ইন্দোনেশিয়ায় আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে ৩ পর্বতারোহীর প্রাণহানি
ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলের হালমাহেরা দ্বীপে আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতে দুই বিদেশিসহ তিন পর্বতারোহীর প্রাণহানি হয়েছে। এই ঘটনায় আরও ১০ ব্যক্তি নিখোঁজ আছেন।
আজ শুক্রবার এই তথ্য জানিয়েছে এএফপি, এবিসি নিউজ ও বিবিসি।
উত্তর হালমাহেরা প্রদেশের পুলিশ বাহিনীর প্রধান এরলিচসন পাসারিবু কোমপাস টিভিকে বলেন, ‘পূর্ব ইন্দোনেশিয়ায় তিন ব্যক্তির প্রাণহানি হয়েছে। তাদের মধ্যে দুইজন বিদেশি ও একজন টারনেইট দ্বীপের বাসিন্দা।’
এরলিচসন আরও জানান, ২০ জনের পর্বতারোহী দলে নয় জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক ও বাকি ১১ জন ইন্দোনেশীয় ছিলেন। এখনো নিখোঁজ আছেন সিঙ্গাপুরের এক ব্যক্তি ও ইন্দোনেশিয়ার নয় ব্যক্তি।
‘ইতোমধ্যে সাত বিদেশি পর্বতারোহী ইতোমধ্যে নিরাপদে পর্বত থেকে নেমে আসতে পেরেছেন’, যোগ করেন তিনি।
ওই অঞ্চলে পর্বতারোহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা চালু সত্ত্বেও তারা সেখানে গিয়েছিলেন বলে উল্লেখ করেন পুলিশ প্রধান।
আজ শুক্রবার স্থানীয় সময় সকাল ৭টা বেজে ৪১ মিনিটে উত্তর মালুকু প্রদেশের দুকোনো পর্বতে অগ্ন্যুৎপাত ঘটে। আগ্নেয়গিরি থেকে ছাই উদ্গিরণ হয়ে আকাশে ১০ কিলোমিটার পর্যন্ত উঠে যায়।
স্থানীয় উদ্ধার সংস্থা প্রধান ইওয়ান রামদানি রয়টার্সকে বলেন, ২০ জন আটকে পড়া পর্বতারোহীকে উদ্ধারে পুলিশসহ অসংখ্য উদ্ধারকর্মী মোতায়েন করা হয়েছে।
তিনি জানান, পর্বতারোহীদের মধ্যে নয় জন সিঙ্গাপুরের নাগরিক এবং বাকিরা ইন্দোনেশীয়।
তিনি জানান, আটকে পড়াদের মধ্যে ২০ জনই পর্বতারোহী।
গত মাস থেকে দুকোনো আগ্নেয়গিরি হঠাৎ করেই সক্রিয় হতে শুরু করে। যার ফলে ১৭ এপ্রিল বিজ্ঞানীদের পরামর্শে ওই এলাকায় দর্শনার্থীদের প্রবেশ নিষিদ্ধ করে দেওয়া হয়।
মার্চ থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত ২০০ বারেরও বেশিবার দুকোনো পর্বতে অগ্ন্যুৎপাতের ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ইন্দোনেশিয়ার সংশ্লিষ্ট সরকারি সংস্থা।


