পাঁচে নামলে পার্থক্য গড়ে দিতে পারতেন ধোনি: শচীন

By স্পোর্টস ডেস্ক
11 July 2019, 10:57 AM
UPDATED 11 July 2019, 17:14 PM

অভিজ্ঞ উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান মহেন্দ্র সিং ধোনিকে সাত নম্বরে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ভুল করেছে ভারত। এমনটাই মনে করছেন দেশটির কিংবদন্তি সাবেক তারকা শচীন টেন্ডুলকার। বিশ্বকাপের সেমি-ফাইনাল থেকে ভারতের বিদায়ের পর তিনি বলেছেন, ধোনি যদি ব্যাটিং অর্ডারের পাঁচে নামতেন, তবে ম্যাচের চিত্র অন্যরকম হতো।

বুধবার (১০ জুলাই) নিউজিল্যান্ডের কাছে ১৮ রানে হেরেছে ভারত। ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্র্যাফোর্ডে কিউইদের ২৩৯ রানের জবাবে তিন বল বাকি থাকতে তারা অলআউট হয় ২২১ রানে। বোলারদের দাপটে পাওয়া নাটকীয় জয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠে গেছে নিউজিল্যান্ড।

৭১ রানে ভারতের পঞ্চম উইকেটের পতন হওয়ার পর উইকেটে যান ধোনি। ধ্বংসস্তূপের মধ্যে দাঁড়িয়ে বুক চিতিয়ে লড়াই করেন তিনি। সপ্তম উইকেটে রবীন্দ্র জাদেজার সঙ্গে গড়েন ১০৫ বলে ১১৬ রানের জুটি। তাদের কল্যাণে জয়ের আশা বুনতে থাকে দলটি। কিন্তু ৫৯ বলে ৭৭ রান করা জাদেজার পর ৪৯তম ওভারে ধোনি রানআউট হলে ভেস্তে যায় ভারতের স্বপ্ন। ৭২ বল খেলে ৫০ রান করলেও দলকে জেতাতে পারেননি বর্ষীয়ান তারকা।

যদিও ভারতের ইনিংসের সর্বোচ্চ স্কোরার জাদেজা, তবে পেছন থেকে কলকাঠিটা ধোনিই নাড়েন। দুজনে মিলে রাজত্ব করেন নিউজিল্যান্ডের বোলারদের ওপর। স্কয়ার লেগ থেকে মার্টিন গাপটিলের নিখুঁত থ্রোতে ধোনি রানআউট হওয়ার আগ পর্যন্তও ম্যাচে ছিল ভারত।

ধোনির সাতে নামা প্রসঙ্গে শচীন বলেন, ‘এমন চরম বিপদের মুহূর্তে আপনার চিন্তা থাকবে ধোনিকে আগে ব্যাটিংয়ে নামানোর এবং তার মাধ্যমে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার। শেষদিকে সে জাদেজার সঙ্গে কথা বলছিল এবং নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছিল। দক্ষতার সঙ্গে স্ট্রাইক বদল করে খেলছিল সে।’

কিউইদের বিপক্ষে মাত্র ৫ রানে টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় ভারত। এরপর পাঁচে ব্যাটিং করতে পাঠানো হয় দিনেশ কার্তিককে। ইনিংসের দশম ওভারে তিনি ফেরেন দলীয় ২৪ রানের মাথায়। তবুও ধোনিকে নামানো হয়নি। তার আগে ক্রিজে যান হার্দিক পান্ডিয়া।

এমন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে ধোনিকে দেরিতে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট ভুল করেছে বলে মত দেন শচীন, ‘হার্দিকের পরিবর্তে বা এরও আগে ধোনি যদি পাঁচ নম্বরে নামত, তবে সে পার্থক্য গড়ে দিতে পারত। ধোনি অবশ্যই কিছু না কিছু করত এবং দুই প্রান্তের নিয়ন্ত্রণ নিত।’