সৌদি আরবে হুতিদের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন হামলা
সৌদি আরবের একটি পানি শোধনাগার, বিদ্যুৎকেন্দ্র, গ্যাসক্ষেত্র ও আরামকোর এলএনজিক্ষেত্রে হামলা চালিয়েছে প্রতিবেশী ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা।
আজ রোববার বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।
সৌদি আরবের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা এসপিএ'র বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত হুতিরা সৌদি আরবের ৪টি স্থানে হামলা চালিয়ে বেসামরিক গাড়ি ও ঘরবাড়ির ক্ষতি করেছে। তবে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
হুতিবিরোধী আরব জোটের বরাত দিয়ে এসপিএ জানিয়েছে, সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় আল শাকিক শহরে পানি শোধনাগার, দক্ষিণাঞ্চলীয় ধাহরান আল জানুব শহরে বিদ্যুৎকেন্দ্র, দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর জিজানে আরামকোর এলএনজিক্ষেত্র, দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় শহর খামিস মুশাইত শহরে গ্যাসক্ষেত্রে হুতিরা হামলা চালিয়েছে।
সৌদি রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন আল-এখবারিয়া জানিয়েছে, সামরিক জোট হুতিদের ৩টি ড্রোন ধ্বংস করেছে। ড্রোনগুলো সৌদির অর্থনৈতিক অঞ্চলে হামলার প্রস্তুতি নিয়েছিল বলে জানানো হয়। জোট বাহিনী লোহিত সাগর তীরবর্তী সৌদি শহর ইয়াবুতে আরামকোর তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসক্ষেত্রে (এলএনজি) হুতিদের হামলা ঠেকিয়ে দিয়েছে।
জোটের পক্ষ থেকে এক বার্তায় বলা হয়, হুতিরা ড্রোনের পাশাপাশি ব্যালিস্টিক ও ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে সৌদি আরবে হামলা চালিয়েছে। জোটের সেনারা সৌদি আকাশে ড্রোন চলাচল পর্যবেক্ষণ করছে এবং জিজানের আকাশে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র বিধ্বস্ত করেছে।
এ বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে হুতি নেতাদের কোনো মন্তব্য পায়নি রয়টার্স।
আলোচনায় ইয়েমেন
গত মঙ্গলবার উপসাগরীয় দেশের ২ কর্মকর্তার বরাত দিয়ে রয়টার্স জানিয়েছে, হুতিসহ ইয়েমেনের বিবদমান দলগুলোকে নিয়ে আলোচনার পরিকল্পনা করছে সৌদি আরবভিত্তিক উপসাগরীয় সহযোগিতা সংস্থা (জিসিসি)।
গত বুধবার হুতিরা জানিয়েছে, যদি এই আলোচনা কোনো নিরপেক্ষ দেশে আয়োজন করা হয় তাহলে তারা একে স্বাগত জানাবে।
পাশাপাশি, হুতিরা ইয়েমেনের রাজধানী সানার বিমানবন্দরসহ দেশটির অন্যান্য বন্দরের ওপর থেকে সৌদি আরব ও মিত্রদের 'নিষেধাজ্ঞা' তুলে নেওয়ার শর্তও যোগ করেছে।