‘আমরা তো আর ইচ্ছে করে মন্থর ব্যাটিং করিনি’

ক্রীড়া প্রতিবেদক

১৪১ রান তাড়ায় শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে রীতিমতো কুঁকড়ে গেল বাংলাদেশ। উইকেট পড়লেও টি-টোয়েন্টি ম্যাচে যে ইনিংস গড়তে সময় নেওয়ার জায়গা নেই ভুলে গেলেন ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে সাকিব আল হাসান খেললেন অবিশ্বাস্যরকম মন্থর, শুরুতে মন্থর খেলে পরে পুরোটা পুষিয়ে দিতে পারেননি মুশফিকুর রহিম।  শেষ দিকে ওভারপ্রতি দশ করে নেওয়ার চাহিদায় মাহমুদউল্লাহও দ্রুত রান বের করতে ধুঁকলেন। ম্যাচ শেষে অসহায় কণ্ঠে সব দায় নিলেন অধিনায়ক।

ওমানের আল আমিরাত ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচেই স্কটল্যান্ডের কাছে ৬ রানে হারে বাংলাদেশ। বোলাররা স্কটিশদের নাগালের মধ্যে বেধে রাখলেও ব্যাটসম্যানরা করেন হতাশ। মূলত রান রেটের চাপই আর সামলাতে পারেনি দল।

দুই ওপেনার সৌম্য সরকার আর লিটন দাস ১৮ রানের মধ্যে ফিরে গিয়েছিলেন। এরপর জুটি বাধেন সাকিব ও মুশফিক। তৃতীয় উইকেটে তাদের জুটিতে ৪৭ রান এলেও লেগে যায় ৪৬ বল! মুশফিক প্রথম ২০ বলে করেন ১৪। পরে এক ওভারে দুই ছয় মেরে পুষিয়েছিলেন। সাকিব একদমই তা পারেননি। ২৮ বল খেলে এই তারকা করেন কেবল ২০ রান। ৩৬ বলে ৩৮ করেন মুশফিক। তাদের দুজনকেই ফেরান লেগ স্পিনার ক্রিস গ্রিভস।

পাঁচে নামা মাহমুদউল্লাহ দশ করে নেওয়ার চাহিদায় ২২ বলে করেন ২৩ রান! তিন, চার ও পাঁচ নম্বর ব্যাটসম্যানদের স্ট্রাইকরেট - ৭১.৪২, ১০৫.৫৫ ও ১০৪.৫৪। অথচ তারা তিনজনই খেলেছেন ২০ বলের বেশি। তিনজনই দলের সবচেয়ে অভিজ্ঞ।

 ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে নিজেদের দায়টা মেনে নিয়ে অধিনায়ক জানালেন, ইচ্ছার কোন ঘাটতি ছিল না তাদের,  'আমরা তো আর ইচ্ছে করে মন্থর ব্যাটিং করিনি। সম্ভবত যে বাউন্ডারি মারতে চাচ্ছিলাম সেগুলো মারতে পারিনি। পরেরবার আরও ভালোভাবে চেষ্টা করব।'

অনেকটা ভালো উইকেটেও এই রান তাড়া করতে না পারায় চূড়ান্ত হতাশ বাংলাদেশ অধিনায়ক দেখছেন অশনি সংকেত,  'সব মিলিয়ে আমার মনে হয় আমাদের ব্যাটিং খুবই বাজে ছিল। এটা খুবই হতাশাজনক। আমরা এই জিনিসগুলো এখন যদি খেয়াল না করি। পরের ম্যাচে যদি একই ভুলের পুনরাবৃত্তি করে তাহলে আমার মনে, আমাদের ভালো কিছু হবে না।'