Skip to main content
Home
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
ঢাকা
ঢাকার ২০ আসনের জয়-পরাজয়ের চিত্র
ছবি: সংগৃহীত
চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন

Main navigation

  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য
  • English
  • আজকের সংবাদ
রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬
  • E-paper
  • Today’s News
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

jashim_uddin.jpg

জসীম উদ্দীনের নিজস্বতা

জসীম উদ্দীনের দেখার দৃষ্টি একদিকে সহানুভূতিতে পরিপূর্ণ, অন্যদিকে ইহজাগতিকতার দ্বারা চিহ্নিত। তিনি অসাম্প্রদায়িক ও লৌকিক। মানুষের জাগতিক দুঃখের কবি তিনি।
২ জানুয়ারী ২০২৬, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
smaaj_naa_bdlaale_raassttr_bdlaabe_naa.jpg

সমাজ না বদলালে রাষ্ট্র বদলাবে না

ধরে নিলাম নির্বাচন অগ্রহণযোগ্য হবে না। কিন্তু তার দ্বারা কি নিশ্চিত হওয়া যাবে যে দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হবে? মোটেই না। কেননা নির্বাচন আর যাই করুক রাষ্ট্রের চরিত্রে কোনো মৌলিক পরিবর্তন নিয়ে আসবে না। নির্বাচনের দায়িত্বই হচ্ছে রাষ্ট্রের ‘চরিত্র’ রক্ষা করা।
২২ অক্টোবর ২০২৪, ০৩:০০ পূর্বাহ্ন
phyaasibaad_o_taar_prtipkss.jpg

ফ্যাসিবাদ ও তার প্রতিপক্ষ

পশু ও মানুষের সহাবস্থানে পশুর বড় সুবিধা, মানুষের বড়ই বিপদ।
২১ আগস্ট ২০২৪, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
hittlaarer.jpg

ফ্যাসিবাদ ও তার প্রতিপক্ষ

মানুষে মানুষে সহমর্মিতার ভিত্তিতে যে ঐক্য ও দেশপ্রেম গড়ে উঠেছিল তাও ছিল অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবেই অপরাজেয়।
২০ আগস্ট ২০২৪, ১০:২০ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury_2.jpg

আমরা যে আধুনিকতায় মানুষ হয়েছি

আমাদের বাংলা সাহিত্যে যে আধুনিকতার কথা আমরা জানি, সেটা হচ্ছে কলোনিয়াল আধুনিকতা।
৫ জুলাই ২০২৪, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury_2.jpg

বাংলাদেশের প্রতীক কী?

বাংলাদেশ যখন স্বাধীন হলো তখনো কিন্তু আমাদের সেই রেশন কার্ডের কাছে যেতে হচ্ছে—তেলের জন্য, কাপড়ের জন্য।
৪ জুলাই ২০২৪, ০৩:৫৯ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury.jpg

পাকিস্তান অনেককে নিঃস্ব করে দিয়েছে

তখন আমাদের গ্রামে এত শ্রেণিবিভাজন ছিল না। সাম্প্রদায়িকতা তো ছিলই না।
৩ জুলাই ২০২৪, ১০:৫৩ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chowdhury.jpg

এ সময় বিচ্ছিন্নতার

বাংলাদেশের এমপি-মন্ত্রীরা পুঁজিবাদী দীক্ষায় দীক্ষিত। তারা উপনিবেশিকতার চর্চা করে চলেছেন।
২ জুলাই ২০২৪, ০২:৩২ পূর্বাহ্ন
sic.jpg

আমি যত না বাবার সন্তান, তার চেয়ে বেশি মায়ের

ব্যক্তিগত জীবনে আমি উপলব্ধি করেছি, আমি যত না আমার পিতার সন্তান, তার চেয়ে বেশি মাতার সন্তান। পিতাও আমার অভিভাবক ছিলেন, আমার মঙ্গল করেছেন। কিন্তু, আমার মাতার যে চরিত্র, যে অবস্থান- সেইটা ভিন্ন। আমি দেখতাম মাতা এবং পিতার কিন্তু অনেক পার্থক্য আছে।
১ আগস্ট ২০২২, ০৩:৪৬ পূর্বাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii.jpg

প্রথম বিদ্রোহ পিতার বিরুদ্ধে

আমাদের মেয়েরা যখন বেরোতেন তখন রিকশা বা ঘোড়ার গাড়ি কাপড় দিয়ে ঢেকে বেরোতে হতো। কিন্তু, বোরখা পরে আমরা দেখিনি যে মেয়েরা রাস্তাঘাটে চলাফেরা করছে। আমার স্ত্রী নাজমা জেসমিন; সে সেন্ট্রাল উইমেন্স- এ তখন পড়ায়। সে যাচ্ছে হাটখোলাতে। আমি গ্রামে। সে বাবার বাড়িতে থাকে। বাবাকে নিয়ে যাচ্ছে এবং মায়ের বোরখা খুঁজে বের করে বোরখা পরে যাচ্ছে।
৩১ জুলাই ২০২২, ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন
sirajul islam.jpg

পাকিস্তানের রাষ্ট্রীয় অভিজ্ঞতা

১৯৪৭ সালে ঢাকা শহরে আমাদের থাকার কোনো জায়গা ছিলো না। আত্মীয়ের বাড়িতে উঠেছি। সেই আত্মীয়ের বাড়িতে বিদ্যুৎ ছিল না, পানির সরবরাহ ছিল না। তারপরে আরেকটা বাড়িতে গেলাম ১ নং নাজিরা বাজারে,  সেখান থেকে বেগম বাজারে গেলাম। সেইখানে আরেক আত্মীয়ের বাড়িতে উঠলাম। তারপর ১৯৫০ সালে আজিমপুর কলোনি হলে ৫০০ সরকারি কর্মচারী পরিবার সেখানে আশ্রয় পেল। সেখানে আমরা পানি পেলাম, বিদ্যুৎ পেলাম। তো এই ছিল আমাদের দেশভাগ পরবর্তী সময়ের পটভূমি।
৩০ জুলাই ২০২২, ০৭:০৮ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam1.jpg

বিক্রমপুরের মতো ‘ঈশ্বরবর্জিত’ এলাকায় চৌধুরীরা কেন এসেছিলেন

ট্রাফিক জ্যাম, করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ প্রভৃতি সমস্যা উপেক্ষা করে আপনাদের উপস্থিতি আমার জন্য অপ্রত্যাশিত পাওনা। আমি আসলে জন্মদিন উদযাপন আগে করতাম না, কিন্তু আমার যারা শুভানুধ্যায়ী তারা মনে করিয়ে দেন যে, এই দিনটা আসছে এবং আজকের এই অনুষ্ঠানও তারাই আয়োজন করেছে। তাদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করি।
২৯ জুলাই ২০২২, ০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন
painting_robi.jpg

রবীন্দ্রনাথের নায়িকারা

রবীন্দ্রনাথ যে সমাজকে নিয়ে লিখেছেন, সেখানে পুরুষের আধিপত্য ছিল অত্যন্ত সুপ্রতিষ্ঠিত। ওদিকে পুরুষ নিজেও যে স্বাধীন ছিল তা নয়, পুরুষ ছিল উপনিবেশের বাসিন্দা, ঔপনিবেশিক শাসন বড় নির্মমভাবে সংকুচিত করে দিয়েছে পুরুষের কর্মক্ষেত্রটিকে। এই পুরুষের অধীনে যে নারী, সে আসলে বন্দির হাতে বন্দি, তার জন্য কর্মের বৃহৎ ক্ষেত্রে আত্মপ্রকাশ বা অংশগ্রহণ করা সম্ভব ছিল না।
২৮ জুলাই ২০২২, ০২:২৪ পূর্বাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii_5.jpg

সামাজিক বৈষম্যের দৈত্যটাকে পরাভূত করা চাই  

ব্রিটিশ-বিরোধী আন্দোলনে একদিন বাংলাই ছিল সামনে। ১৯০৫ সালের বঙ্গভঙ্গবিরোধী আন্দোলন কেবল বাংলায় সীমাবদ্ধ থাকে নি, সারা ভারতজুড়ে ব্রিটিশের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের প্রকাশমুখ হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু এই আন্দোলনের অর্জনের মধ্যে বাংলার দিক থেকে প্রান্তের দিকে পেছানোর ঘটনাও জড়িত হয়ে গেল। চতুর ইংরেজ বঙ্গভঙ্গ রোধে বাধ্য হলো ঠিকই, কিন্তু ব্রিটিশ ভারতের রাজধানী আর কলকাতায় রাখলো না, সরিয়ে নিয়ে গেল দিল্লিতে। 
১১ জুন ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii_08.06.2022.jpg

সামাজিক বৈষম্যের দৈত্যটাকে পরাভূত করা চাই

আমাদের প্রান্তিকতা সম্পর্কে কোনো সন্দেহই নেই। প্রান্তিক হলে সুখও আছে। ওই যে মৎস্য ধরিব খাইবো সুখে! কিন্তু মাছও এখন আর আগের মতো পাওয়া যায় না। নদী নালা শুকিয়ে গেছে, পুকুরগুলো জীর্ণ। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কলহে, সামান্য সামান্য আকাঙ্ক্ষা বৃষ্টিবর্ষণে মগ্ন থাকাটায় সুখ আছে আশা করা যায়; জগৎ থাকুক জগতের মতো, আমি বরঞ্চ পাশ ফিরে শুই- এইভাবে থাকাটা মন্দ নয়। কিন্তু জগৎ তো সে-ভাবে থাকতে দেয় না, ত্যক্তবিরক্ত করে, খোঁচায়, চায় আরো প্রান্তে ঠেলে দেবে। তাতে মুস্কিল হয়। 
৮ জুন ২০২২, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
sic.jpg

ঈদে কী সাম্য আসে!

এতো লোক চলে গেছে, তবু রাজধানীতে যে লোকের অভাব নেই তার অর্থ ওই যে টেনে নেওয়া এবং ঠেলে বের করে দেওয়া এই ব্যাপারটা, পরিমাণ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে। এই শহরে এখন থাকার জায়গার তো অভাবই, চলেফেরা করাও প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে। গাড়িগুলো সারিবদ্ধভাবে দাঁড়িয়ে থাকে, যেন তাদেরকে হুকুম করা হয়েছে স্ট্যান্ড অ্যাট ইজ পজিশনে থাকার।
২ মে ২০২২, ০১:৩০ অপরাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii_1.jpg

ঈদে বিপন্ন জীবনে ছুটেছে মানুষ

আমরা ধরে নেই লোকটি একজন ফেরিওয়ালা। মাথায় তার চাঙারি, বিক্রি করে মাছ। গ্রামে নয়, শহরেই, এই রাজধানীতেই। হাঁক দিয়ে যায় পাড়ায় পাড়ায়। কিন্তু একদা সে গ্রামে ছিল। জেলে নয়, চাষি। জমিজমা বেদখল ও ভাগাভাগি হয়ে গেছে। যা ছিল সেটুকু হাতছাড়া হওয়ার আগে বিক্রি করে দিয়ে এখন ফেরিওয়ালা হয়েছে।
২৭ এপ্রিল ২০২২, ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
siraajul_islaam_caudhurii.jpg

রাষ্ট্রকে চিনবার উপায়

রাষ্ট্রের হাতে রয়েছে আইন, আছে আইন প্রয়োগের ব্যবস্থা। সমাজ যদি মানুষকে মানুষ করে না তোলে তবে সে অপরাধী, রাষ্ট্রও অপরাধী সেই সঙ্গে। সমাজে যদি অন্যায় থাকে, এবং অন্যায়ের যদি শাস্তি না হয়, তাহলে মানুষের মানুষ হওয়া কঠিন হয়। সহজ হয় অপরাধী হওয়া। আজকের দিনে আমরা একটি বিশ্ব পুঁজিবাদী ব্যবস্থার অধীনে বসবাস করছি। এই ব্যবস্থা শোষণমূলক; এ ব্যবস্থা মানুষ চেনে না, মুনাফা চেনে, এবং একের মুনাফা মানেই হলো অন্যের বঞ্চনা। বঞ্চনাকারীরাই ধনী হয়, ক্ষমতাবান হয়। সম্পত্তি মানেই যে চুরি এ সত্য প্রতিষ্ঠিত। মুনাফা মানে আরো বড় চুরি। সুবিধাবাদী ব্যবস্থা মস্তবড় অপরাধী; তার অধীনে যেসব রাষ্ট্র আছে তারাও অপরাধী। অপরাধীর পক্ষে অপরাধ দমন সম্ভব হবে কি করে? হচ্ছে না। হবে না।
২০ এপ্রিল ২০২২, ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
23-01.jpg

রাষ্ট্রকে চিনবার উপায়

রাষ্ট্রের মতো কারাগারও একটি অমীমাংসায় দ্বন্দ্বের মুখচ্ছবি। দ্বন্দ্বটা রাষ্ট্রের সঙ্গে অপরাধের। অপরাধ মাত্রই একটি কার্য বটে, কিন্তু কারণ না থাকলে কার্য তো ঘটে না। রাষ্ট্রের পক্ষে তাই দ্বন্দ্বে লিপ্ত হওয়ার কথা উভয়ের সঙ্গেই—যেমন কার্যের, তেমনি কারণের।
১৬ এপ্রিল ২০২২, ০৩:২২ অপরাহ্ন
sbaadhiintaa_yemn_jruri-01.jpg

স্বাধীনতা যেমন জরুরি, পাশাপাশি মুক্তিও

স্বাধীনতার প্রয়োজন ছিল নতুন সমাজ গড়বার জন্যই। এই দাবিটা কোনো বিলাসিতা ছিল না। ছিল প্রাণের দাবি। আশা ছিল এই যে, জাতীয় প্রশ্নের মীমাংসা হয়ে গেলে, শ্রেণি প্রশ্ন মীমাংসা করাটা সহজ হবে। কিন্তু শ্রেণি এমনই বস্তু যে সে মীমাংসিত প্রশ্নকেও অমীমাংসিত করে দেয়। বাংলাদেশ হবার পর যারা অনেক টাকা করেছে এবং পাকিস্তান আমলে কিছুটা সুযোগসুবিধা পাবার দরুন ও কিছুটা সাংস্কৃতিক পশ্চাৎপদতার কারণে যারা পাকিস্তানপন্থি ছিল তাদের রাজনৈতিক স্বার্থ রক্ষাকারী যে প্রতিষ্ঠান বিএনপি পাকিস্তানি জাতীয়তাবাদের অনুকরণে বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদের ধ্বনি তুলেছে।
২৫ মার্চ ২০২২, ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
sbaadhiintaa_yemn_jruri-03.jpg

স্বাধীনতা যেমন জরুরি, পাশাপাশি মুক্তিও

আমাদের স্বাধীনতা সবসময়েই জরুরি ছিল। কেননা আমরা পরাধীন ছিলাম। সাতচল্লিশের স্বাধীনতার পরও সেটা জরুরি হয়ে উঠেছিল একাধিক কারণে। প্রথম কারণ জাতিগত প্রশ্নের মীমাংসা। পাকিস্তান নামের এই অস্বাভাবিক রাষ্ট্রটিতে নিপীড়ন চলছিল বাঙালির জাতিসত্তার ওপরে। নিষ্ঠুর নিপীড়ন। রাষ্ট্রক্ষমতা যাদের দখলে ছিল তারা কেবল যে অবাঙালি ছিল তা নয়, ছিল তারা বাঙালি-বিদ্বেষী। শাসন ব্যবস্থার পুরোটাই ছিল এই বাঙালি-বিদ্বেষীদের হাতে। সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র, পুলিশ, আদালত, জেলখানা সবই তাদের অধীনে। ব্যবসা-বাণিজ্যসহ গোটা অর্থনীতি তারাই নিয়ন্ত্রণ করতো। প্রচার মাধ্যমে তারা ছাড়া আবার কারা? শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তারা হাতে রাখতে চাইতো। 
২১ মার্চ ২০২২, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন
1-01.jpg

তরুণেরা ফেব্রুয়ারিতে কী করে

একুশে ফেব্রুয়ারিতে অনেক কটি বৈশিষ্ট্যের প্রধান দুটি ছিল প্রভাতফেরি ও ছোট ছোট সংকলন। খালি পায়ে গান গাইতে গাইতে রওনা হতো ছেলেমেয়েরা, খুব সকালে। শহীদ মিনারে আসত। যেত আজিমপুরের গোরস্থানে। এই অভিজ্ঞতা আগে ছিল না, মুসলমান মধ্যবিত্ত গানের ব্যাপারেই উৎসাহহীন ছিল, প্রভাতফেরি তো পরের কথা। সংকলন প্রকাশের ব্যবস্থা উনিশ শ’ বায়ান্নর আগে অমনভাবে দেখা যায় নি। পাড়ার ছেলেরা সংকলন ছাপত, সাংগঠনিকভাবে তা ছাপানো হতো। লেখা সংগ্রহ, ছবি আঁকিয়ে নেয়া, প্রুফ দেখা, ছাপানো, বাঁধানো এবং যেটা সবচেয়ে জরুরি দল বেঁধে বিক্রি করা, সবকিছুতেই চমৎকার উৎসাহ দেখা যেত। এখন প্রভাতফেরিও কমেছে, সংকলনও আগের মতো নেই।
২০ ফেব্রুয়ারী ২০২২, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
shirazul_b-01-01.jpg

আশাহীনতায় আমাদের সমাজ

আমাদের জীবনে আশা নিয়ে ঘুরে ফিরে আসে প্রতিটি নতুন বছর, নতুন মাস। মনে করা হয় যে, দিন বদলাবে। কিন্তু বদলায় না এবং বদলায় না যে, সেই পুরাতন ও একঘেঁয়ে কাহিনীই নতুন করে বলতে হয়। না-বদলাবার কারণ একটি ব্যাধি, যার দ্বারা আমাদের সমাজ ও রাষ্ট্র আক্রান্ত। ব্যাধিটির নাম পুঁজিবাদ। এই ব্যাধি থেকে মুক্তির জন্য আমাদের চেষ্টার অবধি নেই। রাজনৈতিকভাবে আমরা বারবার চেষ্টা করেছি কিন্তু সফল হই নি।
৬ ফেব্রুয়ারী ২০২২, ০৬:৫৪ পূর্বাহ্ন
kii-shikhechi-eto-bchre.jpg

কী শিখেছি এতো বছরে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হিসেবে আমার প্রবেশ বায়ান্নর রাষ্ট্রভাষা আন্দোলনের বছরে। তারপরে অনেক ঘটনা ঘটেছে ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত জীবনে। কিন্তু সেই যে আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে আসা, সেখান থেকে আর সরা হয়নি। ইচ্ছে করেই সরিনি। কিন্তু কি শিখেছি এই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছ থেকে? এক কথায় বলতে গেলে, বিশেষভাবে শিক্ষাপ্রাপ্ত হয়েছি দুটি ব্যাপারে। একটি গ্রন্থমনস্কতা অপরটি সামাজিকতা। আলাদা আলাদাভাবে নয়, এক সঙ্গেই। ওই দুই বস্তু আমার ভেতর কতটি ছিল জানি না, যতটুকু ছিল তারা উভয়েই যে বিকশিত হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আশ্রয়ে ও প্রশ্রয়ে, তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই।
১১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
snskrtir_byaapaarttaa_ktttaa_jruri_3-01-01.jpg

সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি

আমাদের দেশে ২টি বড় ট্রাজেডি ঘটেছে। প্রথমটি ১৭৫৭ সালে পলাশীর যুদ্ধ, দ্বিতীয়টি ১৯৪৭ সালে দেশভাগে। সেই দেশভাগ সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, এমনকি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের ভাগ করে যে ক্ষতি করেছে তা পূরণ হওয়ার নয়। অন্নদাশঙ্কর রায়ের কবিতাটা মনে আছে? শিশুটি তেলের একটি শিশি ভেঙে ফেলেছে। কবি বলছেন, ‘তেলের শিশি ভাঙলো বলে শিশুর উপর রাগ করো/ তোমরা যে সব বুড়ো খোকা ভারত ভেঙে ভাগ করো তার বেলা?’ বুড়ো খোকারা ভারত ভেঙে ভাগ করেছে, ইংরেজ প্ররোচনা দিয়েছে। কেমন করে সাংস্কৃতিকভাবে এই ভাঙা-ভাঙির ব্যাপারটা কাজ করেছে তার নানান দৃষ্টান্ত আমরা নানান জায়গায় পাব।
১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:০০ পূর্বাহ্ন
261406717_156566133337003_5081142362459161218_n.jpg

সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি

আমাদের ইতিহাসের দিকে তাকালে দেখব, আমরা দীর্ঘকাল সংগ্রাম করেছি। এই সংগ্রামে সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন। পার্থক্য হচ্ছে, জাতীয়তাবাদীরা ছিলেন পুঁজিবাদী এবং সমাজতন্ত্রীরা ছিলেন সামাজিক মালিকানায় বিশ্বাসী। নানান ঐতিহাসিক কারণে সমাজতন্ত্রীরা জয়ী হতে পারেননি। জাতীয়তাবাদীরা, পুঁজিবাদীরা জয়ী হয়েছেন। পুঁজিবাদীরা জয়ী হলে কি পরিণতি হয় তা আজকে ৪টি গানের মধ্যে আমাদের এই শিল্পী বন্ধু উন্মোচিত করে দিয়েছেন। এটিই হচ্ছে পরিণতি। আমরা পুঁজিবাদের মধ্যে এই চরিত্রটা দেখব রবার্ট লুই স্টিভেনশনের একটি গল্পে। গল্পটা হয়ত আপনারা অনেকেই জানেন। নাম ড. জেকিল অ্যান্ড মিস্টার হাইড। ড. জেকিল খুব বড় মাপের একজন চিকিৎসক, বিজ্ঞানী, সন্ন্যাসীর মতো মানুষ। তার কোনো শত্রু নেই, সারাক্ষণ গবেষণা করেন। মানুষের উপকারে গবেষণা করেন। কিন্তু তার ভেতরে আর একটা মানুষ আছে, সেই মানুষটা মি. হাইড।
৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
snskrtir_byaapaarttaa_ktttaa_jruri-01.jpg

সংস্কৃতির ব্যাপারটা কতটা জরুরি

শতবছর আগে রুশ দেশে যে বিপ্লব হয়েছিল সে বিপ্লবের তাৎপর্য সাংস্কৃতিকভাবে তুলে ধরা আজকে খুবই প্রয়োজনীয়। কিছু কিছু অনুষ্ঠানের শুরুতে আমরা কিছু মূল্যবান গান শুনে থাকি। সে গানগুলোতে সমাজ বাস্তবতা উন্মোচিত হয়। সে সব শিল্পী চর্মচক্ষে দেখতে পান না হয়তো, কিন্তু মনের মধ্যে স্পষ্ট দেখেন দেশের অবস্থাটা এখন কী। গানগুলো একটা কথাই বলে—আমরা আছি পুঁজিবাদী ব্যবস্থার যে চরম রূপ, তার ভেতরে। আমি এই কথাটায় আবার ফিরব।
২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
sirajul_islam_chy.jpg

যে কারণে দুর্দিনের অবসান ঘটছে না

সংস্কৃতির ভেতর অনেক কিছু থাকে। শিল্প-সাহিত্য, ইতিহাস-ঐতিহ্য তো বটেই মতাদর্শও থাকে, আর ওই মতাদর্শের ব্যাপারটা মোটেই গুরুত্বহীন নয়। ওইখানে, মতাদর্শের ওই জায়গাটাতে জাতীয় কবি নজরুল ছিলেন একই সঙ্গে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী ও সামন্তবাদবিরোধী। দুই বিরোধিতার এই মিলনটা অনেক ক্ষেত্রেই ঘটে না, নজরুলের বেলাতে চমৎকারভাবে ঘটেছিল। ব্রিটিশ শাসনের কালে সাম্রাজ্যবাদ বিরোধিতা ও সামন্তবাদ বিরোধিতার ঐক্য ঘটা কঠিন ছিল। ব্রিটিশের কূটচাল তো ছিলই, হিন্দু ও মুসলমান দুই সম্প্রদায়ের নেতারা, ঠাট্টা করে নজরুল যাদেরকে টিকিওয়ালা ও দাড়িওয়ালা বলেছেন, বলেছেন রামছাগল ও খোদার খাসি, তারাও তৎপর ছিল। ফলে সাম্রাজ্যবাদবিরোধী লড়াইয়ে ধর্ম ঢুকে পড়ে সাম্প্রদায়িকতার সৃষ্টি করেছে, জন্ম দিয়েছে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গার, এবং পরিণতিতে সাতচল্লিশে যা ঘটেছে তা স্বাধীনতা প্রাপ্তি নয়, সেটা হলো মারাত্মক দেশভাগ।
২৭ অক্টোবর ২০২১, ০১:৩৬ অপরাহ্ন

Pagination

  • Show more
Home

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.