ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সব স্থাপনাই বৈধ লক্ষ্যবস্তু: ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ব্যবহৃত সব স্থাপনাকে ইরানের জন্য ‘বৈধ লক্ষ্যবস্তু’ বলে মন্তব্য করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি।
বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, শনিবার ইরানি টেলিভিশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র ও জায়নিস্টদের যে সব স্থান থেকে অভিযান পরিচালিত হয়েছে এবং ইরানের প্রতিরক্ষা কার্যক্রমের বিরুদ্ধে যেসব স্থানে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, সেসব স্থানকে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বৈধ লক্ষ্যবস্তু হিসেবে বিবেচনা করে।’
তিনি আরও জানান, ইরানের প্রতিরক্ষার বিরুদ্ধে ব্যবহৃত যেকোনো স্থাপনার বিষয়ে সশস্ত্র বাহিনী নিজস্ব মূল্যায়নের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।
The destroyed building is a primary school for girls in the south of Iran. It was bombed in broad daylight, when packed with young pupils.
Dozens of innocent children have been murdered at this site alone.
These crimes against the Iranian People will not go unanswered. pic.twitter.com/AVqiuolgWm— Seyed Abbas Araghchi (@araghchi) February 28, 2026
এদিকে বার্তা সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, মেয়েদের স্কুলে ইসরায়েলের প্রাণঘাতী হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে মন্তব্য করেছেন আরাঘচি।
বার্তা সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানায়, এ বিষয়ে রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেন আরাঘচি।
ল্যাভরভ বলেন, ইরানের ওপর হামলা আন্তর্জাতিক আইনের নীতিমালা লঙ্ঘন করেছে এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্থিতিশীলতার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করেছে।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক আইন ও পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে শান্তিপূর্ণ সমাধানে পৌঁছাতে রাশিয়া প্রস্তুত রয়েছে, প্রয়োজনে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদেও উদ্যোগ নেওয়া হবে। ল্যাভরভ হামলা অবিলম্বে বন্ধ করে কূটনৈতিক সমাধানে ফেরার আহ্বান জানান।
আনাদোলু জানায়, বিবৃতিতে বলা হয়, আরাঘচি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ‘আগ্রাসন’ প্রতিহত করতে ইরানের নেওয়া পদক্ষেপ সম্পর্কে রাশিয়াকে অবহিত করেছেন।
শনিবার ভোরে ‘লায়নস রোর’ নামে অভিযানে ইসরায়েল হামলা শুরু করে ইরানে এবং দেশে বিশেষ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করে।