যেসব শর্ত মেনে ছাড়পত্র পেল বিজয়ের সিনেমা
সাত মাসের টানাপোড়েন শেষে সেন্সর ছাড়পত্র পেল থালাপতি বিজয়ের শেষ সিনেমা জন নায়গান। তবে ছাড়পত্র পেতে সিনেমাটির একাধিক দৃশ্য ও সংলাপে কাঁচি চালিয়েছে ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র প্রত্যয়ন বোর্ড (সিবিএফসি)।
সবচেয়ে আলোচিত পরিবর্তনগুলোর একটি হলো ড. বি. আর. আম্বেদকরের ছবি সংবলিত একটি বইয়ের প্রচ্ছদের দৃশ্য। বোর্ড ওই দৃশ্যটি পরিবর্তনের নির্দেশ দিলেও এর দৈর্ঘ্যে কোনো পরিবর্তন করা হয়নি।
বলিউড হাঙ্গামার প্রতিবেদনে বলা হয়, এ ছাড়া ‘আম্বেদকর সত্তম... টিভিকে সত্তম’ সংলাপটি বদলে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বিজয়ের রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগমের নাম সিনেমার যেখানে যেখানে এসেছে, সেসব জায়গায় শব্দটি মিউট বা পরিবর্তন করা হয়েছে।
সেন্সর বোর্ড আরও যেসব পরিবর্তনের নির্দেশ দিয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—ভারতের জাতীয় পতাকা মাটিতে পড়ে যাওয়ার দৃশ্য সম্পূর্ণ বাদ দেওয়া। ‘ভাগবতম’, ‘রঙ্গনাথার’ শব্দ মিউট করা। যেখানে যেখানে ‘ওম’ উচ্চারণ করা হয়েছে, সবই সরিয়ে ফেলা। ‘অপারেশন মেলুহা’ প্রসঙ্গে ব্যবহৃত ‘নিউ ইন্ডিয়া’ শব্দটিও বাদ দেওয়া। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে একটি সংলাপ সেন্সর করা। ডিসির একটি সরকারি ব্যাজ গড়িয়ে পড়ার দৃশ্য পরিবর্তন করা। একজন নারীর উদ্দেশ্য বলা একটি সংলাপ মিউট করা। ‘সিলুভালিয়া’ শব্দটি মিউট করা এবং ‘শীলা রানি’ নামটির জায়গায় অন্য ব্যবহার। শিশুদের আগুনে পুড়ে যাওয়ার দুটি দৃশ্য পুরোপুরি বাদ দেওয়া।
সব মিলিয়ে ছবি থেকে প্রায় ২০ সেকেন্ড কেটে ফেলা হয়েছে।
এসব পরিবর্তনের পর ৯ জুলাই জন নায়গান সিনেমাটিকে ‘এ’ সনদ দিয়েছে সিবিএফসি।
সেন্সর সনদ অনুযায়ী সিনেমাটির মোট দৈর্ঘ্য ১৮৩ মিনিট ২১ সেকেন্ড, অর্থাৎ ৩ ঘণ্টা ৩ মিনিট ২১ সেকেন্ড।
জন নায়গানকে থালাপতি বিজয়ের অভিনয়জীবনের শেষ চলচ্চিত্র হিসেবে দেখা হচ্ছে। এরপর তিনি পূর্ণ সময়ের জন্য রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন।

