Skip to main content
Home
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
shoriful Islam
‘বিশ্বকাপ তো বিশ্বকাপই, এর সঙ্গে অন্য কিছুর তুলনা ভুল’
VISUAL: ANWAR SOHEL
আগামীর প্রধানমন্ত্রীর প্রথম গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ
Friendship with AI
এআই কি আসলেই বন্ধু হতে পারে?

Main navigation

  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য
  • English
  • আজকের সংবাদ
বুধবার, ফেব্রুয়ারি ১৮, ২০২৬
  • E-paper
  • Today’s News
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • মতামত
  • খেলা
  • বাণিজ্য
  • বিনোদন
  • জীবনযাপন
  • প্রযুক্তি ও স্টার্টআপ
  • সাহিত্য

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.

শাহানা হুদা রঞ্জনা

3131.jpg

‘টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ি’র স্বত্ত্ব ভারত নেওয়ার পর আমাদের ঘুম ভাঙলো কেন?

আমরা চাই বাংলাদেশ সরকার এখনই বিশ্ব মেধাসম্পদ সংস্থায় এ বিষয়ে অভিযোগ জানাক। যে যা খুশি দাবি জানালেই তো সেটা তার হয়ে যাবে না। আন্তর্জাতিক আইন বলে কি কিছু নেই?
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৪, ০১:৩৪ অপরাহ্ন
sahana_huda_ranjana_on_dengue-01.jpg

ডেঙ্গু: মানুষকে বিপদের মধ্যে রেখে অভিভাবকরা কেন বিদেশে

ডেঙ্গু আরও কতদিন থাকবে, আরও কত মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যাবেন, কতজন অসুস্থ হয়ে ভুগবেন, কত বাবা-মায়ের বুক খালি হবে, কত পরিবার দুর্দশার মধ্যে পড়বে, তা এখনই বলা সম্ভব না হলেও আমরা অন্তত এটা বুঝতে পারছি, দেশে সাধারণ মানুষকে রোগে-শোকে সহায়তা ও আশ্রয় দেওয়ার মতো কোনো অভিভাবক নেই।
২০ জুলাই ২০২৩, ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন
sahana_huda_ranjana_1-01.jpg

গৃহকর্মীরা ‘দাস’ নয়, নিরাপদ কর্মক্ষেত্র পাওয়া তাদের অধিকার

সৌদি আরবে বাংলাদেশ দূতাবাসের সেফহোমে আশ্রয় নেওয়া গৃহকর্মীদের যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের দায়ে চাকরি চলে গেছে উপসচিব মো. মেহেদী হাসানের।
১০ জুলাই ২০২৩, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
sahana_huda_ranjana-01.jpg

টিকটক-লাইকি যেমন জনপ্রিয়, সচেতন না হলে তেমনই বিপজ্জনক

ভাইরাল হওয়া নাচ ও গানের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে ভিডিও তৈরি এবং শেয়ার করতেও দেখেছি এই টিকটক অ্যাপে। কিন্তু বাংলাদেশে এই অ্যাপটি বিনোদনের পাশাপাশি আর কীভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তা জানতাম না।
৩ জুলাই ২০২৩, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
sahana_huda_ranjana-01.jpg

ক্রমবর্ধমান বিবাহ বিচ্ছেদ: দায়ী ‘অস্বাস্থ্যকর দাম্পত্য সম্পর্ক’

সাধারণ মানুষের জীবনে বিয়ে বিচ্ছেদ ও বনিবনা না হওয়াটা রীতিমত কষ্টের এবং নিপীড়নের কাহিনী।
১৮ জুন ২০২৩, ০১:০১ অপরাহ্ন
গাছ কাটা

ঢাকা শহরের সব গাছ হয়ত একদিন উন্নয়নের পেটে যাবে

গাছ শুধু যে আমাদের ছায়া দেয় তা না, আমাদের জীবনও রক্ষা করে। গাছ আমাদের প্রয়োজন। এই কথাটা একজন শিশুও জানে। তাই যেকোনো মূল্যে গাছকে বাঁচিয়ে রাখাটাই আপনার, আমার ও নগরপিতারও কর্তব্য। 
১৪ মে ২০২৩, ০৪:৩৯ অপরাহ্ন
sahana_huda_ranjana-01.jpg

বিচারহীনতা: বখাটের দায়ের কোপ থেকে মুক্তি, আমি, আপনি ও আমাদের সন্তান কেউ মুক্ত নয়

যেহেতু বিচার পাওয়ার হার কম, বিচারের দীর্ঘসূত্রিতা, বিচার পেতে গেলে অনেক ঝামেলা ও টাকা-পয়সার দরকার হয়, তাই নারীরা বিচারের দাবি জানাতে ভয় পান। অধিকাংশ নারী পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্রের পক্ষ থেকেও তেমন সমর্থন ও সহযোগিতা পান না।
৬ মে ২০২৩, ১২:১৬ অপরাহ্ন
sahana_huda_ranjana-01.jpg

হাত বাড়ালেই মাদক পাবে, যতো খুশি তত পাবে

মাদক চোরাচালানে প্রতি বছর দেশ থেকে কয়েক হাজার কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে।
২৬ এপ্রিল ২০২৩, ০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন
Womens day

ততদিন পর্যন্ত জেগে থাকবো আমরা

একটি ঘরে এমন কয়েকজন নারী বসে নিজেদের মধ্যে গল্প করছেন, যাদের মধ্যে বয়সের, অর্থনৈতিক অবস্থার, কালচারের কোনো মিল নেই। এদের মধ্যে আছেন গৃহবধূ, বোরকা পরিহিত এসিড ভিকটিম, প্রতিবন্ধী, বৃদ্ধ মারাঠি নারী, ছাত্রী, করপোরেটে কাজ করা নারী ও বিত্তবান পরিবারের মাদকাসক্ত মেয়ে।
৮ মার্চ ২০২০, ০৮:২০ পূর্বাহ্ন
Ekushe opinion.jpg

ভালোবাসাটা একধরনের প্রতিজ্ঞা

জাতিসংঘের সদরদপ্তরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হচ্ছে— ফেসবুকে এরকম একটি সংবাদে চোখটা আটকে গেল। সঙ্গে ভিডিও ছিল। ভিডিওতে দেখলাম দেশি-বিদেশি স্টাফরা শাড়ি-পাঞ্জাবি পরে হারমোনিয়াম, বাঁশি বাজিয়ে গাইছে ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি? ছেলেহারা শত মায়ের অশ্রু গড়ায়ে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি?’
২ মার্চ ২০২০, ০৭:২২ পূর্বাহ্ন
Household-work

শেষ হোক এই সংলাপ ‘তুমি সারাদিন করোটা কী’

আমি তখন স্কুলে পড়ি। আম্মা সপ্তাহখানেকের জন্য রংপুর গেল। আম্মা যাওয়ার পরপরই বাসায় চূড়ান্ত অব্যবস্থাপনা দেখা দিলো। সহযোগী থাকার পরও খাবার-দাবারের মানের যা তা অবস্থা, আব্বার কোনো কাজ ঠিক মতো হচ্ছে না, আমাদের স্কুলের কাপড়-চোপড় অবিন্যস্ত হয়ে আছে, ঠিক সময়ে নাস্তা টেবিলে আসছে না, তরকারিতে লবণ বেশি কিংবা কম হচ্ছে। সে এক দুঃসহ অবস্থা। শেষে আব্বা ফোন করে আম্মাকে চার দিনের মাথায় ঢাকায় ফিরিয়ে আনলো।
২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
coronavirus

পরাক্রমশালী যখন প্রান্তিক হয়ে যায়

“আমার দাদা-দাদি হাসপাতালে কোনো বিছানা না পেয়ে করিডোরে পড়ে আছেন। দুজনেরই প্রচণ্ড জ্বর, সঙ্গে শ্বাসকষ্ট। মৃত্যুর মাত্র তিনঘণ্টা আগে দাদা একটি শয্যা পেয়েছিলেন। কিন্তু দাদি পাননি। তার শারীরিক অবস্থাও খুব খারাপ। এর মধ্যে আমিও আক্রান্ত হয়ে কোয়ারেন্টাইনে চলে এলাম।”
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
mob killing

মানুষ যদি সে না হয় মানুষ...

সেদিন রাস্তায় যেতে যেতে দেখলাম চার পাঁচজন শিশু খেলাচ্ছলে একটি বিড়ালের গলায় দড়ি দিয়ে বনবন করে ঘুরাচ্ছে। ওরা আনন্দে হাসছে কিন্তু আমি দেখলাম বিড়ালটার চোখ ঠিকরে বেরিয়ে আসছে। অসহায় বিড়াল জানেও না কেনো ওকে এভাবে ঘুরানো হচ্ছে ? এই দৃশ্য দেখে আমার এত কষ্ট হলো যে বাচ্চাদের বললাম বাবারা ওকে ছেড়ে দাও। ও তো তোমাদের মতই একটা বাচ্চা। ওর মা ওর জন্য কাঁদছে।
২৩ জুলাই ২০১৯, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
rape logo

কেমন সমাজ, ধর্ষকরা এতোটা শক্তিশালী কেনো?

ধর্ষকদের বিচারের দাবিতে যখন স্কুলের বাচ্চারা রাজপথে দাঁড়িয়ে প্ল্যাকার্ড ধরে থাকে এবং সেই প্ল্যাকার্ডে লেখা থাকে ধর্ষকদের ফাঁসি চাই, তখন এই সমাজের একজন নাগরিক হিসেবে দম বন্ধ হয়ে আসে। আর একজন মা হিসেবে বুকটা মুচড়ে উঠে, মনে হয় সন্তানকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছি বলেই আজকে তাকে এরকম একটা প্ল্যাকার্ড হাতে রাজপথে দাঁড়াতে হচ্ছে। এই বাচ্চারা ধর্ষণ কী জানে না, অপরাধ কী জানে না, ফাঁসি কী তাও জানে না। এই বয়সে তাদের জানার কথাও নয়। তাদের এ পৃথিবীর সব সুন্দর সুন্দর পশুপাখি, অভয়ারণ্য, আবিষ্কার, গান-বাজনা, রূপকথা, আবিষ্কারের গল্প শুনবে, ছবি আঁকবে, স্বপ্ন দেখবে আকাশ ছোঁয়ার। অথচ ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস যে আজ তাদের রাস্তায় নেমে দাঁড়াতে হচ্ছে বন্ধুর মৃত্যুর বিচার দাবি করতে।
১৭ জুলাই ২০১৯, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
violence childern

চোখের সামনে হলুদ জামা পরা সায়মার মুখ

দিনে দিনে অসুস্থ হয়ে পড়ছি, তা না হলে কেন চোখ বন্ধ করলেই দেখতে পাই এটি শিশু ভয়ার্ত চোখে তাকিয়ে আছে--আর কতগুলো দানবীয় হাত তার দিকে এগিয়ে আসছে। কোনো শিশুর দিকে চোখ পড়লেই কেন মনে হচ্ছে এই বাচ্চাটি কি নিরাপদে থাকতে পারবে?
৭ জুলাই ২০১৯, ১২:০৯ অপরাহ্ন
gdp_or_happiness.jpg

শুধু সুখ চলে যায়

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কবিতার মতো এরকম সুখ কি আর আছে আমাদের জীবনে? না নেই, থাকার কথাও না। কারণ এই সমাজ ক্রমশ আমাদের জীবনকে প্রতিযোগিতার মুখে দাঁড় করিয়ে দিচ্ছে। আর আমরা যত বেশি এই প্রতিযোগিতার মধ্যে ঢুকে যাচ্ছি, যত বেশি চাহিদা সৃষ্টি করছি, যত বেশি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করছি--ততই আমাদের জীবন থেকে সুখ হারিয়ে যাচ্ছে।
২৭ জুন ২০১৯, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
Drive

আমাদের জীবন ‘রাখে আল্লাহ মারে কে’

‘কুইনাইন জ্বর সারাবে বটে কিন্তু কুইনাইন সারাবে কে?’ বহু আগে পড়া উপন্যাসের এই কথাটি আমাদের জীবনে চরম সত্য হয়ে দেখা দিয়েছে। কারণ, খুব সম্প্রতি খবরে দেখতে পেলাম ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে রাজধানীর ৯৩ শতাংশ ফার্মেসিতে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ বিক্রি করা হচ্ছে।
১২ জুন ২০১৯, ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
Eid illustration

শৈশবের সেই ঈদ

ছোটবেলায় ঈদের দিনটি যতো এগিয়ে আসতো আমাদের আনন্দ ততোই বেড়ে যেতে থাকতো। চিন্তা একটাই নতুন কাপড়, সেই কাপড় পরে পাড়া বেড়ানো আর মজার মজার খাবার খাওয়া এবং যতো খুশি ততো খাওয়া। আমরা শুধু দুই ঈদেই ভালো কাপড় পেতাম। সঙ্গে এক জোড়া ভালো জুতো। যদিও তখনও আম্মা চেষ্টা চালাতেন আমাদের জামা-জুতোর সাইজ একটু বাড়িয়ে কিনতে, যাতে সারাবছর ধরে অনায়াসে চলে যায়। একটু বুঝ হওয়ার পর আমাদের প্রবল প্রতিবাদে তা আর করতে পারতো না।
৫ জুন ২০১৯, ০৩:১৩ পূর্বাহ্ন
Home

Footer

  • ABOUT US
  • CONTACT US
  • Comment policy
  • Apps
  • Privacy Policy
  • ADVERTISEMENT
© 2026 thedailystar.net | Powered by: RSI Lab

Copyright: Any unauthorized use or reproduction of The Daily Star content for commercial purposes
is strictly prohibited and constitutes copyright infringement liable to legal action.