মুশফিককে হারিয়ে বর্ষসেরা বাকি, জনপ্রিয় ভোটে সেরা তামিম

ক্রীড়া প্রতিবেদক

মুশফিকুর রহিমকে পেছনে ফেলে বাংলাদেশ ক্রীড়া লেখক সমিতির (বিএসপিএ) ২০১৮ সালের বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ হয়েছেন শ্যুটার আব্দুল্লাহ হেল বাকি। আর জনপ্রিয়তার বিচারে সেরার পুরস্কার জিতেছেন ক্রিকেটার তামিম ইকবাল। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার না জিতলেও বর্ষসেরা ক্রিকেটার হয়েছেন মুশফিকই।

২০১৮ সালে কমনওয়েলথ গেমসে ১০ মিটার এয়ার রাইফেলে রৌপ্য পদক জেতেন বাকি। সেই অর্জনের রেশ ধরে তাকেই গেল বছরের সেরা নির্বাচিত করেছে সাংবাদিক ও ক্রীড়া লেখকদের সংগঠন বিএসপিএ। অনুমিতভাবে বর্ষসেরা শ্যুটারও হয়েছেন তিনি। 

শনিবার সন্ধ্যায় রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয় বিএসপিএ। দেশের বাইরে থাকায় তামিম আর ব্যক্তিগত কারণে অনুষ্ঠানে থাকতে পারেননি মুশফিক।

বাংলাদেশকে নিদহাস ট্রফি টি-টোয়েন্টি ফাইনালে তোলায় অবদান ছিল মুশফিকের। এশিয়া কাপে চোট নিয়েও শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে দলকে জিতিয়েছিলেন তিনি। বছর জুড়ে টেস্টেও নজর কাড়া পারফরম্যান্স ছিল মুশফিকের ব্যাটে। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে দেশের হয়ে ব্যক্তিগত সর্বোচ্চ ২১৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদের পুরস্কার না জিতলেও তাই সেরা ক্রিকেটার হয়েছেন তিনিই।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে বাকি আর মুশফিক সেরা হলেও জনপ্রিয়তায় সেরা হয়েছেন তামিম ইকবাল। গেল বছর সাদা পোশাকে খুব বেশি আলো ছড়াতে না পারলেও ওয়ানডে সংস্করণে দারুণ কেটেছে তামিমের। এই সময়ে ১২ ম্যাচ খেলে ৮৫.৫০ গড়ে করেছেন ৬৮৪ রান, তার ব্যাট থেকে এসেছে দুই সেঞ্চুরিও। তবে এশিয়া কাপের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে চোট পেয়েও এক হাতে ব্যাট করতে নেমে মানুষের মন জিতে নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ওপেনার।

বর্ষসেরা ফুটবলারের পুরস্কার উঠেছে জাতীয় দলের ডিফেন্ডার তপু বর্মণের হাতে। বর্ষসেরা কোচ হয়েছেন নারীদের বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলকে সাফল্যেও রাঙানো কোচ গোলাম রব্বানী ছোটন। বর্ষসেরা সংগঠক হয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন।

যারা পেলেন বিএসপিএ অ্যাওয়ার্ড

বর্ষসেরা ক্রীড়াবিদ: আব্দুল্লাহ হেল বাকী (শ্যুটার, জাতীয় দল),

পপুলার চয়েজ অ্যাওয়ার্ড: তামিম ইকবাল খান (ক্রিকেটার, জাতীয় দল)

বর্ষসেরা ক্রিকেটার: মুশফিকুর রহিম

বর্ষসেরা ফুটবলার: তপু বর্মণ

বর্ষসেরা ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়: শাপলা আক্তার

বর্ষসেরা শ্যুটার: আব্দুল্লাহ হেল বাকী

উদীয়মান ক্রীড়াবিদ: সিরাত জাহান স্বপ্না (ফুটবলার, জাতীয় মহিলা দল),  মেহেদী হাসান আলভী (টেনিস খেলোয়াড়, জাতীয় দল)।

বর্ষসেরা কোচ: গোলাম রব্বানী ছোটন (কোচ, জাতীয় মহিলা দল)।

তৃণমূলের ক্রীড়াব্যক্তিত্ব: ফজলুল ইসলাম (হকি কোচ), মনসুর আলী (সংগঠক)।

বিশেষ সম্মাননা: নাজমুন নাহার বিউটি (সাবেক দ্রুততম মানবী)।

বর্ষসেরা সংগঠক: নাজমুল হাসান পাপন (সভাপতি, এসিসি এবং বিসিবি)

বর্ষসেরা পৃষ্ঠপোষক: বসুন্ধরা গ্রুপ।