খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: মতিউর রহমান, বীর উত্তম
মুক্তিযুদ্ধের সময় মতিউর রহমান ছিলেন দুর্ধর্ষ নৌ কমান্ডো। মুক্তিযুদ্ধে অবিশ্বাস্য বীরত্ব ও অবদানের জন্য মতিউর রহমানকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৫।
৩ জুলাই ২০২২, ১২:০১ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী বীর উত্তম, বীর বিক্রম
মুক্তিযুদ্ধের সময় আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরী ছিলেন অপারেশন জ্যাকপটের অন্যতম পরিকল্পনাকারী এবং দলনেতা। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও নেতৃত্বের জন্য আবদুল ওয়াহেদ চৌধুরীকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৫৪।
২ জুলাই ২০২২, ০৯:৩০ পূর্বাহ্ন
আজো প্রবাহমান ঐতিহাসিক ধামরাই রথ
ঐতিহ্যবাহী ধামরাই রথ নিয়ে পল্লীকবি জসীমউদদীন লিখেছিলেন, ‘ধামরাই রথ, কোন অতীতের বৃদ্ধ সুত্রধর, কতকাল ধরে গড়েছিল এরে করি অতি মনোহর।’
১ জুলাই ২০২২, ০৩:৪৭ অপরাহ্ন
আহমদ ছফা: জীবন ও সাহিত্যের বাস্তবতায় এক নিঃসঙ্গ শেরপা
শাসক, সমাজের মোড়ল, রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় থাকা রাজনীতিবিদ কিংবা ক্ষমতাশালী নেতা-উপনেতা বা প্রশাসনের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে নিঃসঙ্কোচে কঠিন সত্য বলতে পারেন—এমন বুদ্ধিজীবীর সংখ্যা আমাদের দেশে বরাবরই কম। এই নির্ভয়ে সত্য উচ্চারণ করার মতো সাহসী বুদ্ধিজীবীদের একজন ছিলেন আহমদ ছফা।
৩০ জুন ২০২২, ০৩:৪৪ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ সিপাহী আনোয়ার হোসেন, বীর উত্তম
সিপাহী আনোয়ার হোসেন লালমনিরহাটের পাটগ্রাম যুদ্ধে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৪৭।
২৩ জুন ২০২২, ০২:২৮ অপরাহ্ন
সাহিত্যের জহুরি সাগরময় ঘোষ
বাংলা সাহিত্য পত্রিকায় তিন জন সম্পাদকের তুলনা পাওয়া কঠিন। তারা হলেন সওগাতের সম্পাদক মোহাম্মদ নাসির উদ্দীন, কবিতা পত্রিকার সম্পাদক বুদ্ধদেব বসু এবং দেশ পত্রিকার সম্পাদক সাগরময় ঘোষ।
২২ জুন ২০২২, ০৪:১৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: সালাহউদ্দিন আহমেদ, বীর উত্তম
সালাহউদ্দিন আহমেদ ছিলেন নৌ কমান্ডো দলের অন্যতম সদস্য। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ৪৬।
২২ জুন ২০২২, ০৩:২৬ অপরাহ্ন
কালের আলোক দিশারী সুফিয়া কামাল
আমাদের সব গণ আন্দোলনে, অধিকার আদায়ের লড়াইয়ে তিনি একাত্ম হয়েছেন। সব সংগ্রামে আলোকবর্তিকা হয়ে পথ দেখিয়েছেন বারবার। তিনি জড়িয়ে আছেন আমাদের সব সংগ্রামী অভিযাত্রায়। কোথায় নেই সুফিয়া কামাল? ভাষা আন্দোলন থেকে ৬ দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান, মুক্তিযুদ্ধ কিংবা স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন—সবখানেই তার সরব উপস্থিতি।
২০ জুন ২০২২, ০৪:২৬ অপরাহ্ন
অপারেশন ওমেগা: মুক্তিযুদ্ধে বিদেশি বন্ধুদের উদ্যোগ
বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে বহু বিদেশি বন্ধু নিঃস্বার্থভাবে এগিয়ে এসেছেন, দাঁড়িয়েছেন অসহায় মানুষের পাশে। সেই বন্ধুদের কেউ ক্ষুধার্ত অসহায় মানুষের জন্য ত্রাণ নিয়ে ছুটেছেন যুদ্ধ বিধ্বস্ত জনপদে, কেউ বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কূটনৈতিক সমর্থন জানিয়ে লড়াই করেছেন বাংলাদেশের পক্ষে, কেউ বা সংবাদপত্রের পাতায় তুলে ধরেছেন পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর নৃশংসতা। আবার কেউ কেউ কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রণাঙ্গনে লড়েছেন মুক্তিযোদ্ধাদের সঙ্গে।
৬ জুন ২০২২, ০৩:৫৫ অপরাহ্ন
নাজিম হিকমত: কবিতা আর বিপ্লব মিলেছে যেখানে
তার ৬১ বছরের জীবনের ১৭ বছরই কেটেছে স্বৈরশাসকের কারাগারে বন্দী হয়ে। অপরাধ? সাম্রাজ্যবাদী পুঁজিবাদীদের বিরুদ্ধে কবিতায় বিপ্লব আর স্বপ্নের জানান দিয়েছিলেন তিনি, লিখেছিলেন সুন্দর এক পৃথিবীর স্বপ্ন, এক মানবিক সমাজের গল্প। এক সময় দেশচ্যুতও হয়েছেন অত্যাচারে না টিকতে পেরে। চেয়েছিলেন, তার কবরটা যেন অন্তত হয় জন্মভূমি তুরস্কের মাটিতে। সেই চাওয়াটাও পূর্ণ হয়নি বিপ্লবী এই কবির। তার শেষ ঠিকানা হয়েছে রাশিয়ার মস্কোতে।
৩ জুন ২০২২, ১২:২৯ অপরাহ্ন
মুক্তিযুদ্ধে বরগুনা গণহত্যা
‘আমার ভাই নাসির তখনও জীবিত। সে বলল, ‘‘ফারুক, তুই আছিস?’’ আমি বললাম ‘‘আছি’’।
২ জুন ২০২২, ০১:২৯ অপরাহ্ন
বুরুঙ্গা গণহত্যা: মুক্তিযুদ্ধের এক নির্মম হত্যাযজ্ঞ
সিলেটের বালাগঞ্জ থানার বুরুঙ্গা ইউনিয়নের শান্ত ও নিভৃত গ্রাম বুরুঙ্গা। বুরুঙ্গা ইউনিয়নের পাশ দিয়ে বয়ে গেছে বুড়িবরাক নদী।
২৭ মে ২০২২, ০৩:৩৪ অপরাহ্ন
নজরুলের পূর্ববঙ্গ সফর
বিদ্রোহী কবি, প্রেমের কবি, বিরহের কবি, তারুণ্যের কবি— কত অভিধায় ভূষিত করা হয় কাজী নজরুল ইসলামকে। সবকিছুর বাইরে ভ্রমণপ্রেমী নজরুল যেন আমাদের কাছে অনাবিষ্কৃতই থেকে যান।
২৫ মে ২০২২, ০৩:১৩ অপরাহ্ন
বাঙালির নবজাগরণে রাজা রামমোহন রায় ও তার সংবাদপত্রের ভূমিকা
বাঙালির শিক্ষা, সমাজ সংস্কার, বিজ্ঞানমুখী সমাজ ব্যবস্থা, বর্ণ-শ্রেণি-জাতিগত ধর্মীয় কুসংস্কারের বিরুদ্ধে লড়াই থেকে শুরু করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা—কোথায় নেই রাজা রামমোহন রায়ের অবদান? তার মাধ্যমেই মধ্যযুগের ভারতে হলো বিপ্লব। অচলায়তন ভেঙে তিনি এনে দিলেন আলোর দুয়ার। সংস্কার, সামাজিক পুনর্গঠন ও আন্দোলনে রাজা রামমোহন রায়ের ভূমিকা অনেক। তার এসব ভূমিকা নিয়ে আলোচনা হয় সবসময়ই। কিন্তু তার প্রতিষ্ঠিত সংবাদপত্র এবং সংবাদপত্রে তার পৃষ্ঠপোষকতার বিষয়টি কেন যেন একটু আড়ালে পড়ে থাকে। অথচ সংবাদপত্রের মাধ্যমেই সমাজ পুনর্গঠন ও রেনেসাঁর ক্ষেত্রে অতুলনীয় ভূমিকা রেখেছিলেন তিনি।
২২ মে ২০২২, ০৪:৪১ অপরাহ্ন
একাত্তরে রক্তাক্ত চুকনগর
তার নাম রাজকুমারী সুন্দরী দাসী। জীবনে জানতে পারেননি কে তার বাবা, কে মা, কারা আত্মীয় বা কোথায় আছেন স্বজনরা। সুন্দরীর জীবন এলোমেলো করে দিয়েছিল চুকনগরের গণহত্যা। এই গণহত্যায় মাত্র ৬ মাস বয়সী সুন্দরীর জীবন আচমকা সব বন্ধন থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
১৯ মে ২০২২, ০৪:১৭ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ সুবেদার ফয়েজ আহমদ, বীর উত্তম
সুবেদার ফয়েজ আহমদ সিলেটের এমসি কলেজ যুদ্ধে শহীদ হন। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। তার সনদ নম্বর ২৯।
১২ মে ২০২২, ০৩:৪৫ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: আফতাব আলী, বীর উত্তম ও বীর প্রতীক
মুক্তিযুদ্ধে সুবেদার আফতাব আলী ও তার প্রতিষ্ঠিত আফতাব বাহিনী ছিল পাকিস্তানি বাহিনীর কাছে আতঙ্কের নাম। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য বীরত্ব ও আত্মত্যাগের জন্য বীর উত্তম ও বীর প্রতীক- ২টি খেতাবে ভূষিত করা হয় সুবেদার আফতাব আলীকে। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৭, বীর প্রতীক খেতাবে তার সনদ নম্বর ৬২।
১১ মে ২০২২, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
পণ্ডিত শিব কুমার শর্মা: সন্তুরকে বিশ্বসংগীতে তুলে ধরা মহানায়ক
‘সন্তুর আমার কাছে উপাসনার মতো। এই বাদ্যযন্ত্রটি যখন আমার হাতে থাকে, তখন কি আমি পৃথিবীতে থাকি? কে যেন মরমি কণ্ঠে ডেকে যান আমাকে। সন্তুরের মাধ্যমে আমি তার সন্ধান করি। এই যন্ত্রে একটি নতুন সুর যখন সৃষ্টি হয়, আমি তাকে দেখতে পাই যেন!’
১০ মে ২০২২, ০৩:৩২ অপরাহ্ন
খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা: শহীদ লেফটেন্যান্ট মোহাম্মাদ আনোয়ার হোসেন বীর উত্তম
শহীদ লেফটেন্যান্ট মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন ছিলেন মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বাঙালি শহীদ অফিসার। মুক্তিযুদ্ধে অসামান্য অবদান ও আত্মত্যাগের জন্য তাকে বীর উত্তম খেতাবে ভূষিত করা হয়। বীর উত্তম খেতাবে তার সনদ নম্বর ২৬।
১০ মে ২০২২, ০৩:২১ অপরাহ্ন
যুদ্ধের ঈদ, ঈদের দিনের যুদ্ধ
একাত্তরের ঈদ কিংবা মুক্তিযুদ্ধের ঈদ। আমাদের জাতীয় জীবনে যে ঈদটি ছিল সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম। একাত্তরের ঈদের দিনটি এসেছিল ভীষণ অচেনা রূপে। চিরায়ত আনন্দ উচ্ছ্বাসের বদলে ঈদের দিনটি ছিল উৎকণ্ঠা আর উদ্বেগের। রণাঙ্গনে এই দিনটি ছিল লড়াইয়ের। মাতৃভূমিকে রক্ষার জন্য আত্মদানের, আত্মত্যাগের। মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে ‘ঈদের দিন’ বলতে আলাদা কোনো তাৎপর্য ছিলনা। ঈদের দিন কোনো কোনো রণাঙ্গনে প্রাণ হাতের মুঠোয় রেখে গোটা দিনই যুদ্ধ করেছেন মুক্তিযোদ্ধারা। কোথাও বা নিজেকে বিলিয়ে দিয়েছেন স্বদেশের তরে। কেবল তাদের সামনে তখন একটিই গন্তব্য, ‘দেশকে যে করেই হোক হানাদার মুক্ত করতে হবে।’
৪ মে ২০২২, ০৪:৫৮ পূর্বাহ্ন