ঘরে-বাইরে একা ট্রাম্প?

স্টার অনলাইন ডেস্ক

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো জানাচ্ছে, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের আহ্বানে সাড়া দিয়ে যুক্তরাজ্য ও ফ্রান্সসহ অন্তত ২০ মিত্র দেশ ইরানের হামলা থেকে হরমুজ প্রণালিকে মুক্ত রাখতে মার্কিন বাহিনীকে সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

তবে এমন সংবাদের পরও রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, আসলে ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প ক্রমশ একা হয়ে পড়ছেন। তাদের মতে, গ্রিনল্যান্ড ঘটনার পর থেকে ন্যাটো মিত্ররা ট্রাম্পকে আর বিশ্বাস করছেন না। অনেকে মার্কিন রাষ্ট্রপতিকে ‘অনির্ভরযোগ্য’ ও ‘বিশৃঙ্খলা সৃষ্টিকারী’ বলেও মন্তব্য করছেন।

বিশ্লেষকদের কারও কারও ভাষ্য, ট্রাম্প হুমকি-ধামকি দিয়েও যুদ্ধের ২৩ দিন পার হওয়ার পরও মিত্রদের সামরিক সহায়তা পাননি। তিনি শত চেষ্টা করেও জ্বালানির দাম নিয়ন্ত্রণ করতে পারছেন না। এমনকি প্রতিদ্বন্দ্বী রাশিয়ার তেল বিক্রির ওপর নিষেধাজ্ঞা কয়েক দিনের জন্য শিথিল করেও বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রাখা যাচ্ছে না। শুধু তা-ই নয়, যে দেশের বিরুদ্ধে ট্রাম্প যুদ্ধ করছেন, সেই ইরানের তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা সাময়িক সময়ের জন্য তুলে দিয়েও তিনি সুফল পাচ্ছেন না।

বিশ্লেষকদের অনেকের মতে, ইরান যুদ্ধের নিয়ন্ত্রণ ক্রমশ পেন্টাগনের হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প যতই হুমকি দিচ্ছেন, ততই তার ‘দুর্বলতা’ প্রকাশ পাচ্ছে। তিনি একেক সময় একেক ধরনের বিরূপ মন্তব্য করে নিজেকে ‘অনির্ভরযোগ্য’ করে তুলছেন।

গত শনিবার ইরান প্রায় ৪ হাজার কিলোমিটার দূরে ভারত মহাসাগরে আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার মধ্যবর্তী ছোট দ্বীপ ডিয়েগো গার্সিয়ায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়ে প্রমাণ করে দিয়েছে যে তাদের ক্ষেপণাস্ত্র ইউরোপের যেকোনো শহরে আঘাত হানতে সক্ষম। তাই যুক্তরাষ্ট্রের ইউরোপীয় মিত্রদের এখন ভাবতে হচ্ছে, তারা ইরান যুদ্ধকে ইউরোপে টেনে আনবে কি না। ইউরোপ যখন ইউক্রেন যুদ্ধের মীমাংসা করতে হিমশিম খাচ্ছে, তখন ইরান যুদ্ধ তাদের আরেকটি নতুন ‘চোরাবালিতে’ টেনে নেয় কি না, তা-ও ভাবার বিষয়।

এদিকে যে হরমুজ নিয়ে ইউরোপের মার্কিন মিত্ররা সহায়তার আশ্বাস দিচ্ছে, সেই প্রণালি নিয়েই আলোচনার ডাক দিয়েছে ইরান। যেখানে আলোচনার সুযোগ আছে, সেখানে যুদ্ধের আগুন ছড়ানোর প্রয়োজন কতটা, তা-ও ভেবে দেখার বিষয় বলে মন্তব্য করেছেন বিশ্লেষকেরা।

হরমুজে সৃষ্ট আজকের পরিস্থিতির জন্য ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের আচমকা হামলাই দায়ী—এমন বিশ্বাস দৃঢ় হচ্ছে।

গত ২১ মার্চ বিবিসির ‘প্রেসিডেন্টস পাথ’ অনুষ্ঠানে আইরিশ সাংবাদিক কেইট্রিওনা পেরি ও মার্কিন সাংবাদিক ব্রেন্ড দেবুসমান এক আলোচনায় জানান, ন্যাটো বলেছে এটি তাদের যুদ্ধ নয়। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্ররা বলছে, এই যুদ্ধ তারা শুরু করেনি।

এমন বাস্তবতায় ট্রাম্প আসলে কোন অবস্থানে আছেন? তিন সপ্তাহ পরও যখন যুদ্ধ শেষ হওয়ার কোনো ইঙ্গিত নেই, তখন তিনি কি এই যুদ্ধ চারদিকে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেবেন?—এমন প্রশ্নও অনেকের।

ক্যাপিটল হিলের ‘উদ্বেগ’

গত ২০ মার্চ সিএনএন এক প্রতিবেদনে জানায়, ইরান যুদ্ধ চালিয়ে যেতে কংগ্রেসের কাছে ২০০ বিলিয়ন ডলার চাওয়ায় রিপাবলিকান পার্টিতে মতবিরোধ দেখা দিচ্ছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কংগ্রেসের রিপাবলিকান পার্টির প্রভাবশালী আইনপ্রণেতাদের অনেকেই ইরান যুদ্ধে মার্কিনিদের ‘সাফল্য’ নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করছেন। তাই যুদ্ধ চালিয়ে নেওয়ার জন্য চাওয়া এই বিপুল অর্থ দেওয়া যাবে কি না, তা নির্ভর করছে হোয়াইট হাউসের সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার ওপর।

অথচ ইরান যুদ্ধ শুরুর ৬ দিন পর গত ৫ মার্চ এই সিএনএনই জানিয়েছিল যে কংগ্রেস ট্রাম্পকে ‘ছাড়পত্র’ দিয়েছে। এর ১৫ দিনের মাথায় একই সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ট্রাম্পকে ‘নিয়ন্ত্রণে’ রাখতে কংগ্রেসের শর্ত জুড়ে দেওয়ার কথা।

সংবাদমাধ্যমটি আরও জানায়, সুনির্দিষ্ট ‘দিকনির্দেশনা’ ছাড়া ট্রাম্পকে অর্থ ছাড় দেওয়ার প্রস্তাব কংগ্রেসে পাস করিয়ে নেওয়া কঠিন হবে। ট্রাম্পের নিজ দলের আইনপ্রণেতাদের অনেকেই এ বিষয়ে আপত্তি জানাচ্ছেন। এ নিয়ে দলের ভেতরে আলোচনার সময় মতবিরোধ প্রকাশ্যে চলে আসে।

সূত্রের বরাত দিয়ে ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন—কেউই যুদ্ধ বন্ধের দিনক্ষণ জানাতে পারছে না, যা ক্যাপিটল হিলের জন্য ভীষণ উদ্বেগের।

এক জো কেন্ট ও ‘মাগা ফাটল’

গত ১৮ মার্চ বিবিসি বলে, মার্কিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প ইতিমধ্যে বিদেশে বন্ধু হারিয়েছেন, এখন তিনি ঘরেও বন্ধু হারাতে শুরু করেছেন। এ প্রসঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের পরিচালক জো কেন্টের পদত্যাগের কথা উল্লেখ করা হয়। তিনি ট্রাম্প-ঘনিষ্ঠ এবং ‘মেক আমেরিকা গ্রেট অ্যাগেইন’ বা সংক্ষেপে ‘মাগা’ (MAGA) আন্দোলনের অন্যতম পরিচিত মুখ।

প্রতিবেদন অনুসারে, ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজে তাকে এই দায়িত্ব পালনের জন্য কেন্টকে নিয়োগ দিয়েছিলেন। কিন্তু কেন্ট এই বলে দায়িত্ব ছেড়ে দেন যে ‘ইরান যুদ্ধে জড়াতে তার বিবেক সাড়া দিচ্ছে না’। তিনি আরও জানান, ইরানের সঙ্গে ইসরায়েলের যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের যোগ দেওয়া মোটেও উচিত হচ্ছে না। তার মতে, ইরান যুদ্ধে একমাত্র লাভবান ইসরায়েল আর ক্ষতিগ্রস্ত হবে যুক্তরাষ্ট্রসহ সারা বিশ্ব।

সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা পদত্যাগপত্রে কেন্ট লেখেন, ‘আমাদের জাতির জন্য ইরান এই মুহূর্তে কোনো হুমকি ছিল না। এটা পরিষ্কার যে আমরা ইসরায়েলের চাপে পড়ে যুদ্ধ করছি। ইসরায়েলের শক্তিশালী লবি এর পেছনে কাজ করেছে।’

তার এমন মন্তব্য দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ে আটলান্টিকের দুই পারে এবং ক্রমশ সারা দুনিয়ায়। কেন্টের কথার বরাত দিয়ে বিশ্লেষকেরা ইরান যুদ্ধে না জড়াতে নিজ নিজ দেশের সরকার ও রাজনীতিকদের প্রতি আহ্বান জানাতে শুরু করেন। শুধু তা-ই নয়, ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনা চলাকালে এবং মিত্রদের না জানিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের এই দেশটির ওপর অতর্কিত হামলা চালানোকে আইনবহির্ভূত ও অনৈতিক বলেও মন্তব্য করছেন তারা।

গত ১৮ মার্চ ফক্স নিউজের সাবেক বিশ্লেষক ও ‘মাগা’-সমর্থক রক্ষণশীল রাজনীতিক টাকার কার্লসনকে জো কেন্ট জানান, তার আশঙ্কা, ইরান যুদ্ধে ইসরায়েলের নগ্ন রূপ তুলে ধরায় ইসরায়েল তাকে মেরেও ফেলতে পারে। সেদিন কার্লসনের এক পডকাস্টে কেন্ট আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে অন্যতম শীর্ষ ‘মাগা’ সমর্থক ও ইসরায়েলবিরোধী রাজনৈতিক বিশ্লেষক চার্লি কার্কের মতো তিনিও আততায়ীর হাতে নিহত হতে পারেন।

এদিকে টাকার কার্লসন বিভিন্ন পডকাস্টে ক্রমাগত বলে চলেছেন, ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ আগে না দেখে ইসরায়েলের স্বার্থ দেখছেন। ‘সবার আগে আমেরিকা’—এমন মতাদর্শে বিশ্বাসীদের সঙ্গে তিনি বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। ইরান যুদ্ধকে ট্রাম্পের সব প্রতিশ্রুতি থেকে ‘পুরোপুরি মুখ ফিরিয়ে নেওয়া’ বলেও মনে করছেন তিনি।

গত ২১ মার্চ লন্ডনভিত্তিক মিডল ইস্ট মনিটরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, টাকার কার্লসনের মতে, ট্রাম্প ‘আমেরিকা ফার্স্ট’-এর বদলে ‘ইসরায়েল ফার্স্ট’ হয়ে কাজ করছেন।

গত ১৮ মার্চের বিবিসির প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ভিন্নমত ‘মাগা’র বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে। এতে বলা হয়, জো কেন্ট প্রায় ২০ বছর সামরিক বাহিনীতে কাজ করেছেন। তিনি ইরাক যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন। ২০১৯ সালে সিরিয়ায় আত্মঘাতী বোমা হামলায় তার স্ত্রী শ্যানন কেন্ট নিহত হন। ন্যাশনাল কাউন্টার টেররিজম সেন্টারের প্রধানের দায়িত্ব দেওয়ার সময় ট্রাম্প কেন্ট সম্পর্কে বলেছিলেন, তিনি এমন মানুষ, যিনি সারা জীবন অপরাধী খুঁজে বেরিয়েছেন। এটি মাত্র এক বছর আগের ঘটনা।

এক বছরেই ট্রাম্পের ইরাননীতি নিয়ে উগ্র ভক্তদের মধ্যে বিরোধ দেখা দিয়েছে। সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, ট্রাম্পের নিজের ভাইস রাষ্ট্রপতি জে ডি ভ্যান্স ইরান যুদ্ধে আগ্রহ দেখাচ্ছেন না। এমনকি সিআইএ পরিচালক তুলসি গ্যাবার্ডও এ যুদ্ধে সমর্থনের বিষয়ে নীরব। তুলসির প্রতিষ্ঠান ইরানকে ‘এই মুহূর্তের হুমকি’ নয় বলেও জানিয়েছে।

আচমকা ইরান যুদ্ধ শুরুর কারণে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে যাওয়া, যুদ্ধে মার্কিন মিত্রদের অনীহা এবং ট্রাম্পের নিজ দলের কট্টর জাতীয়তাবাদী ও রক্ষণশীল রাজনীতিকদের মধ্যে মতবিরোধ দেখে মনে হচ্ছে, রাষ্ট্রপতি চারদিক থেকে চাপে পড়েছেন। জো কেন্টের পদত্যাগ ট্রাম্পনীতির বিরোধীদের তালিকাকে আরও দীর্ঘ করছে এবং ‘মাগা’র ফাটল যে ক্রমশ বড় হচ্ছে, তা বিশ্ববাসীর কাছে স্পষ্ট করে তুলেছে।

ইরানের ‘ভিয়েতনাম কৌশল’?

যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা ও নিরাপত্তা পরামর্শক প্রতিষ্ঠান দ্য সাউফান গ্রুপের জ্যেষ্ঠ ফেলো ও সমর বিশেষজ্ঞ কেনেথ কাটজম্যান মনে করেন, বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাবান দেশের সঙ্গে এই অপ্রত্যাশিত যুদ্ধে ইরান ‘ভিয়েতনামের কৌশল’ নিয়েছে।

গত ১৩ মার্চ তিনি আল জাজিরাকে বলেন, ইরান এমন সব কৌশল অবলম্বন করছে, যেগুলো ভিয়েতনাম যুদ্ধে দেখা গিয়েছিল। ১৯৬০-এর দশকে ভিয়েতনাম যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল এবং মার্কিন সরকারের ওপর জনরোষ আছড়ে পড়েছিল।

অন্য বিশ্লেষকেরাও মনে করছেন, ইরান যুদ্ধ তিন সপ্তাহের মধ্যেই শুধু মার্কিন অর্থনীতি নয়, বিশ্ব অর্থনীতিকে প্রভাবিত করতে শুরু করেছে। ইরানের হাত থেকে হরমুজের নিয়ন্ত্রণ নিতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র যদি মিত্রদের নিয়ে যুদ্ধকে দীর্ঘায়িত করে, তবে এর দায়ভার সবার ওপরই পড়বে।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ মন্তব্য করেন যে মার্কিন গণমাধ্যমগুলো ইরান যুদ্ধ নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। এরপর পেন্টাগন সাংবাদিকদের ওপর নিয়ন্ত্রণ আরোপের ঘোষণা দেয়। কিন্তু গত ২০ মার্চ ফেডারেল বিচারকেরা পেন্টাগনের এই নির্দেশনাকে বেআইনি বলে রায় দেন, যা নিজ দেশেই পেন্টাগনের ‘পরাজয়’ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ।

ফিরে আসা যাক ২০ মার্চের সিএনএনের সেই ‘রিপাবলিকান পার্টিতে বিরোধ’ প্রতিবেদনে। কলোরাডো থেকে নির্বাচিত আইনপ্রণেতা ও কট্টর ট্রাম্প-সমর্থক লরেন বোয়েবার্ট সিএনএনকে বলেন, ‘কোনো পরিস্থিতিতেই ইরান যুদ্ধের পেছনে এত টাকা খরচের পক্ষে আমি সমর্থন দেব না।’

অনেকের প্রশ্ন—বিদেশি মিত্ররা যখন দেখবেন, ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প নিজ দেশেই তার কট্টর ভক্তদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা হারাচ্ছেন, তখন কি তারাও সহযোগিতার প্রতিশ্রুতি থেকে সরে আসার পথ খুঁজবেন না?

আজ ২২ মার্চ ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম স্কাই নিউজের এক প্রতিবেদনে প্রশ্ন রাখা হয়—যদি ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র লন্ডনে আঘাত হানে, তাহলে কী হবে? বিশ্লেষকদের জবাব, ‘আমাদের তা প্রতিহত করার ক্ষমতা নেই।’

একই দিনে অপর এক প্রতিবেদনে যুক্তরাজ্যের সাবেক মন্ত্রী ররি স্টিওয়ার্ট মন্তব্য করেন, ‘ট্রাম্পের ইরাননীতি খুবই অদ্ভুত।’

এমন পরিস্থিতিতে অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে—সত্যিই কি ট্রাম্প ঘরে-বাইরে একা হয়ে পড়ছেন?