অবশেষে রান পেলেন আরিফুল হক

ক্রীড়া প্রতিবেদক

২০১৭ সালের বিপিএলে নৈপুণ্য দেখিয়ে জাতীয় দলেও ঢুকে গিয়েছিলেন আরিফুল হক। শুরুতে সুযোগ পাননি, পরে সুযোগ পেয়েও ছিলেন বিবর্ণ। কিন্তু সবচেয়ে হতাশ করেছেন সর্বশেষ বিপিএলে। কোনভাবেই যেন রানের দেখা পাচ্ছিলেন না এই ব্যাটসম্যান। চলে যান জাতীয় দলের হিসেবের বাইরেও। এবার প্রিমিয়ার লিগে এসে কাটল তার রান খরা, এতে হাসল তার দল প্রাইম ব্যাংকও।

মঙ্গলবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আরিফুলের ঝড়ো ফিফটিতে ১৬৯ রান করে প্রাইম ব্যাংক। জবাবে ১২২ রানে থেমে ৪৭ রানের বড় ব্যবধানে হারে ব্রাদার্স। টানা দুই হারে গ্রুপ-এ থেকে বিদায় নিয়েছে তারা। আর প্রাইম ব্যাংক নিজেদের প্রথম ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালে উঠার জন্য সামনে পাচ্ছে আবাহনী লিমিটেডকে।

সন্ধ্যায় ভেজা আবহাওয়ার মাঝে টস জিতে আগে ব্যাট করতে যান প্রাইম ব্যাংক অধিনায়ক এনামুল হক বিজয়। কিন্তু তার ব্যর্থতাতেই শুরুটা ভালো পায়নি তারা। এনামুল, জাকির হাসান আর আল-আমিন জুনিয়র ৪৭ রানের মধ্যে ফিরে যাওয়ায় চাপে পড়ে প্রাইম।

প্রথমে রুবেল মিয়ার সঙ্গে জুটি গড়ে ওই চাপ কাটান আরিফুল। পরে নাজমুল হোসেন মিলনের সঙ্গে মিলে তুলেন ঝড়।

৩৩ বলে ২ ছয় আর চার বাউন্ডারিতে ৫৯ রানে অপরাজিত থাকেন আরিফুল। মিলন করেন ২১ বলে ৪৪ রান।

শক্ত রান তাড়ায় কোনভাবেই ম্যাচে ছিল না ব্রাদার্স। মিজানুর রহমান, জুনায়েদ সিদ্দিকি থিতু হতে পারেননি। ইয়াসির আলি করেন হতাশ। ফজলে মাহমুদ টিকলেও খেলেন মন্থর গতিতে। ফলে লক্ষ্যের দিকে কখনই তাল মিলিয়ে আগাতে পারেনি ব্রাদার্স।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

প্রাইম ব্যাংক: ২০ ওভারে ১৬৯/৪  (এনামুল ৪, রুবেল ৪৪, জাকির ৯, আল-আমিন ২, আরিফুল ৫৯*, মিলন ৪৫*  ;  মেহদী ১/৪৭, রনি ০/৩৭, শরিফুল্লাহ ২/২৩, নাঈম জুনিয়র ০/১৫, শাহজাদা ১/৩৭, ফজলে ০/৯)

ব্রাদার্স ইউনিয়ন:  ২০ ওভারে ১২২/৮ (মিজানুর ৭, জুনায়েদ ১৪, ফজলে ৩৯, ইয়াসির ১০, শরিফুল ১৫, শরিফুল্লাহ ৪, জাহিদুজ্জামান ১১, শাহজাদা ১, নাঈম জুনিয়র ৪*, রনি ১০*  ; মিলন ০/৯, মনির ৩/২৪, আল-আমিন হোসেন ১/২৩, আল-আমিন জুনিয়র ০/৩ রাজ্জাক ২/১০, অলক ১/২৯, আরিফুল ১/১৩, সালমান ০/৭)

ফল: প্রাইম ব্যাংক ৪৭ রানে জয়ী।