নামিবিয়াকে হারিয়ে শ্রীলঙ্কার শুভ সূচনা
২০১৪ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছিল শ্রীলঙ্কা। ওয়ানডে বিশ্বকাপের স্বাদও পেয়েছে তারা। সেই দলটিকেই কি-না সুপার টুয়েলভে জায়গা করে নিতে খেলতে হচ্ছে প্রথম রাউন্ড। তবে সেখানে দারুণ সূচনা করেছে দলটি। অপেক্ষাকৃত দুর্বল নামিবিয়াকে সহজেই হারিয়ে এবারের আসর শুরু করেছে লঙ্কানরা।
সোমবার আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে নামিবিয়াকে ৭ উইকেটে হারিয়েছে শ্রীলঙ্কা। প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ১৯.৩ ওভারে ৯৮ রানে অলআউট হয়ে যায় নামিবিয়া। জবাবে ৩৯ বল বাকি থাকতেই লক্ষ্যে পৌঁছায় ২০১৪ সালের চ্যাম্পিয়নরা।
বোলারদের সৌজন্যে লক্ষ্যটা ছিল হাতের মুঠোতেই। কিন্তু সে লক্ষ্য তাড়ায় শ্রীলঙ্কার শুরুটা ছিল বিবর্ণ। দলীয় ২৬ রানেই টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যানকে হারায় দলটি। পাথুম নিসাঙ্কাকে এলবিডাব্লিউর ফাঁদে ফেলেন বার্নার্ড স্কোল্টজ। আরেক ওপেনার কুশল পেরেরা মিডঅফে ক্যাচ তুলে দেন জনাথন স্মিতের হাতে। দিনেশ চান্দিমাল হন কটবিহাইন্ড। তাতে বেশ চাপেই পড়ে গিয়েছিল লঙ্কানরা। শঙ্কা ছিল হারেরও।
তবে চতুর্থ উইকেটে আভিস্কা ফের্নান্ডোকে সঙ্গে নিয়ে ইনিংস মেরামতের কাজে নামেন ভানুকা রাজাপাক্সা। ৭৪ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে সে চাপ সামলে তো নিয়েছেনই, সঙ্গে দলের জয় নিশ্চিত করেই মাঠ ছেড়েছেন এ দুই ব্যাটার।
দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪২ রানের ইনিংস খেলে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন রাজাপাক্সা। ২৭ বলের ইনিংসে ৪টি চার ও ২টি ছক্কা মেরেছেন এ ব্যাটার। ফের্নান্ডো খেলেন হার না মানা ৩০ রানের ইনিংস। ২৮ বলে ২টি ছক্কায় নিজের ইনিংসটি সাজান তিনি।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরু থেকেই নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে নামিবিয়া। মাত্র তিন জন ব্যাটার পেরেছেন দুই অঙ্ক স্পর্শ করতে। তৃতীয় উইকেটে ক্রেইগ উইলিয়ামস ও অধিনায়ক গেরহাড এরাসমাসের ৩৯ রানের জুটিটিই ছিল ইনিংসের সর্বোচ্চ। ব্যক্তিগতভাবেই কেউ দায়িত্ব নিতে পারেননি। ফলে সাদামাটা স্কোর নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় দলটিকে।
ইনিংসের শুরুতে মানিস থিকসানার ঘূর্ণিতে পড়ে নামিবিয়া। এ স্পিনার দুই ওপেনারকে ছাঁটাই করেন। পরে বাকি বোলাররাও তেতে ওঠেন। ২৫ রানের খরচায় ৩টি উইকেট থিকসানা। লাহিরু কুমারা ছিলেন বেশ কৃপণ। ৩.৩ ওভার বল করে মাত্র ৯ রানের বিনিময়ে পান ২টি উইকেট। হাসারাঙ্গা ডি সিলভা ২টি উইকেট পান ২৪ রানের বিনিময়ে। নামিবিয়ার উইলিয়ামস ২৯ ও এরাসমাস ২০ রান করেন।