ইরানের নতুন নেতাকে হত্যা নয়: চীন
ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রয়াত নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির ছেলে মোজতবা খামেনি। এ বিষয়টিকে ইরানের নিজস্ব ব্যাপার আখ্যা দিয়ে নতুন নেতাকে হত্যা প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে স্পষ্ট অবস্থান জানিয়েছে বেইজিং।
আজ সোমবার এই তথ্য জানিয়েছে বার্তা সংস্থা এএফপি।
১০ দিন আগে শান্তি আলোচনার মধ্যেই ইরানে হামলা করে বসে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল।
হামলার শুরুতেই নিহত হন ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। আজ তার স্থলাভিষিক্ত হয়েছেন তারই সন্তান।
চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুয়ো জিয়াকুন আজ সোমবার সাংবাদিকদের বলেন, ইরান তার সংবিধান মেনেই নতুন নেতাকে বেছে নিয়েছে।
নতুন নেতার বিরুদ্ধে ইসরায়েলের হুমকির বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে জিয়াকুন বলেন, ‘কোনো যুক্তিতেই অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নাক গলানো গ্রহণযোগ্য নয়।
ইরানের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার প্রতি সবার সম্মান জানানো উচিৎ।
গত ৪ মার্চ আয়াতুল্লাহ খামেনির উত্তরসূরিকে হত্যার হুমকি দেন ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী।
সামাজিক মাধ্যম এক্সে পোস্ট করে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাৎজ বলেন, ‘ইরানের সন্ত্রাসী সরকার ইসরায়েলকে ধ্বংস করার পরিকল্পনা অব্যাহত রাখতে, যুক্তরাষ্ট্র, মুক্ত বিশ্ব ও এ অঞ্চলের দেশগুলোর প্রতি হুমকি সৃষ্টি করতে এবং ইরানের জনগণকে শোষণ করতে নতুন কোনো নেতা নিয়োগ দিলে তাকে নির্মূল করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। তার নাম যাই হোক না কেন এবং তিনি যেখানেই লুকিয়ে থাকুন না কেন, তাকে হত্যা করা হবে।’
সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ইরানে তীব্র হামলা অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে ইসরায়েল ও উপসাগরীয় অঞ্চলের যেসব দেশে মার্কিন সেনা মোতায়েন করা হয়েছে, সেগুলোর বিরুদ্ধে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালাচ্ছে ইরান।
এর আগে এবিসি নিউজকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের অনুমোদন ছাড়া ইরানের নতুন কোনো নেতা দীর্ঘদিন ক্ষমতায় টিকতে পারবেন না।
তিনি বলেন, ‘ইরানের নতুন নেতাকে আমাদের অনুমোদন নিতে হবে। যদি তিনি আমাদের অনুমোদন না পান, তাহলে তিনি বেশিদিন টিকবেন না।’
