শহীদ সালামের রক্তমাখা জামা দেখে বিক্ষোভে উত্তাল পটুয়াখালী

ঢাকায় যখন ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল, ঠিক সেসময় কবি খন্দকার খালেককে আহ্বায়ক ও জালাল উদ্দিন আহমেদকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে গঠন করা হয় ‘পটুয়াখালী রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

মওলানা ভাসানী কুড়িগ্রামে ভাষা আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছিলেন

১৯৪৮ সালের মে মাসে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কুড়িগ্রাম সফর করেন। এটি কুড়িগ্রামের নেতাকর্মীদের ভীষণভাবে উজ্জীবিত করেছিল। মওলানা ভাসানী তখন কুড়িগ্রাম সদর, বামনডাঙ্গা, ভুরুঙ্গামারিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে জনসভা করেছিলেন। সেসময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন শামসুল হক ও তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

টাঙ্গাইলে প্রথম শহীদ মিনার হয় ১৯৫৩ সালে

সেদিন শহরের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ ছিল। এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের মিছিলে লাঠিচার্জ শুরু করলে ছাত্ররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পুলিশ মিছিল থেকে উপেন মালাকার, সামসুর রহমান খান, বদিউজ্জামান খান, নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাসসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের রাইফেলের বাঁটে আহত হন সৈয়দ নুরুল হুদা।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

ইংরেজিতে লেখায় রংপুরে বিচারকের কলম ভাঙলেন মিলি চৌধুরী

১৯৫১ সালের একদিন মিলি চৌধুরীর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রংপুর জজ কোর্টে গিয়ে পৌঁছায়। এসময় আদালতে এজলাস চলছিল। এক পর্যায়ে মিছিল থেকে কারমাইকেল কলেজের ছাত্রী মিলি চৌধুরী এজলাসে গিয়ে বিচারককে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কেন ইংরেজিতে লিখছেন?’ এরপর পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই বিচারকের কাছ থেকে কলমটি নিয়ে ভেঙে ফেলে মিছিলে ফিরে যান তিনি।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

একুশের প্রথম কবিতা রচিত হয়েছিল চট্টগ্রামে

কেবল একুশের প্রথম কবিতা নয়, ভাষা আন্দোলনে নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল চট্টগ্রাম।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুষ্টিয়া

২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের মূল দিনে সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হয়।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঢাকাতে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান প্রমুখ।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে বগুড়া

১৯৪৮ সালের ১৩ মার্চ বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল বের করে
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কিশোরগঞ্জ

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জে ভাষা আন্দোলনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের গভর্নর মুহম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে ও কার্জন হলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে ঢাকার ছাত্র সমাজ।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লা

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লার স্থান ছিল প্রথম সারিতে। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন। তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিল। নোয়াখালী সদরের মূল কার্যক্রম সংগঠিত হতো মূলত মাইজদী শহরে। এ ছাড়াও, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল চৌমুহনী।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে যশোর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার আছড়ে পড়েছিল যশোর জেলাতেও। এখানে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে। ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে যশোর রেখেছিল ভিন্ন ভূমিকা।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ফরিদপুর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার ছড়িয়ে পড়েছিল ফরিদপুর জেলাতেও। ফরিদপুরে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে।
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

প্রথম শহীদ মিনার গড়া হয়েছিল রাজশাহীতে

সদ্য নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের দেয়ালে সাঁটানো ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সুপ্রভাত’ কবিতার অমর ২টি চরণ। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী কলেজের নিউ হোস্টেলের সামনে ছাত্রদের হাতে ইট-কাদামাটি দিয়ে নির্মিত সেই স্মৃতিস্তম্ভটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

মিরপুর: মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন

‘সকালবেলা আমি লে. সেলিমকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ১২ নম্বর সেকশনে যাই। সেকশনের মাঝামাঝি একটি উঁচু জায়গায় ক্যাপ্টেন হেলাল মোর্শেদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক কথাবার্তা বলি। লে. সেলিমও তখন আমাদের সঙ্গেই ছিলেন। এরমধ্যে সৈনিকদের খাবার নিয়ে ট্রাকও এসে পৌঁছায়। এরপর আমি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমার ক্যাম্পের দিকে রওনা হই। লে. সেলিম থেকে যান মোর্শেদের সঙ্গে। আমি ফিরে আসার আধা ঘণ্টা পর আনুমানিক ১১টার দিকে চারদিকের বিভিন্ন বাড়িঘর থেকে একযোগে মোর্শেদের নেতৃত্বাধীন সেনা ও পুলিশের ওপর বিহারিরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড ইত্যাদি নিয়ে প্রচণ্ড আক্রমণ চালায়।
৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

দিলীপ মহলানবিশ: মুক্তিযুদ্ধের এক মানবিক চিকিৎসক বন্ধু

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে তখন লাখো শরণার্থীর ঢল নেমেছে। এর মধ্যে কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের সীমান্তবর্তী বনগাঁ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শরণার্থী। প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজারের মতো নতুন শরণার্থী আশ্রয় নিচ্ছেন সেখানে।
২৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের ‘কাদেরিয়া বাহিনী’র অস্ত্র সমর্পণের সুবর্ণজয়ন্তী

একাত্তরের কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আজ ২৪ জানুয়ারি স্মরণীয় একটি দিন। পঞ্চাশ বছর আগে ১৯৭২ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলে শহরের বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করেন এই বাহিনীর বীর সদস্যরা।
২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

তাবলিগ জামাত ও বিশ্ব ইজতেমার শুরু যেভাবে

ভারতের হরিয়ানা ও রাজস্থানের উত্তরে জনবিরল এক অঞ্চলের নাম মেওয়াত। সালটা ছিল ১৯১০। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার মাজাহির উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভী কয়েকজন মুসলমানের ওপর এক নিরীক্ষা চালান।
১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

অবশেষে মহানায়কের ঘরে ফেরা

সারারাত ধরে অধীর প্রতীক্ষা। রাস্তায় রাস্তায় মানুষের জয়ধ্বনি। শীতল রাত্রির নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁকা গুলির আওয়াজ। পাড়ায় মহল্লায়, গ্রামে গঞ্জে, হাটে বাজারে সর্বত্রই উৎসবের ঢেউ। অবশেষে ঘরের ছেলে ফিরছে ঘরে।
৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন

ঐতিহাসিক চিত্র: বাংলার প্রথম ইতিহাসভিত্তিক পত্রিকা

মাতৃভূমির ইতিহাসচর্চার মহান প্রয়াসে বাংলার সুবিখ্যাত ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় নিজ সম্পাদনায় রাজশাহী থেকে প্রকাশ করেন ‘ঐতিহাসিক চিত্র’। তিনি ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক চিত্রের প্রধান সারথী। অক্ষয়কুমারের অনুরোধে কবিগুরু ত্রৈমাসিক এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় ‘সূচনা’ নামে ভূমিকা লিখে দেন। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ঐতিহাসিক চিত্রই ইতিহাসভিত্তিক বাংলার প্রথম পত্রিকা।
৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন

শহীদ সালামের রক্তমাখা জামা দেখে বিক্ষোভে উত্তাল পটুয়াখালী

ঢাকায় যখন ভাষা আন্দোলনকে ঘিরে নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছিল, ঠিক সেসময় কবি খন্দকার খালেককে আহ্বায়ক ও জালাল উদ্দিন আহমেদকে যুগ্ম-আহ্বায়ক করে গঠন করা হয় ‘পটুয়াখালী রাষ্ট্রভাষা সংগ্রাম পরিষদ’।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:০৯ পূর্বাহ্ন

মওলানা ভাসানী কুড়িগ্রামে ভাষা আন্দোলনকে উজ্জীবিত করেছিলেন

১৯৪৮ সালের মে মাসে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কুড়িগ্রাম সফর করেন। এটি কুড়িগ্রামের নেতাকর্মীদের ভীষণভাবে উজ্জীবিত করেছিল। মওলানা ভাসানী তখন কুড়িগ্রাম সদর, বামনডাঙ্গা, ভুরুঙ্গামারিসহ বেশ কয়েকটি স্থানে জনসভা করেছিলেন। সেসময় তার সফরসঙ্গী ছিলেন শামসুল হক ও তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া।
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:১৫ পূর্বাহ্ন

টাঙ্গাইলে প্রথম শহীদ মিনার হয় ১৯৫৩ সালে

সেদিন শহরের বেশিরভাগ দোকান বন্ধ ছিল। এক পর্যায়ে পুলিশ ছাত্রদের মিছিলে লাঠিচার্জ শুরু করলে ছাত্ররা ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। মিছিল ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে। পুলিশ মিছিল থেকে উপেন মালাকার, সামসুর রহমান খান, বদিউজ্জামান খান, নারায়ণ চন্দ্র বিশ্বাসসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে। পুলিশের রাইফেলের বাঁটে আহত হন সৈয়দ নুরুল হুদা।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২২ পূর্বাহ্ন

ইংরেজিতে লেখায় রংপুরে বিচারকের কলম ভাঙলেন মিলি চৌধুরী

১৯৫১ সালের একদিন মিলি চৌধুরীর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীদের একটি মিছিল রাষ্ট্রভাষা বাংলার দাবিতে রংপুর জজ কোর্টে গিয়ে পৌঁছায়। এসময় আদালতে এজলাস চলছিল। এক পর্যায়ে মিছিল থেকে কারমাইকেল কলেজের ছাত্রী মিলি চৌধুরী এজলাসে গিয়ে বিচারককে জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কেন ইংরেজিতে লিখছেন?’ এরপর পরিস্থিতি বুঝে ওঠার আগেই বিচারকের কাছ থেকে কলমটি নিয়ে ভেঙে ফেলে মিছিলে ফিরে যান তিনি।
১১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:২৯ পূর্বাহ্ন

একুশের প্রথম কবিতা রচিত হয়েছিল চট্টগ্রামে

কেবল একুশের প্রথম কবিতা নয়, ভাষা আন্দোলনে নানাভাবে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছিল চট্টগ্রাম।
১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুষ্টিয়া

২১ ফেব্রুয়ারি আন্দোলনের মূল দিনে সমগ্র কুষ্টিয়া জুড়ে স্বতঃস্ফূর্ত ধর্মঘট পালিত হয়।
৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৬:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া

ঢাকাতে ঘোষিত বিভিন্ন কর্মসূচি পালিত হতো ব্রাহ্মণবাড়িয়াতেও। এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়াতে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছিলেন, মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, মোহাম্মদ ফায়েজুর রহমান প্রমুখ।
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৩ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে বগুড়া

১৯৪৮ সালের ১৩ মার্চ বগুড়ার আজিজুল হক কলেজ থেকে শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদী মিছিল বের করে
৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৭:১৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কিশোরগঞ্জ

দেশের অন্যান্য স্থানের মতো কিশোরগঞ্জে ভাষা আন্দোলনে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছিল। ১৯৪৮ সালের মার্চে পাকিস্তানের গভর্নর মুহম্মদ আলী জিন্নাহ রেসকোর্স ময়দানে ও কার্জন হলে উর্দুকে পাকিস্তানের একমাত্র রাষ্ট্রভাষা হিসেবে ঘোষণা করলে প্রতিবাদে ফুঁসে উঠে ঢাকার ছাত্র সমাজ।
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লা

ভাষা আন্দোলনে কুমিল্লার স্থান ছিল প্রথম সারিতে। ১৯৪৮ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি কুমিল্লার সন্তান ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত সর্বপ্রথম পাকিস্তান গণপরিষদে বাংলাকে রাষ্ট্রভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব তুলেছিলেন। তিনি সরকারি কাগজে বাংলা ব্যবহার না করার সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন।
৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪৭ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী

ভাষা আন্দোলনে নোয়াখালী অগ্রগণ্য ভূমিকা পালন করেছিল। নোয়াখালী সদরের মূল কার্যক্রম সংগঠিত হতো মূলত মাইজদী শহরে। এ ছাড়াও, রাজনৈতিক-সামাজিক-সাংস্কৃতিক আন্দোলনের বিকল্প কেন্দ্র হয়ে উঠেছিল চৌমুহনী।
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৮ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে যশোর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার আছড়ে পড়েছিল যশোর জেলাতেও। এখানে ভাষা আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই, অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে। ভাষা আন্দোলনের ক্ষেত্রে যশোর রেখেছিল ভিন্ন ভূমিকা।
৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:২১ পূর্বাহ্ন

ভাষা আন্দোলনে ফরিদপুর

ভাষা আন্দোলনের গণজোয়ার ছড়িয়ে পড়েছিল ফরিদপুর জেলাতেও। ফরিদপুরে আন্দোলনের সূচনা হয়েছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম পর্বেই অর্থাৎ ১৯৪৮ সালের মার্চ মাসে।
২ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন

প্রথম শহীদ মিনার গড়া হয়েছিল রাজশাহীতে

সদ্য নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভের দেয়ালে সাঁটানো ছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘সুপ্রভাত’ কবিতার অমর ২টি চরণ। ১৯৫২ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাতে রাজশাহী কলেজের নিউ হোস্টেলের সামনে ছাত্রদের হাতে ইট-কাদামাটি দিয়ে নির্মিত সেই স্মৃতিস্তম্ভটিই ছিল ভাষা আন্দোলনের প্রথম শহীদ মিনার।
১ ফেব্রুয়ারি ২০২৩, ০৯:৩৪ পূর্বাহ্ন

মিরপুর: মুক্তিযুদ্ধের শেষ রণাঙ্গন

‘সকালবেলা আমি লে. সেলিমকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান থেকে ১২ নম্বর সেকশনে যাই। সেকশনের মাঝামাঝি একটি উঁচু জায়গায় ক্যাপ্টেন হেলাল মোর্শেদের সঙ্গে দাঁড়িয়ে প্রায় ঘণ্টাখানেক কথাবার্তা বলি। লে. সেলিমও তখন আমাদের সঙ্গেই ছিলেন। এরমধ্যে সৈনিকদের খাবার নিয়ে ট্রাকও এসে পৌঁছায়। এরপর আমি সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আমার ক্যাম্পের দিকে রওনা হই। লে. সেলিম থেকে যান মোর্শেদের সঙ্গে। আমি ফিরে আসার আধা ঘণ্টা পর আনুমানিক ১১টার দিকে চারদিকের বিভিন্ন বাড়িঘর থেকে একযোগে মোর্শেদের নেতৃত্বাধীন সেনা ও পুলিশের ওপর বিহারিরা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্রশস্ত্র, হ্যান্ড গ্রেনেড ইত্যাদি নিয়ে প্রচণ্ড আক্রমণ চালায়।
৩০ জানুয়ারি ২০২৩, ০৩:৪২ অপরাহ্ন

দিলীপ মহলানবিশ: মুক্তিযুদ্ধের এক মানবিক চিকিৎসক বন্ধু

পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে তখন লাখো শরণার্থীর ঢল নেমেছে। এর মধ্যে কলকাতা থেকে ৫০ কিলোমিটার দূরের সীমান্তবর্তী বনগাঁ শরণার্থী শিবিরে আশ্রয় নিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ শরণার্থী। প্রতিদিন প্রায় ৬ হাজারের মতো নতুন শরণার্থী আশ্রয় নিচ্ছেন সেখানে।
২৬ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:৫৩ অপরাহ্ন

মুক্তিযুদ্ধের ‘কাদেরিয়া বাহিনী’র অস্ত্র সমর্পণের সুবর্ণজয়ন্তী

একাত্তরের কাদেরিয়া বাহিনীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য আজ ২৪ জানুয়ারি স্মরণীয় একটি দিন। পঞ্চাশ বছর আগে ১৯৭২ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলে শহরের বিন্দুবাসিনী বালক উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কাছে অস্ত্র সমর্পণ করেন এই বাহিনীর বীর সদস্যরা।
২৪ জানুয়ারি ২০২৩, ০৪:০৩ পূর্বাহ্ন

তাবলিগ জামাত ও বিশ্ব ইজতেমার শুরু যেভাবে

ভারতের হরিয়ানা ও রাজস্থানের উত্তরে জনবিরল এক অঞ্চলের নাম মেওয়াত। সালটা ছিল ১৯১০। উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুর জেলার মাজাহির উলুম মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা ইলিয়াস কান্ধলভী কয়েকজন মুসলমানের ওপর এক নিরীক্ষা চালান।
১৩ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন

অবশেষে মহানায়কের ঘরে ফেরা

সারারাত ধরে অধীর প্রতীক্ষা। রাস্তায় রাস্তায় মানুষের জয়ধ্বনি। শীতল রাত্রির নিস্তব্ধতা ভেঙ্গে দিয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের ফাঁকা গুলির আওয়াজ। পাড়ায় মহল্লায়, গ্রামে গঞ্জে, হাটে বাজারে সর্বত্রই উৎসবের ঢেউ। অবশেষে ঘরের ছেলে ফিরছে ঘরে।
৯ জানুয়ারি ২০২৩, ০৫:৫৩ অপরাহ্ন

ঐতিহাসিক চিত্র: বাংলার প্রথম ইতিহাসভিত্তিক পত্রিকা

মাতৃভূমির ইতিহাসচর্চার মহান প্রয়াসে বাংলার সুবিখ্যাত ইতিহাসবিদ অক্ষয়কুমার মৈত্রেয় নিজ সম্পাদনায় রাজশাহী থেকে প্রকাশ করেন ‘ঐতিহাসিক চিত্র’। তিনি ছিলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ঐতিহাসিক চিত্রের প্রধান সারথী। অক্ষয়কুমারের অনুরোধে কবিগুরু ত্রৈমাসিক এই পত্রিকার প্রথম সংখ্যায় ‘সূচনা’ নামে ভূমিকা লিখে দেন। বাংলা ভাষায় বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে ঐতিহাসিক চিত্রই ইতিহাসভিত্তিক বাংলার প্রথম পত্রিকা।
৫ জানুয়ারি ২০২৩, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন