‘ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর আত্ম-অধিকার অস্বীকারের মানে, নিজেদের অধিকার অস্বীকার’
বেড়াতে যেতে চাইলে আমরা প্রথমেই ভাবি পাহাড়ে বা সমুদ্রে যাওয়ার কথা। তিন পার্বত্য জেলা- রাঙামাটি, বান্দরবান কিংবা খাগড়াছড়িকে আমরা এখন পুরোটাই টুরিস্ট স্পট বানিয়ে ফেলেছি। পাহাড়ে বেড়ানো, পাহাড়ি রান্না খাওয়া, পাহাড়িদের বাড়িতে থাকা, তাদের সাংস্কৃতিক উৎসব উপভোগ করি। রাশ মেলা, বিজু, নবান্ন, ওয়ান্নাগালা কোনো উৎসবই বাদ দেই না, সবই আমাদের আনন্দের উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে।
৯ আগস্ট ২০২০, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
গৃহকর্মী মানে কিন্তু দাস নয়
আমার পরিচিত একজন ‘শিক্ষিত-ভদ্র নারী’ বাসার কিশোরী গৃহকর্মীকে মারতে মারতে মেরেই ফেলেছিলেন। কিশোরীর অপরাধ সে মাংস চুরি করে খেয়েছে। এই নিয়ে এলাকায় ব্যাপক হইচই হলো, তাদের বিরুদ্ধে অবরোধও করা হয়েছিল। এরপর এক লাখ টাকা দিয়ে মানুষ হত্যার হাত থেকে পার পেয়েছিলেন তিনি। যতদূর শুনেছি, তার ছোট ছোট সন্তানরা মায়ের এই অপরাধ ক্ষমা করতে পারেনি।
২৫ জুলাই ২০২০, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশেও ‘অনার কিলিং’ আছে, নামে নয় বেনামে
সেদিন ‘ডার্ক চকলেট’ নামে একটি মুভি দেখে পর ৩-৪ দিন এত কষ্ট পেলাম যে, মনে হল, আগে রিভিউটা পড়া থাকলে এই মুভিটা আমি দেখতাম না।
১৫ জুলাই ২০২০, ১২:০৮ অপরাহ্ন
সাইবার অপরাধ আইন: আমরা কি জানি প্রকৃত অপরাধী কারা?
আমাদের দেশে ওয়াজ-মহফিল খুব জনপ্রিয়। একটা সময় ছিল যখন গ্রামেগঞ্জে শীতকালে এই ওয়াজ শোনাটা উৎসবের মতো ছিল। ৩০/৩৫ বছর আগে একবার ময়মনসিংহে বেড়াতে গিয়ে ওয়াজ শুনেছিলাম। পাশের গ্রাম থেকে একজন মওলানা সাহেব এসে কেয়ামত, বেহেশত, দোযখ, ভালো কাজ, মন্দ কাজ, মুসলিমদের দায়িত্ব ইত্যাদি বিষয়ে কথা বললেন। সেটাই ছিল আমার প্রথম ও শেষ সরাসরি ওয়াজ শোনা। কারণ, তখন ওয়াজের প্রচলনটা এতো বেশি ছিল না।
৫ জুলাই ২০২০, ০৭:৫৫ পূর্বাহ্ন
যে আত্মহত্যা করে, সে কি তবে স্বার্থপরের মতো চলে যায়?
প্রায় ৩-৪ বছর আগে আমার পরিচিত পরিবারের একমাত্র মেয়েটি আত্মহত্যা করল। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়া মেয়েটি ছিল খুব চুপচাপ স্বভাবের এবং একটু খুড়িয়ে হাঁটতো। কারো সঙ্গেই তেমন মিশতো না। খবর শুনে সবাই ছুটে গেল। মানুষ ফিসফাস করছে। মূল প্রশ্ন একটাই কেন মারা গেল? এই আত্মহত্যার পেছনের ঘটনা খোঁজতেই দেখলাম সবার উৎসাহ।
২৫ জুন ২০২০, ০৮:০২ পূর্বাহ্ন
করোনাকালে মা-শিশুর পাশে দাঁড়ানোর দায়িত্ব রাষ্ট্রকেই নিতে হবে
এই করোনাকালে আমাদের পরিবারে দুটি শিশুর জন্ম হলো। দুই জনেই নির্দিষ্ট সময়ের বেশ আগে জন্ম নেওয়ায় বিভিন্ন ধরনের দুর্বলতা নিয়ে তাদের এই পৃথিবীর আলো দেখতে হলো। কিন্তু, এই যে এরকম একটা সময়ে শিশু দুটোর জন্ম নেওয়া, হাসপাতালে যাওয়া, মায়ের স্বাস্থ্য, শিশুকে রক্তদান, রক্তদাতা জোগাড় করা, অ্যাম্বুলেন্স, ইনকিউবেটর করোনামুক্ত হাসপাতাল খুঁজে বের করা— সবটাই ছিল শিশুর বাবা-মায়ের একার অভিযান। আমাদের এত বড় পরিবারের ২/১ জন মানুষ শুধু পেরেছে এই সময়ে তাদের পাশে দাঁড়াতে। এরপরও একজন শিশুকে চলে যেতে হয়েছে। করোনাকালে বিপর্যস্ত অবস্থার এটা শুধু একটা ঘটনা।
১১ জুন ২০২০, ০৪:৫৩ পূর্বাহ্ন
আমাদের যুবশক্তিই একদিন নতুন ভোর এনে দেবে
ভাষা আন্দোলনে ও আইয়ুববিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল, দেশের মুক্তিযুদ্ধে বন্দুক হাতে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষে মানুষের দ্বারে দ্বারে সাহায্য পৌঁছে দিয়েছিল, ১৯৮৮ বন্যায় ত্রাণ কাজ পরিচালনা করেছিল, স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছিল, ৭১’র যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসির দাবিতে দেশজুড়ে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়েছিল, দেশের বন্যা-খরায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে, করোনা সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বাড়ানোর জন্য পাড়ায়-পাড়ায় কাজ করেছে এবং সবশেষে আম্পানের প্রবল ঝড়ে বিধ্বস্ত প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছে কারা?— এরা তারাই, যাদেরকে নিয়ে কবি হেলাল হাফিজ লিখেছেন, ‘এখন যৌবন যার, যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়।’
৪ জুন ২০২০, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
অর্ধবার্ষিক, পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষা না হলে খুব কি ক্ষতি হবে?
সময়টা ১৯৮২ সাল, এসএসসি’র টেস্ট চলছে। যেদিন আমার ইকোনমিকস পরীক্ষা, সেদিন মুষলধারে বৃষ্টি পড়ছিল। এত বৃষ্টি যে সকালে ঘুম ভেঙেই দেখলাম রাস্তায় পানি জমতে শুরু করেছে। আমি কীভাবে পরীক্ষা দিতে যাব? রাস্তায় কোনো রিকশাও নাই।
২৩ মে ২০২০, ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
যে উৎসবের সঙ্গে মানুষের যোগ নেই, তা শুধুই উদযাপন
আমার বন্ধুর পরিবারের অন্যতম শক্তিশালী সদস্য জেসমিন। তার বয়স হবে সম্ভবত ৪৭/৪৮ বছর। তিনি বাক ও শ্রবণ প্রতিবন্ধী। সেই ছোটবেলা থেকেই জেসমিন আমার বন্ধুর মায়ের সংসারে ছিলেন। কারণ, প্রতিবন্ধী বলে গ্রামে পরিবারে তার স্থান হয়নি। মাঝে টাকা-পয়সা খরচ করে জেসমিনের ভাইদের পছন্দমতো ছেলের সঙ্গে তার বিয়েও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু, বছর না ঘুরতেই সেই সংসার ভেঙে যায়। অগত্যা আবার আশ্রয় হয় আমার বন্ধুর পরিবারেই।
১৬ মে ২০২০, ০৬:৫০ পূর্বাহ্ন
ভোগবাদিতা পরিহার করি, নিজে বাঁচি-দেশকে বাঁচাই
আমরা মানে শহুরে মধ্যবিত্ত সমাজ দিনে দিনে মোটামুটি ধরনের ভোগবাদী হয়ে উঠেছিলাম। গ্রামেও এর পরশ লেগেছিল। কারণে-অকারণে, প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে খরচ বাড়িয়ে তুলেছিলাম। কেমন করে যেন ব্যয় আয়ের চেয়ে বেশি হয়ে গেছে। আর এই সমন্বয়হীনতা কাটাতে সবাইকে পড়িমরি করে ছুটতে হচ্ছে। এই ছোটাছুটি করতে গিয়ে সৎ-অসৎ এর বিভাজনটাও উঠে গেছে অনেকখানি। জনগণের পাশাপাশি সরকারও অনেকটাই ভোগবাদী অর্থনীতির চর্চা শুরু করেছে। উন্নত বিশ্বের জীবন আমরা অনুসরণ করতে চাইছি কিন্তু সেই সব দেশের মতো সাপোর্ট সিস্টেম আমরা তৈরি করতে পারিনি।
১০ মে ২০২০, ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
‘একদিন হয়তো সব ঠিক হবে, কিন্তু আমরা কি সত্যিই মানুষ হবো?’
আম্মার ফোন পাই না প্রায় তিন মাস হয়ে গেল। আমি খবর নেই, আর না নেই আম্মা প্রতিদিন অন্তত একবার ফোনে খবর নিতোই। আমি খুশি হলেও নিতো, বিরক্ত হলেও নিতো। আর কোন অচলাবস্থা হলে দিনে ৩/৪ বার সবার খোঁজ নিতো। তাই ভাবছি, এই করোনাকালে যদি আম্মা বেঁচে থাকতো তাহলে তাঁর টেনশন হতো আকাশ সমান।
২৯ এপ্রিল ২০২০, ০৯:৩১ পূর্বাহ্ন
‘কত রবি জ্বলে রে, কেবা আঁখি মেলে রে’ অবস্থা থেকে বেরিয়ে আসুন, যোদ্ধাদের বাঁচান
তখন মিরপুর রোডে রিকশা চলতো। আসাদগেট থেকে রিকশায় করে এলিফেন্ট রোড যাচ্ছিলাম। পথে চালকের সঙ্গে কথা বলে বুঝলাম তার বাড়ি রংপুরের পীরগঞ্জ, নাম বশির। আমার গ্রামের বাড়ি নীলফামারী শুনে সে আমাদের আঞ্চলিক ভাষায় কথা বলা শুরু করলো। আমি জানতে চাইলাম তিনি কি ঢাকায় নতুন এসেছেন? বশির খুব কনফিডেন্টলি বলল, ‘কছেন কি? এই দুই বছ্ছর ধরি ঢাকাত ইকশা চালাছো। পুরা শহর মোর হাতের মুঠাত। (বলছেন কি, আমি দুবছর ধরে রিকশা চালাচ্ছি। ঢাকা শহর আমার হাতের মুঠোয়।)’
২২ এপ্রিল ২০২০, ০৮:৪২ পূর্বাহ্ন
চাল চোরেরা করোনার চেয়েও ভয়ংকর!
ত্রাণ পাওয়ার জন্য ইউএনও’র অফিসের সরকারি হটলাইন ৩৩৩-এ ফোন করেছিলেন নাটোরের লালপুর উপজেলার ৬০ বছর বয়সী কৃষক শহিদুল ইসলাম। তিনি নিজের জন্য এবং তার প্রতিবেশীদের জন্য সাহায্য চেয়েছিলেন। কারণ এই কর্মহীন মানুষগুলো না খেয়ে আছেন। পরে স্থানীয় চৌকিদার তাকে বলেছিল, ইউএনও তার সঙ্গে দেখা করতে চান। এ কথা শুনে শহিদুল ইসলাম সেখানে গেলে ইউএনও’র দেখা পাননি, কিন্তু তাকে বেদম মারধর করেছে বরমহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুস সাত্তার। বৃদ্ধ কৃষকের অপরাধ- কেন তিনি ত্রাণ চেয়ে ৩৩৩-এ ফোন করেছিলেন? সংবাদটি প্রকাশিত হয়েছে গণমাধ্যমে।
১৫ এপ্রিল ২০২০, ০৭:১৬ পূর্বাহ্ন
গৃহবন্দিকালের যোদ্ধা বাবা-মায়েরা চাপ সামলাবেন কীভাবে
সেলিনা হোসেন একজন কর্মজীবী নারী। করোনা নিয়ে বন্ধে বাড়িতে বসে কাজ করছেন। উনি সবচেয়ে সমস্যায় আছেন তার দুই টিনএজ ছেলেকে নিয়ে। বললেন, ‘ওদের স্কুল-কলেজ বন্ধ, টিউশনি বন্ধ, বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎ নেই। ফলে ঘরে বসে বসে অস্থির হয়ে যাচ্ছে। সুযোগ পেলেই বাইরে যেতে চাইছে। যেতে মানা করলে রাগ হচ্ছে। রাতে দেরিতে ঘুমাচ্ছে, সকালে দেরি করে উঠছে। আর সারাক্ষণ মোবাইল নিয়ে আছে। পড়াশোনা করতে চাইছে না। এই নিয়ে ছেলেদের সঙ্গে ওদের বাবার গোলযোগ চলছেই।’
৮ এপ্রিল ২০২০, ০৭:২৯ পূর্বাহ্ন
প্রসঙ্গ গুজব: ভাইরাস যখন ভাইরাল হয়ে যায়
করোনা আক্রান্ত রোগী নিয়ে গুজবের কোনো শেষ নেই। করোনা মারাত্মক ছোঁয়াচে এ কথা সত্য। তাই সবাইকে সচেতন থাকার কথা বলা হচ্ছে বারবার। এই রোগ ও রোগীর কাছ থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে থাকাই ভালো। কাছে গেলেও বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করে যেতে হবে। এমনকি, মৃতদেহ দাফন করার ক্ষেত্রেও রয়েছে নিয়ম।
১ এপ্রিল ২০২০, ১২:১৮ অপরাহ্ন
ঘুরে দাঁড়াক বাংলাদেশ
এখন আমরা একটি মহা ক্রান্তিকালের ভেতর দিয়ে যাচ্ছি। পুরো পৃথিবী জুড়ে যে ভয়াবহ ভাইরাস ছুটে বেড়াচ্ছে, তা আমাদেরও গ্রাস করেছে। প্রাকৃতিক দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সঙ্গে বা মনুষ্য সৃষ্ট কোন দুর্যোগের এই পরিস্থিতির কোনো মিল নেই। এ আরও অনেক ভয়াবহ দুর্যোগ।
২৮ মার্চ ২০২০, ১২:২৪ অপরাহ্ন
এই পতাকা আর আমাদের নয়, আমাদের নতুন পতাকা-দেশ হবে
আমি তখন অনেক ছোট। আমরা তখন ঢাকার ভূতের গলিতে থাকতাম। আমাদের মানে বাচ্চাদের সারাদিন পাড়ায় ঘোরাঘুরি আর খেলা ছাড়া কোনো কাজ নেই। স্কুল তেমনভাবে চলছিল না। দেশ, দুঃখ, কষ্ট, রাজনীতি, সমাজনীতি কী, কেন, তা-ও জানতাম না। শুধু লক্ষ করতাম সন্ধ্যা নামার পরপরই কেমন যেন একটা সুনসান নীরবতা চারিদিকে।
২৫ মার্চ ২০২০, ১২:১৮ অপরাহ্ন
এখনই কিছু করেন, নয়তো সবাই মিলে মরেন
আমাদের কৈশোরে ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাসির গল্পগুলো ছিল খুবই জনপ্রিয়। সেই গল্পের একটি হলো, ভানুর বাসায় চোর এসে চুরি করে নিয়ে গেছে। ভানু অভিযোগ জানাতে পুলিশের কাছে গেল। পুলিশ চুরির ঘটনা জানতে চাইল যে কীভাবে চুরি হলো। ভানু জানাল, চোর জানালার গ্রিল কেটে তার ঘরে প্রবেশ করল।
২২ মার্চ ২০২০, ০৮:৩০ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধু আমাদের চেতনায়: প্রচারের নামে তাঁকে নিয়ে যা ইচ্ছা তাই না করার আবেদন
আমার বয়স তখন মাত্র ৯ বছর। ১৭ মার্চ ১৯৭৫ সাল। আমি আব্বার হাত ধরে গণভবনে গিয়েছিলাম বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনে। ঐরকম বড় মাপের সুন্দর মানুষ আমি জীবনে ঐ প্রথম দেখলাম।
১৫ মার্চ ২০২০, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
রংপুর: ইতিহাসকে কাছ থেকে দেখা
যমুনা সেতু পার হওয়ার পর থেকে যে পথটি রংপুরের দিকে চলে গেছে, সেই পথে যেতে যেতে দু’পাশে যেদিকেই চোখ যায় শুধু দিগন্ত প্রসারিত ক্ষেত। কাঁচাপাকা ধান ক্ষেত, পাট ক্ষেত, হলুদ সরিষা ক্ষেত, সোনালি ভুট্টা ও আখ ক্ষেত। কিছু দূর পরপর চোখে পড়বে ছোট ছোট গ্রাম, সুপারি-নারকেল বীথির সারি ও ছোটখাট নদীনালা। চমৎকার রাস্তায় গাড়ি চালিয়ে অল্প সময়েই আপনি পৌঁছে যেতে পারেন উত্তরাঞ্চলের ইতিহাস সমৃদ্ধ জেলা রংপুরে।
১১ মার্চ ২০২০, ০৯:৫৬ পূর্বাহ্ন