ম্যাচে নামার পরই বাংলাদেশ টের পায় ‘উইকেট অন্যরকম’
শারজার মাঠে হওয়া আগের ম্যাচগুলোই যেন বিভ্রান্ত করল বাংলাদেশকে। উইকেট মন্থর ভেবে তিন স্পিনার নিয়ে নেমেছিলেন মাহমুদউল্লাহরা। কিন্তু খেলতে নামার পরই তারা টের পান হিসেব-নিকেশে হয়ে গেছে গোলমাল। যদিও মুশফিকুর রহিম বলছেন, পেশাদার দল হিসেবে মানিয়ে নেওয়া উচিত ছিল।
আইপিএলের ম্যাচ থেকেই শারজার উইকেটে ব্যাটসম্যানরা বড় রান পেতে ভুগছিলেন। রোববার দেখা যায় ভিন্ন ছবি। আগে ব্যাট করে নাঈম শেখের ৫২ বলে ৬২ আর মুশফিকের ৩৭ বলে ৫৭ রানে ১৭১ করে বাংলাদেশ। চারিথা আসালাঙ্কা আর ভানুকা রাজাপাকসের বাটে ৭ বল আগেই ওই রান পেরিয়ে ৫ উইকেটে জিতে যায় শ্রীলঙ্কা।
তবে ম্যাচ শেষে উইকেট নিয়ে হিসেব নিকেশের ভুল আড়াল করলেন না মুশফিক, 'আজকের উইকেটে আমি ব্যাট করে দেখেছি সাধারণত শারজার উইকেটে যেটা হয় ১৪০-১৫০ হয়। কিন্তু আজকের উইকেট ভাল ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য, আবার দিক পাশ ছোট ছিল। আমরা জানতাম ১৭০ (আসলে ১৭১) উইনিং স্কোর না কিন্তু আমরা যদি শুরুটা ভাল করতে পারি তাহলে আমরা ম্যাচে থাকতে পারব।'
ওপেনাররা ব্যাট করতে গিয়ে দুই ওভার পরই উইকেট নিয়ে দিয়েছিলেন বার্তা। ওই সময়ের পরই মানিয়ে নেওয়া দরকার ছিল বলে মত অভিজ্ঞ এই ব্যাটারের, 'আমার মনে হয় পেশাদার দল হিসেবে আপনাকে মানিয়ে নিতে হবে। আমরা গত কয়েকটা ম্যাচ দেখেছি আইপিএল বলেন বা বিশ্বকাপের। আমরা জানি যে এখানে গড় স্কোর কেমন। দুই তিনটা ওভার খেলার পর ওপেনারদের কাছ থেকে আমরা ভাল ফিডব্যাক পেয়েছি যে আজকের উইকেট অন্যদিনের চেয়ে ভাল। আমাদের ১৬০+ অবশ্যই করতে হবে। যদি পারি আরও বেশি করলে ভালো হয়। যেটা করতে পেরেছিলাম।'
জুতসই রান এলেও স্পিনারদের দিয়ে বেশিরভাগ ওভার করিয়ে ফল নিজেদের দিকে নিতে পারেনি মাহমুদউল্লাহর দল। একজন পেসার কমিয়ে একজন নিলেও এই জায়গায় ঘাটতি দেখছেন না মুশফিক। তার মনে হচ্ছে ঠিকমতো প্রয়োগ করতে পারলে ভিন্ন কিছু হতো, 'বোলিংয়ের ক্ষেত্রে দেখেন যেটা আসলে যার যার শক্তির ব্যাপার। নাসুম কিন্তু প্রথম ওভারে একটা উইকেট নিয়েছিল। এরপরে তারা চার্জ করে বাউন্ডারি পেয়েছে। আমি মনে করি প্রয়োগটা গুরুত্বপূর্ণ। আপনার পাঁচটা স্পিনার খেলান বা পাঁচটা পেস বোলার আপনি যদি ঠিক সময় ঠিক জায়গায় প্রয়োগ না করেন এটা আসলে কঠিন হয়ে যায়। যদিও তারা সুযোগ তৈরি (ক্যাচ) করেছিল কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমরা সেটা নিতে পারিনি।'