ইরানি ট্যাংকারে হামলা হলে মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার হুমকি, লেবাননে ইসরায়েলি হামলায় নিহত ৯
ইরানের তেলবাহী ট্যাংকার বা বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা হলে মধ্যপ্রাচ্যে থাকা মার্কিন ঘাঁটি এবং ‘শত্রু জাহাজ’ লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালানোর হুমকি দিয়েছে ইরানের বিপ্লবী রক্ষী বাহিনী (আইআরজিসি)।
আজ রোববার ইরানি গণমাধ্যমের বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে এএফপি।
আইআরজিসি বলেছে, ইরানের ট্যাংকার ও বাণিজ্যিক জাহাজে যেকোনো হামলার জবাবে এই অঞ্চলে অবস্থিত মার্কিন ঘাটিতে এবং শত্রু জাহাজে কঠোর আঘাত হানা হবে।
এর একদিন আগে ওমান উপসাগরে ইরানের দুটি ট্যাংকারের ওপর যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালায়।
এদিকে ইসরায়েল শনিবার লেবাননের বিভিন্ন স্থানে বিমান হামলা চালিয়েছে। দেশটির দক্ষিণাঞ্চলে অন্তত ৯ জন নিহত হয়েছেন বলে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে। এছাড়া বৈরুতের কাছাকাছি একটি মহাসড়কেও হামলা চালানো হয়েছে, যা হিজবুল্লাহর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকার বাইরে বলে এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়।
ইরান-সমর্থিত হিজবুল্লাহ ও ইসরায়েলের মধ্যে তিন সপ্তাহ আগে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হলেও সংঘর্ষ পুরোপুরি থামেনি।
হিজবুল্লাহ জানিয়েছে, চলমান হামলার জবাবে তারা অন্তত দুইবার ড্রোনের মাধ্যমে উত্তর ইসরায়েলে সেনাদের লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনী বলেছে, ‘বিস্ফোরক বহনকারী কয়েকটি ড্রোন’ ইসরায়েলি ভূখণ্ডে প্রবেশ করেছিল। এই হামলায় একজন রিজার্ভ সেনা গুরুতর এবং আরও দুজন আহত হয়েছেন।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কূটনীতিক মার্কো রুবিও শনিবার মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ কাতারের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করেছেন বলে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে।
ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে শান্তি প্রস্তাবের বিষয়ে তেহরানের জবাবের অপেক্ষার মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলো। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাতারের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও এতে তুলে ধরা হয়।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট এক বিবৃতিতে বলেন, বিভিন্ন বিষয়ে কাতারের অংশীদারিত্বের জন্য পররাষ্ট্রমন্ত্রী কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও কাতারের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আঞ্চলিক হুমকি মোকাবিলা এবং মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সমন্বয়ের গুরুত্ব নিয়েও আলোচনা করেছেন।