হামের চিকিৎসায় শিশু হাসপাতালের বরাদ্দ যথেষ্ট না: বিরোধীদলীয় নেতা
হামের চিকিৎসায় বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে সরকারি বরাদ্দ যথেষ্ট না বলে মন্তব্য করেছেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান।
তিনি বলেন, ‘এই হাসপাতালটা সরকারি না, এটা সংবিধিবদ্ধ একটা হাসপাতাল। সরকার আগে প্রতি বছর দিতো ৩০ কোটি, এবার দিচ্ছে ২৮ কোটি। সেই ২৮ কোটির মধ্যে এ পর্যন্ত তারা ফার্স্ট কোয়ার্টারে ৭ কোটি টাকা পেয়েছেন, বাকিটা হয়তো তারা পাবেন। কিন্তু এ দিয়ে হাসপাতাল চলে না। এখানে ৭০০টি শয্যা আছে, এর মধ্যে ২৫০ শয্যা হলো ফ্রি। বাকিগুলোতে রোগীদের সব খরচ দিয়ে থাকতে হয়। সেভাবে তারা চালাচ্ছেন, এবং যেটুকু সম্ভব তাদের পক্ষে, সর্বোচ্চ চেষ্টা করছেন।’
পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা বুঝতে পেরেছি যে, এখানে আরও অনেক গুরুত্ব দেওয়া দরকার সরকারের।’
আজ শনিবার দুপুরে শিশু হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘বর্তমানে হাম নিয়ে যে বিব্রতকর অবস্থায় দেশবাসী আছে, এটা বোঝার জন্য আমরা মূলত গিয়েছিলাম। সেখানে গিয়ে আমরা দেখলাম, এটা বাংলাদেশের একমাত্র স্পেশালাইজড ডেডিকেটেড শিশু হাসপাতাল সরকারিভাবে। এ জন্য সারা দেশ থেকে এখানে রোগী চলে আসে। তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) এর চাপ নিতে পারছেন না। অনেক রোগী এখান থেকে চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত যাচ্ছেন। তারা কোথায় যাচ্ছেন তারা (হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ) তো বলতে পারবেন না।’
হাম রোগীর চিকিৎসায় একটি আইসিইউ (নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র) করে দেওয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, এই হাসপাতালের বেড বাড়ানো দরকার এবং সেই সুযোগ আছে।
তিনি শিশু হাসপাতালের শয্যা বাড়িয়ে ২ হাজার করার দাবি জানিয়ে বলেন, ‘তাহলে মানুষ কিছু স্বস্তি পাবে।’
এ সময় জামায়াতের পক্ষ থেকে শিশু হাসপাতালের পাশে দাঁড়ানোর প্রতিশ্রুতি দেন শফিকুর রহমান।