বর্জ্য চক্র

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

দেশে ময়লার ভাগাড় ও পানির উৎসগুলোতে প্লাস্টিকের বর্জ্য ফেলার পরিমাণ অতি মাত্রায় বেড়ে গেছে, যার ফলে সার্বিকভাবে দূষণে প্রাকৃতিক সম্পদ নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি বাড়ছে।

adc1142c_138735_p_9_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

এই জলবায়ু সহনশীল বর্জ্য উপকরণগুলো কখনো নষ্ট হয় না এবং এগুলো আমাদের খাদ্যচক্রে ঢুকে পড়ছে।

adc1142c_138735_p_3_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

যেহেতু এটি কখনো দ্রবীভূত হয় না, এই প্লাস্টিক বর্জ্য মাটির প্রাকৃতিক গুণাবলী ও উর্বরতাকে ধ্বংস করে।

adc1142c_138735_p_10_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

সময়ের সঙ্গে ক্ষয় হয়ে এটি মাইক্রোপ্লাস্টিকে রূপান্তরিত হয়ে পরিবেশে ছড়িয়ে পড়ে।

adc1142c_138735_p_6_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

২০২১ সালের ডিসেম্বরে বিশ্ব ব্যাংক প্রকাশিত একটি প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাংলাদেশে বার্ষিক মাথাপিছু প্লাস্টিকের ব্যবহার ৯ কেজি আর ইউরোপে ১০০ কেজি।

adc1142c_138735_p_2_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

তবে প্লাস্টিক দূষণের শিকার হওয়া শীর্ষস্থানীয় দেশগুলোর একটি বাংলাদেশ। প্লাস্টিক বর্জ্যের অব্যবস্থাপনাই এর জন্য দায়ী।

adc1142c_138735_p_4_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

ছবিতে যে রকম দেখা যাচ্ছে, নিম্ন আয়ের মানুষ ঠিক এভাবেই পুরনো ঢাকার লালবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও চকবাজারের ময়লার ভাগাড় থেকে প্লাস্টিক সংগ্রহ করেন।

adc1142c_138735_p_7_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

এরপর বেসরকারি কারখানাগুলো সেই প্লাস্টিক বর্জ্য সংগ্রহ করে এবং প্রক্রিয়াজাত করে দানায় রূপান্তরিত করে।

adc1142c_138735_p_5_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার

এই প্রক্রিয়াটি বেসরকারি সংস্থা ও দিনমজুরদের ওপর নির্ভরশীল, যারা আবারও এই প্রক্রিয়াজাত করা উপকরণগুলো সংগ্রহ করে বুড়িগঙ্গার তীরে শুকাতে দেন।

adc1142c_138735_p_1_mr.jpg
ছবি: আনিসুর রহমান/স্টার