ময়মনসিংহ ৪ ও ৬ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করা আবেদন গ্রহণ
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আরও দুই প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন হাইকোর্ট।
আজ সোমবার বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন—ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান ও ময়মনসিংহ-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলম। তারা নির্বাচনে ভোট জালিয়াতি ও অনিয়মের অভিযোগ এনেছেন।
আদালতে কামরুলের পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী ব্যারিস্টার মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও আখতারুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শামীম দরজী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।
ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বাচন কমিশনকে ব্যালট পেপার, ব্যালট বাক্স ও অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী নিজেদের হেফাজতে নিয়ে সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
ময়মনসিংহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট পান।
ময়মনসিংহ-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. কামরুল হাসান ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট পান। আর বিএনপির মো. আখতারুল আলম পান ৪৯ হাজার ৪৭৬ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন।
আইন অনুযায়ী, নির্বাচনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশের পর কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হাইকোর্টে নির্বাচনী আবেদন করতে পারেন।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ মার্চ পর্যন্ত ৩৬ প্রার্থীর পৃথক ৩৬টি নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ।