আইপিএলে ব্রাভোর বোলিং দেখে প্রস্তুতি নিচ্ছেন সাইফুদ্দিন
গতিময় পেসার নন, আবার মোস্তাফিজুর রহমানের মতো বৈচিত্র্যের ভাণ্ডারও নেই মোহাম্মদ মোহাম্মদ সাইফুদ্দিনের। মন্থর উইকেট হলে তার বল কার্যকর হয়, কিন্তু উইকেট একটু ভালো হলেই চ্যালেঞ্জে পড়েন তিনি। বিশ্বকাপ সামনে রেখে এই পেসার উপায় খুঁজছেন নতুন কিছুর। চলমান আইপিএলে ডোয়াইন ব্রাভোর মতোন পেসারদের অনুসরণ করে নিজেকে প্রস্তুত করছেন তিনি।
নিউজিল্যান্ড সিরিজ শেষ করার পর ছুটিতে ফেনি চলে গিয়েছিলেন সাইফুদ্দিন। সেখানেই অবশ্য বিশ্রামের পাশাপাশি চালিয়েছেন স্কিল ট্রেনিং।
বিশ্বকাপের উদ্দেশ্যে দেশ ছাড়া উপলক্ষে ঢাকায় ফিরেছেন। আসল প্রস্তুতি শুরু হচ্ছে এখন থেকেই। শুক্রবার মিরপুর শেরে বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে এসে জানালেন নিজের শক্তির জায়গা বুঝেই চলছে তার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি, 'দেখুন, মুস্তাফিজের যেমন কাটার, তাসকিন ভাইয়ের যেমন সুইং-পেস, আমার হয়তো ডিফারেন্ট ইয়র্কার...একেক পেসারের শক্তির জায়গা একেক রকম। আমি চাইলেই হয়তো ১৪০-১৩৮ গতিতে বল করতে পারব না। আমি আমার স্ট্রেন্থ অনুযায়ী কাজ করছি।'
চেন্নাই সুপার কিংসের হয়ে খেলা ব্রাভো বরাবরের মতো এবারও আইপিএলে বেশ কার্যকর। গতি বৈচিত্র্যে রান আটকে দেওয়ার পাশাপাশি উইকেটও নিচ্ছেন প্রায়ই। স্লোয়ার বলে তিনি তৈরি করছেন ধাঁধা। সীমিত সামর্থ্যে ভাল করছেন হার্শাল প্যাটেল। কাইরন পোলার্ডকে দেখা যাচ্ছে বল হাতেও মিডিয়াম পেস ব্যবধান তৈরি করতে।
বাংলাদেশ দলের পারফরম্যান্স অ্যানালিস্টি শ্রীনিবাস চন্দ্রশেখর আইপিএলের দল সানরাজার্স হায়দরবাদের হয়েও কাজ করেন। তার কাছ থেকে এসব খেলোয়াড়দের স্কিলের ব্যাপারে জানার চেষ্টায় সাইফুদ্দিন, 'আমাদের কম্পিউটার অ্যানালিস্ট শ্রীনিবাসের সঙ্গে কথা বলছি। (ডোয়াইন) ব্রাভো বা আরও যে মিডিয়াম পেসাররা আইপিএলে সফল হচ্ছেন, তাদের ভিডিও ক্লিপস দেখে কিছুটা চেষ্টা করছি। জানি না সফল হব কি হব না। কিন্তু আমি আমার ওয়ার্কআউট করছি-সেটা মাঠে হোক বা রুমে অবসর সময়ে ভিডিও দেখে হোক।'
৩ অক্টোবর রাতে ওমানের উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে বাংলাদেশ দল। ১৭ অক্টোবর বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচে মাহমুদউল্লাহর দলের প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।