মোংলা থেকে ২২০ কিলোমিটার দূরে গভীর নিম্নচাপ, ৫ বিভাগে বৃষ্টির সম্ভাবনা

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও এর পাশে ওড়িশা-পশ্চিমবঙ্গ উপকূলীয় এলাকায় অবস্থানরত মৌসুমি নিম্নচাপটি ঘনীভূত হয়ে গভীর নিম্নচাপ আকারে অবস্থান করছে।

আজ সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্তর পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, এটি উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে এগিয়ে সন্ধ্যা নাগাদ পশ্চিমবঙ্গ-ওড়িশা উপকূল অতিক্রম করতে পারে।

এদিন সকাল ৬টায় গভীর নিম্নচাপটি মোংলা সমুদ্র বন্দর থেকে ২২০ কিলোমিটার, পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ২৬০ কিলোমিটার ও চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৪২৫ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণপশ্চিমে এবং কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৩০ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থান করছিল।

আবহাওয়া অধিদপ্তর ২ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে সমুদ্রবন্দর, উত্তর বঙ্গোপসাগর ও বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকার ওপর দিয়ে দমকা বা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে।

গভীর নিম্নচাপ কেন্দ্রের ৪৮ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৫০ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ৬০ কিলোমিটার পর্যন্ত বৃদ্ধি পাচ্ছে।

নিম্নচাপ কেন্দ্রের নিকটবর্তী এলাকায় সাগর উত্তাল থাকায় চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মোংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ৩ নম্বর স্থানীয় সতর্ক সংকেত দেখাতে বলেছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। এছাড়া উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলার নিরাপদ আশ্রয়ে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

অধিদপ্তর জানিয়েছে, মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে প্রবল অবস্থায় রয়েছে।

মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, উত্তর প্রদেশ, বিহার এবং গভীর নিম্নচাপের কেন্দ্র বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত।

পূর্বাভাস অনুসারে, রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের অধিকাংশ জায়গায় বজ্রসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে বয়ে যেতে পারে দমকা হাওয়া।

সেই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। অধিদপ্তর আরও জানিয়েছে, দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারী থেকে ভারী বর্ষণ হতে পারে।