কোচ-অধিনায়কের চিন্তাতেই ব্যাটিং অর্ডারে পরিবর্তন: সাকিব
স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে হেরে যাওয়া ম্যাচে সাকিব আল হাসান তিনে, মুশফিকুর রহিম চারে ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ পাঁচে নেমেছিলেন ব্যাটিংয়ে। কিন্তু ওমানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে পাল্টে গেল বাংলাদেশের ব্যাটিং অর্ডারের খোলনলচে। কেন এমনটা করা হলো? টি-টোয়েন্টিতে এটাকে স্বাভাবিক ব্যাপার হিসেবে উল্লেখ করে ম্যাচসেরা সাকিব জানালেন, কোচ রাসেল ডমিঙ্গো ও অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহর সিদ্ধান্তেই এমন পরিবর্তন।
আগের দিন মঙ্গলবার ওমানের আল-আমেরাত স্টেডিয়ামে স্বাগতিকদের ২৬ রানে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এই জয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম রাউন্ডের বাধা পেরিয়ে সুপার টুয়েলভে খেলার সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছে টাইগাররা। বাংলাদেশের ১৫৩ রানের জবাবে ওমান ৯ উইকেটে তুলতে পারে ১২৭ রান।
ওমানের বিপক্ষে তিনে নামানো হয় শেখ মেহেদী হাসানকে। তাকে জায়গা দিতে গিয়ে চারে নেমে যান বাঁহাতি তারকা সাকিব। নতুন পজিশনে দারুণ খেলেন তিনি। রানআউট হওয়ার আগে ২৯ বলে ৬ চারের সাহায্যে ৪২ রান আসে তার ব্যাট থেকে। এর চেয়েও বড় চমকের দেখা মেলে পরবর্তীতে। দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মাহমুদউল্লাহ ও মুশফিক যথাক্রমে সাত ও আটে নামেন। তাদের আগে উইকেটে যান তরুণ নুরুল হাসান সোহান ও আফিফ হোসেন।
ম্যাচ পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে সাকিব জানান, পরিস্থিতি বিচার করেই পাল্টানো হয়েছে ব্যাটিং অর্ডার, 'পরিস্থিতি অনুসারে, কোচ-অধিনায়ক যাদেরকে ভালো মনে করেছে, তাদেরকেই পাঠানো হয়েছে, যারা ওই পরিস্থিতি সামলানোর উপযুক্ত ছিল। একটা সময় ছিল যে, আমরা হয়তো ১৭০-১৮০ রানও করে ফেলতে পারতাম, যদি সবার ব্যাটিংটা ক্লিক করত। সেকারণে আসলে অনেককে শাফল করে, (ব্যাটিং পজিশন) পরিবর্তন করে পাঠানো হয়েছে।'
ছয়-সাতে যারা খেলে, তাদেরকে ব্যাটিং অর্ডারের উপরে তুলে দেওয়াকে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের দাবি হিসেবে মনে করেন তিনি, 'টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এরকমটা হয়েই থাকে। ১০-১২ ওভার ব্যাটিং করে যদি ১ বা ২ উইকেট পড়ে, তাহলে যারা ছয়-সাত নম্বরে ব্যাটিং করে তারা স্বাভাবিকভাবেই আগে চলে আসে। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এটা খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার।'