও, সমাজ ও রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের ধারাবাহিকতায় কিন্তু বিরাম ঘটে নি। প্রতিষ্ঠার সময়ে ঢাকা ও কলকাতা উভয় শহর থেকেই স্বার্থবাদীদের বিরোধিতা যেমন এসেছে, যাত্রা শুরুর পরেও তেমনি এই বিশ্ববিদ্যালয়কে সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় বৈরিতার মোকাবিলা করেই এগুতে হয়েছে।
৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:২৭ পূর্বাহ্ন
poster_2.jpg

সাতচল্লিশ পশ্চিমবঙ্গ-পূর্ববঙ্গ পার্থক্যটাকে অনতিক্রম্য করে দিয়েছিল

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুখ্য ভূমিকাটা দাঁড়িয়ে গিয়েছিল শিক্ষা ও সংস্কৃতির চর্চার মধ্য দিয়ে পূর্ববঙ্গের অনগ্রসর সমাজকে এগিয়ে যেতে সাহায্য প্রদান করা। শিক্ষা সব সময়েই সংস্কৃতি ও সামাজিকতার সঙ্গে যুক্ত; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বেলাতে দায়িত্বটা ছিল বিশেষ ধরনের। একেতো পূর্ববঙ্গের সমাজ ছিল পিছিয়ে-পড়া; তদুপরি উচ্চশিক্ষার জন্য এই অঞ্চলে এটিই ছিল প্রথম বড় ও একক প্রতিষ্ঠান।
৭ নভেম্বর ২০২২, ০৪:৪৯ পূর্বাহ্ন
sic_sir_1.jpg

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠায় আপত্তি ছিল কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়েরও

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একশ বছরের ইতিহাস সংগ্রামের, অগ্রগামিতার ও গৌরবের। কিন্তু কোনো ইতিহাসই সরল রেখায় এগোয় না, ছেদ-বিচ্ছেদ ঘটে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শতবর্ষের ইতিহাসেও তার ব্যতিক্রম ঘটেনি। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রা নানাভাবে বিঘ্নিত হয়েছে, এমনও ঘটনা ঘটেছে যাতে বিশ্ববিদ্যালয়টি টিকতে পারবে কি না তা নিয়েই সংশয়ের সৃষ্টি হয়েছে।
৬ নভেম্বর ২০২২, ০৯:২৮ পূর্বাহ্ন
bangla_emran.png

সামাজিক মুক্তি কত দূরে 

সবকিছুরই শেষ আছে, করোনাযুদ্ধেরও। যুদ্ধের শেষে ধ্বংসাবশেষ পড়ে থাকে, করোনার এই যুদ্ধ যখন শেষ হচ্ছে তখন দেখা যাবে অনেক কিছুরই ভাঙচুর ঘটেছে। বহু মানুষ মারা গেছে, যাদের বেঁচে থাকবার কথা ছিল। প্রকৃত হিসাব বের করা কঠিন হবে, তবে মৃত্যুর ঘটনা মেনে নেওয়াটা আরও কঠিন হবে বেঁচে যাওয়া আপনজনদের পক্ষে। 
১৫ অক্টোবর ২০২২, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii_05.06.2022-01.jpg

তরুণদের বিরোধ মোটেই সামান্য নয়

যে কিশোর, তরুণরা আজ পরস্পরকে খুন, জখম করছে, আসক্ত হচ্ছে নানাবিধ মাদকে, এক সময়ে তারা যেমন মুক্তিযুদ্ধে ছিল, তেমনি পূর্ববর্তী রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনেও ছিল। রাষ্ট্রভাষার জন্য আন্দোলন জয়যুক্ত হয়েছে, কিন্তু জয়ের প্রমাণ তো দেখতে পাই না, দেখতে পাই মাতৃভাষা কেবলি কোণঠাসা হচ্ছে। শহীদ দিবসের প্রভাতফেরীকে আদর আপ্যায়ন করে পাহারা দিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মধ্যরাতে, সকালের সেই অরুণ আলো মলিন হয়ে গেছে। রাতের অন্ধকারের কাছে তার আত্মসমর্পণ ঘটেছে।
৫ অক্টোবর ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

শিক্ষায় দীক্ষাগুরুর বিদায় চাই

শিক্ষার সঙ্গে দীক্ষার কথাটাও আসে, ‘শিক্ষাদীক্ষা’ প্রায়শ একইসঙ্গে চলাফেরা করে। এই যোগাযোগটা কিন্তু অকারণে ঘটেনি; শিক্ষা ও দীক্ষা একইসঙ্গে থাকে, তা যতোই আমরা না-দেখার চেষ্টা করি না কেন। আসলে দীক্ষাই শিক্ষাকে পরিচালনা করে থাকে; ভেতর থেকে এবং অনেকটা অদৃশ্য পন্থায়। শিক্ষার পক্ষে ওই পরিচালনা না মেনে উপায় নেই।
২২ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০২:০৮ পূর্বাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

আমি কেন ভাইস চ্যান্সেলর হতে চাইনি

আমার কাজটাকে আমি সাংস্কৃতিক কাজ হিসেবে দেখি। এই যে পরিবেশ রক্ষার আন্দোলন, ওসমানী উদ্যান সংরক্ষণের আন্দোলন, আড়িয়াল বিল রক্ষার আন্দোলন—এইসব আন্দোলনে যে প্রত্যক্ষভাবে যুক্ত ছিলাম, তা কিন্তু পরিবেশবাদী হিসেবে নয়, এটা করেছি অধিকারের জন্য।
৪ আগস্ট ২০২২, ০৩:৫৫ পূর্বাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

সতর্কবাণী পেলাম, যেন রাষ্ট্রবিরোধী কোনো কাজ না করি

শিক্ষক সমিতির যে তিনজন সম্পাদক ছিলেন—ডক্টর কায়েস, ডক্টর রফিকুল ইসলাম এবং আমাদের এক বন্ধু—তিনজনকেই ধরে নিয়ে গেছে। আহসানুল হক নামে আমাদের এক সহকর্মীকেও ধরে নিয়ে গিয়েছিল। তাদেরকে আবার আগস্ট মাসে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
৩ আগস্ট ২০২২, ০৪:০২ পূর্বাহ্ন
সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

রাষ্ট্র বদল হয়েছে, ঔপনিবেশিকতা বদল হয় নাই

এখন সংস্কৃতির কথা বলি। আমাদের বাবারা ধুতি পরতেন। ধুতি পরেই অফিসে যেতেন, সেটাই ছিল কালচার। যখন ৪৬ সালে পাকিস্তান আন্দোলন হচ্ছে, দাঙ্গা হচ্ছে, তখন কলকাতায় বাবার কাছে গিয়ে দেখি তিনি এক ধরনের কাপড় পরছেন—প্যান্ট-পাজামা। এটা পাজামার মতোই কিন্তু দুদিকে পকেট আছে।
২ আগস্ট ২০২২, ০৪:৪৫ পূর্বাহ্ন

Pagination

  • Show more
Home

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.