বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে হয়তো মমি করে রাখতে হতে পারে একদিন
একটি আধা-সরকারি অফিসের মিটিং রুম। মহাপরিচালক তার কর্মকর্তাদের নিয়ে মিটিং করছেন। মহাপরিচালক তার ভালো কাজের ফিরিস্তি দিচ্ছিলেন। বক্তব্য শেষ হওয়ার পর কর্মকর্তারা বিভিন্ন প্রশংসাসূচক বক্তব্য রাখলেন। শেষে একজন ‘আহাম্মক’ শ্রেণির কর্মকর্তা, যে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী, আবেগে আপ্লুত হয়ে স্যারকে তেল দেওয়ার জন্য বলে উঠলেন, ‘স্যার, কী যে সব কাজ করছেন আপনি। আমার ইচ্ছা করতিছে আপনাকে মমি করে রাখি।’
১৭ জুন ২০২১, ০৭:৪৭ পূর্বাহ্ন
কেমন অভিজ্ঞতা নিয়ে বড় হবে শিশুটি
কানাডার অন্টারিও প্রদেশে একটি মুসলিম পরিবারের ওপর দিয়ে ট্রাক চালিয়ে চার জনকে হত্যার ঘটনা কোনো দুর্ঘটনা নয়, এটা মৌলবাদী সহিংস হামলা। একটা পরিবারকে শুধু মুসলমান হওয়ার জন্যই প্রাণ দিতে হলো। মুসলমানদের প্রতি ঘৃণা থেকে এই হামলা চালিয়েছে ঘাতক।
৯ জুন ২০২১, ০৮:৩৫ পূর্বাহ্ন
নারী অধিকার আন্দোলন কার হাতে, তারা কতটা প্রস্তুত?
বাংলাদেশে নারী ও মেয়ে শিশুর ওপর নির্যাতন, হত্যা এবং সহিংসতা বেড়েই যাচ্ছে। এসব যারা করছে, তাদের দুঃসাহস এতটাই বেড়েছে যে অন্যায় করে সামাজিক মাধ্যমে তা পোস্ট করছে এবং নিজেরাই আজেবাজে মন্তব্য করছে। এরকম ঘটনা একটার পর একটা ঘটেই চলেছে। কিন্তু, ঘটনাগুলোর কোনো সুরাহা হচ্ছে না। অপরাধীকে বিচারের দরজায় নিয়ে যাওয়া যাচ্ছে না। বিচারের মুখোমুখি হলেও বিভিন্ন ফোকর গলে অপরাধী বের হয়ে আসছে।
২৯ মে ২০২১, ০১:৪৭ অপরাহ্ন
চলুন অক্সিজেনের বদলে বার্গার আর মুরগি ভাজা খাই
ঢাকা শহরে আমাদের মতো গুটিকতক মানুষের অবস্থা হয়েছে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ”বলাই” এর মতো। কেউ গাছকে আঘাত দিলে বা অকারণে গাছের ফুল ছিঁড়লে আমাদের মন খারাপ হয়। কেউ যদি হাঁটতে হাঁটতে ছড়ি দিয়ে দু’পাশের গাছগুলোকে মারতে মারতে চলে, হঠাৎ করে গাছের একটা ডাল ভেঙে নেয়, তখন আমাদের অনেক কষ্ট হয়। সেই সাথে বলাইয়ের মতো আমরাও বুঝতে পারি, অন্য কারো কাছে আমাদের এই মনখারাপের কোনো মানে নেই।
৬ মে ২০২১, ০৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
কেন এই বিষোদগার?
কবরী অভিনীত সিনেমা দেখেননি, বাংলাদেশে এমন কোনো মানুষ আছেন বলে আমার জানা নেই। বর্তমান যুগের ছেলেমেয়েরা, যারা বাংলা সিনেমা দেখে না, তারা অন্তত তার নাম শুনেছেন। তিনি দেশ সেরা তারকা, মুক্তিযোদ্ধা, সংসদ সদস্য, পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। মিতা হক একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসঙ্গীত শিল্পী। সারাটা জীবন গান নিয়ে কাটিয়ে দিলেন। আর একটি কন্যা শিশুর জন্ম দিয়ে চলে গেলেন ৭১ টেলিভিশনের তরুণ সহযোগী প্রযোজক রিফাত সুলতানা। রেখে গেছেন আরও দুই অবুঝ শিশু। এই তিন জনই মারা গেলেন করোনায়।
২৯ এপ্রিল ২০২১, ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
তুমি দেখতে যা, আসলেও কি তুমি তাই?
হেফাজতকে নিয়ে প্রশাসন যেন হঠাৎ নতুন করে নড়েচড়ে বসেছে। একটার পর একটা চমকপ্রদ তথ্য জানতে পারছে জনগণ হেফাজতের নেতৃত্ব নিয়ে। অথচ এতগুলো বছর ধরে হেফাজতি ভাইরা নানাভাবে বিশৃংখলা চালিয়েছে, জনগণের সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, সরকারের বিরুদ্ধে উসকানি দিয়েছে, মানুষ হত্যা করেছে কিন্তু তাদের বিরুদ্ধে কেউ কিছু বলেনি, কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি।
১৫ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
কল্পনা রাণীর জীবন ও সম্পদে হিন্দু নারীর সমানাধিকারের প্রশ্ন
কল্পনা রাণীর সাথে পরিচয় হয়েছিল প্রায় ১০/১২ বছর আগে। তিন সন্তান নিয়ে যশোরে পথের পাশে একটি ভাঙাচোড়া চায়ের দোকান চালাতেন। সেখানে বসে চা-বিস্কুট খেতে খেতে কথা বলে জানলাম, বিয়ের কয়েক বছর পর তার স্বামী উধাও হয়ে যায়। বাবা যতোদিন বেঁচে ছিলেন, তাকে কাজের সন্ধানে পথে নামতে হয়নি। কিন্তু বাবা মারা যাবার পর ভাইয়েরা দায়িত্ব নেয়নি। বাবার অনেক সম্পত্তি থাকা সত্ত্বেও কল্পনা কিছু পায়নি। কারণ হিন্দু উত্তরাধিকার আইন অনুযায়ী তিনি বাবার কোনো সম্পত্তি পাননি। বিয়ের সময় পাওয়া দু’একটা গয়না বিক্রি করে এই দোকান দিয়েছেন।
৬ এপ্রিল ২০২১, ১১:০৮ পূর্বাহ্ন
ভুক্তভোগী নারী-শিশুকে দোষারোপকারীদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে
রাজধানীর কলাবাগানে স্কুলছাত্রীর ধর্ষণের পর মারা যাওয়ার খবরটা শোনার পর থেকে মনটা ভীষণ কষ্টে ভরে উঠেছিল। বারবার মেয়েটির মুখ, ওর বাবা-মায়ের শোকমাখা মুখটি চোখের সামনে ভেসে উঠছিল। নিয়মিত শিশু, কিশোরী ও নারী ধর্ষণ এবং মৃত্যুর খবরে মনটা অবসন্ন হয়ে পড়ছে। সবার মনে একটাই আতঙ্ক, তাদের সন্তানের সঙ্গেও যদি এরকম দুর্ঘটনা ঘটে, তখন কী হবে? বিচার পাওয়া যাবে? নাকি চলতে থাকবে ভুক্তভোগীকেই দোষারোপ করার প্রথা?
১৬ জানুয়ারি ২০২১, ১০:৪৮ পূর্বাহ্ন
দিবস উদযাপনের ডামাডোলেই আটকে পড়েছি
লেখাটা ঠিক কোথা থেকে, কীভাবে শুরু করা উচিৎ ভেবে পাচ্ছি না। বিজয় দিবসকে কেন্দ্র করে পতাকা তৈরি, শিক্ষকদের গ্রুপ ছবিতে অচেনা চেহারার জাতীয় পতাকা, মধুর ক্যান্টিনের সামনে মধুদার ভাস্কর্যের কান উড়িয়ে দেওয়া, কুষ্টিয়ায় বঙ্গবন্ধু ও ব্রিটিশবিরোধী স্বাধীনতা সংগ্রামী বাঘা যতীনের ভাস্কর্য ভাংচুর। এইসব ঘটনার মধ্যে দিয়ে আমরা একটা বিষয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারছি যে যারা এইসব ভাংচুর সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িত, তারা অন্তত দেশে কার, কী, কেন ভাঙতে হবে, কোন কোন সৃষ্টিতে হাত দিলে বেশ সাড়া ফেলা যাবে, এটা জানে।
২৩ ডিসেম্বর ২০২০, ০১:৫৮ অপরাহ্ন
টাকা পাচার: এই আয়েশ করে পায়েশ খাওয়ার দিন কবে শেষ হবে?
সৌদি আরবে হাইওয়ের দু’পাশে তাকালে দেখা যাবে শুধু রুক্ষ, ধূসর মরুভূমি। রোদের তাপে চোখ ঝলসে যেতে থাকে। ঐ ভয়াবহ রোদেই কাজ করে যাচ্ছেন কিছু মানুষ। এই মানুষগুলোর মধ্যে অধিকাংশই কিন্তু আমাদের বাংলাদেশি ভাই।
২ ডিসেম্বর ২০২০, ০৯:২৬ পূর্বাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর ভাস্কর্য: কেন ঔদ্ধত্যপূর্ণ বক্তব্যের জবাব দেয়নি কেউ?
প্রায় ৩৫ বছর আগে আব্বার সঙ্গে আমি আর আমার ভাই প্রেসক্লাবের দিকে যাচ্ছিলাম। আব্বার রিকশায় ছিল তার পরিচিত একজন ভদ্রলোক। আমি আর আমার ভাই পিছনের রিকশায়। পিজি হাসপাতালের সামনে গিয়ে হঠাৎ আব্বার রিকশাটি থেমে গেল এবং সহযাত্রী সেই লোকটিকে আব্বা রিকশা থেকে নামিয়ে দিয়ে বলছেন, আর কোনোদিন তুমি আমাদের বাসায় আসবে না।
২১ নভেম্বর ২০২০, ১০:৩৯ পূর্বাহ্ন
বাঙালির আনন্দের জন্য আর কতো পাহাড়ি উচ্ছেদ?
‘আমি তখন ঢাকায় নটরডেম কলেজের ছাত্র। ছুটিতে গ্রামের বাড়িতে ফিরছি। মনে বাড়ি ফেরার আনন্দ। কিন্তু বিকালের দিকে গ্রামে ফিরে দেখি সব ফাঁকা। কোথাও জনমানুষ নেই। অনেক চেষ্টার পর রাতের বেলা গহিন জঙ্গলে আমার পরিবার ও আত্মীয়স্বজনকে খুঁজে পাই। ভয়াবহ শীতের রাতে ৩৩টি পরিবার জঙ্গলের ভেতর কলাপাতা দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি করে কোনোরকমে টিকে থাকার চেষ্টা করছে। উচ্ছেদের পর অজানা আতঙ্কে সবাই ভীতসন্ত্রস্ত।’
১৩ নভেম্বর ২০২০, ০৪:০৫ অপরাহ্ন
স্বামীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ আনা যাবে না?
টাঙ্গাইলে ১৪ বছর বয়সী মেয়েটিকে যে জোর করে বিয়ে দেওয়া হয়েছিল, সেটি তার বিয়ের ছবি দেখলেই যে কেউ বুঝতে পারবে। বিয়েটা ছিল তার কাছে আতংকের নাম। সাবালিকা কোনো মেয়ে যখন বিয়ে হয়ে শ্বশুরবাড়িতে যায়, তখন তার মনে একদিকে যেমন স্বপ্ন, আনন্দ ও শিহরন থাকে, তেমনি থাকে ভয়। নতুন মানুষ, নতুন জীবনের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার ভয়। বিশেষ করে স্বামী-স্ত্রীর দাম্পত্য ও যৌন সম্পর্ক নারী-পুরুষ দুজনের জন্যই এক নতুন অভিজ্ঞতা।
৭ নভেম্বর ২০২০, ০৮:০৫ পূর্বাহ্ন
নারী গৃহশ্রমিকের জীবন ও সম্মানের বিনিময়ে রেমিট্যান্স নয়
ছোট্ট নদীর জীবনটা নদীতেই ভেসে গেল। সুন্দর জীবনের প্রত্যাশায় যে মেয়েটিকে দালালের মিথ্যা প্ররোচনায় সৌদি আরবে পাঠিয়েছিল পরিবার, আজ তারাই শাহজালাল বিমানবন্দরে কিশোরী মেয়ের মরদেহ নিয়ে কাঁদছেন। ১৩ বছরের এই কিশোরীকে গতবছর সৌদি আরবে পাঠানো হয়েছিল। কাগজপত্রে আত্মহত্যা বলা হলেও, তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে তার পরিবার মনে করছে।
১ নভেম্বর ২০২০, ১১:২০ পূর্বাহ্ন
মানসিক স্বাস্থ্য বলে আদৌ কিছু আছে, না সব পাগলামি?
অনেকেই বলছেন যে তারা পত্রিকা পড়া ও নিউজ দেখা ছেড়ে দিয়েছেন। এদের মধ্যে এমন মানুষও আছেন, যারা প্রতিদিন সকালে উঠে পত্রিকা হাতে না পেলে চেঁচামেচি শুরু করে দিতেন। শুধু করোনাকালের জন্য বা অনলাইনে সব খবর জেনে যাচ্ছেন বলে যে তারা প্রতিদিনের খবর এড়িয়ে যাচ্ছেন, তা কিন্তু নয়। তারা খবর থেকে দূরে রয়েছেন নিজেদের মানসিক স্বাস্থ্য ঠিক রাখার জন্য। এই শহরের বেশ কিছু শিক্ষিত মানুষ মনে করেন, মন খারাপ করা খবর পড়ে পড়ে তারা অসুস্থ হতে চান না। তাদের এই ভাবনা অস্বীকারও করা যায় না। জেনে-বুঝেই তারা উট পাখির মতো মাথা গুঁজে আছেন।
১১ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৮ পূর্বাহ্ন
নারীকে বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণ-ছড়ানো কোন পর্যায়ের অপরাধ?
বরগুনার আলোচিত রিফাত শরীফ হত্যাকাণ্ডের রায় হয়েছে। এই রায়ে আদালত স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেছেন, মামলার ভিকটিম রিফাত শরীফকে হত্যা করার দায়ে আসামিরা সমানভাবে দায়ী। এর মধ্য দিয়ে রিফাতের বাবা-মা পুত্রহারা হয়েছেন। তাই মিন্নির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি না হলে তাকে অনুসরণ করে তার মতো মেয়েদের বিপথগামী হওয়ার আশঙ্কা থাকবে। তাই মিন্নির দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া বাঞ্ছনীয়।
৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৪৩ পূর্বাহ্ন
এই আগুনের আঁচ একদিন আমার গায়েও লাগবে
ধর্ষণ কিংবা যৌন নিপীড়নের খবর দেখে বা ঘটনার কথা জেনে আজকাল মনটা বিক্ষুব্ধ হয় ঠিকই, কিন্তু অবাক হই না। দেশে ধর্ষণ, ধর্ষণের পর হত্যা, পরিবারের ভেতর এবং কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানি ক্রমাগত ঘটছেই। ভেবেছি আর লিখব না জঘন্য এই অপরাধ নিয়ে। যাদের টনক নড়া দরকার, তারা তো ঘুমিয়েই আছে। মাঝখান আমি মনকষ্টে ভুগছি। তাছাড়া আমাদের হাতে এমন কোনো ম্যাজিক নেই যে, রাতারাতি এই ধর্ষণ, নারী এবং শিশুর প্রতি যৌন হয়রানি বন্ধ করে দেব। কিন্তু যখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া পাহাড়ের একটি গণধর্ষণের ঘটনা জানলাম, তখন আর চুপ থাকা গেল না।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন
তাদের গল্পগুলো যেন সব হারানোর গল্প
অনেক আগে আমরা ট্রেনে করে যখন রংপুর যেতাম, তখন বাহাদুরাবাদ ঘাটে নেমে লঞ্চে করে পার হয়ে অন্য ঘাটে গিয়ে আবার ট্রেনে উঠতে হতো। সেরকমই একবার লঞ্চ আসেনি বলে আমি আর আব্বা ঘাটে দাঁড়িয়ে নদীর দিকে তাকিয়ে ছিলাম। হঠাৎ চারিদিকে বিরাট শোরগোল। আমি কিছু বোঝার আগেই আব্বা আমার হাত ধরে হ্যাঁচকা টানে আমাকে কোলে তুলে নিয়ে দৌঁড় দিয়েছিলেন। থামার পর পেছনে ফিরে দেখলাম ঠিক আমরা যে জায়গাটায় দাঁড়িয়ে ছিলাম, সেই পাড়টি ভেঙে পড়ল নদীতে। মানে আর একটু হলে আব্বা আর আমিও নদীতে হারিয়ে যেতাম। সেই দৃশ্য দেখে আমি এতই বিস্মিত হয়েছিলাম সেদিন যে, নদীভাঙন কথাটা না বুঝলেও ভয়ে আমার কথা বন্ধ হয়ে গিয়েছিল।
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
কোনটা জরুরি: দুষ্টের দমন নাকি কুকুর নিধন?
একের পর এক ঘটনা দেখে আমরা হতভম্ব হয়ে যাচ্ছি। একটার চেয়ে আরেকটা বেশি মারাত্মক, পাশবিক, কষ্টের। ক্ষোভ প্রকাশের কোনো ভাষা আমাদের জানা নেই। শুধু বুঝতে পারছি, ক্রমশ হতাশা গ্রাস করছে দেশের একটা বড় অংশকে। যেদেশে সরকারি কর্মকর্তার জীবনেরই কোনো নিরাপত্তা নেই, সেদেশে সাধারণ মানুষ যে নিশ্বাস বন্ধ করে আছে, তা সহজেই অনুমেয়।
৮ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৬:৫৮ পূর্বাহ্ন
কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র: রক্ষকই যেখানে ভক্ষক
প্রায় ১৫ কিংবা ২০ বছর আগে রহিম নামে একটি ছেলের সঙ্গে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে পরিচয় হয়েছিল। ছেলেটার বয়স তখন আনুমানিক ১৩ বা ১৪ বছর। সারা গায়ে লাল লাল দাগ। মুখটা দেখে কেন যেন খুব মায়া হয়েছিল। মনে হলো বাচ্চাটা ক্ষুধার্তও। নিজেই গিয়ে কথা বললাম। রহিম জানালো ও পালিয়ে এসেছে কিশোর উন্নয়ন কেন্দ্র থেকে। বাবা-মা কেউ নেই। বস্তিতে খালার কাছে থাকতো। একবার বস্তিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ রহিমকে আটক করে সংশোধনালয়ে পাঠায়।
১৮ আগস্ট ২০২০, ০৯:১৭ পূর্বাহ্ন