যখন এক বিন্দুতে মিলছে তিন দেশের সমর্থন
কোন পাকিস্তানি ভারতের জয় চাইতে পারেন? কিংবা সাম্প্রতিক সময়ে এতখানি তেতো সম্পর্কের পর কোন বাংলাদেশিও কি আর ভারতের জয় চান? উপমহাদেশের এই তিনদেশের মানুষ বিলেতে একসঙ্গে উঠেবসে বটে, কিন্তু একে অন্যের সাফল্য চায় কদাচিৎ। ক্রিকেট খেলা হলে বিরোধের মাত্রা হয় আরও চড়া। কিন্তু সেই ক্রিকেটই ভিন্ন এক বাস্তবতায় সাময়িকভাবে মিলিয়ে দিয়েছে তিন দেশের সমর্থকদের।
২৮ জুন ২০১৯, ১২:১৮ পূর্বাহ্ন
এটা কি তবে সাকিবেরই বিশ্বকাপ?
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ৪১ বলে ৪১ করে আউট হয়ে গিয়েছিলেন বলে আফসোস। আর নয়টা রান করলেই তো দারুণ একটা পরিসংখ্যান হয়ে যেত। ওই একটা ইনিংস ছাড়া বিশ্বকাপে এবার ব্যাট হাতে নিলেই যে সাকিব আল হাসান পঞ্চাশের নিচে থামছেন না। আফগানিস্তানের বিপক্ষেও করলেন তাই। কিন্তু এদিন ব্যাটিং নয়, যে মুন্সিয়ানাটা দেখানোর বাকি ছিল সেই বোলিং দিয়ে মাত করেছেন বেশি। এক ম্যাচেই স্পর্শ করেছেন চার চারটি মাইলফলক। এমন ম্যাচে বাংলাদেশের হেসেখেলে না জেতা ছাড়া উপায় কি!
২৪ জুন ২০১৯, ০৫:০৯ অপরাহ্ন
রেস্টুরেন্ট ব্যবসা লাটে, তারা সবাই মাঠে
রেস্টুরেন্টে কাজ করেন নয়জন। মালিক-ম্যানেজার আরও দুজন। সবাই বাংলাদেশের খেলার টিকেট কেটে বসে আছেন। তাহলে কী করা যায়? ব্যবসার কী হবে! মালিক জাকির হোসেন ক্ষতিটা মাথায় নিয়েই ঘোষণা দিলেন, ‘বন্ধ করো কপাট, চলো সবাই মাঠে।’ কেবল এই ম্যাচেই নয়, একাধিক ম্যাচেই তারা করেছেন এমনটা। এবার বিশ্বকাপে বাংলাদেশের এমন উন্মাতাল সমর্থকদের দেখা মিলছে প্রচুর। বাংলাদেশের জন্য শারীরিক শ্রম, গাঁটের পয়সা খরচ করায় কোনো পরোয়া নেই। এবারের গ্রীষ্মে তাদের প্রবাস জীবনে যেন লেগেছে উৎসবের ছোঁয়া।
২৪ জুন ২০১৯, ০১:৩৫ অপরাহ্ন
কেবল বাংলাদেশেরই হার নয়
ইনিংস বিরতিতে ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভন ডাইনিংয়ে আড্ডা জমালেন সাবেক অসি পেসার ডেমিয়েন ফ্লেমিংয়ের সঙ্গে। অস্ট্রেলিয়া ৩৮১ রান করে ফেলার পরই ম্যাচের ফল নিয়ে কারওর উত্তেজনা নেই। ভনের কথা, বাংলাদেশ জিততে পারলে টুর্নামেন্টরই তো বরং লাভ হতো। মানুষের মধ্যে চড়া থাকত উত্তেজনার পারদ। সেমিফাইনালে কারা যাচ্ছে তা নিয়ে থাকত আগ্রহ। এখন তো সব অনেকটাই পরিস্কার ।
২০ জুন ২০১৯, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
বিশ্বকাপ রোমাঞ্চকর করতে সেরা চারে উলটপালট চাইব: অ্যামব্রোস
বাংলাদেশের বিপক্ষে তখন ব্যাট করছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচের ওই সময়টায় সমান পাল্লায় লড়ছে দুদলই। টন্টন কাউন্টি গ্রাউন্ডের প্রেসবক্স থেকে বেরিয়ে ব্যালকনিতেই দেখা মিলল এমন একজনের, সেরা সময়ের যার দেখা পেলে আতঙ্কে কাঁপতেন ব্যাটসম্যানরা। ৯০ দশকের বিধ্বংসী পেস বোলিংয়ে কার্টলি অ্যামব্রোস মাত করেছেন দুনিয়া। বাংলাদেশের বর্তমান পেস বোলিং কোচ কোর্টনি ওয়ালশের সঙ্গে তার পেস বোলিং জুটি ছিল দুর্ধর্ষ।
১৮ জুন ২০১৯, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
অবিশ্বাস্য সাকিবে রেকর্ড রান তাড়া করে টিকল আশা
বল হাতে ৫৪ রানে দুই উইকেট। কাজের সময়ে এসে ব্রেক থ্রো। রেকর্ড রান তাড়ায় নেমে দুর্দান্ত সেঞ্চুরি। দলের ভীষণ দরকারে আবারও জ্বলে উঠলেন সাকিব আল হাসান। বিশ্বকাপের সেমিফাইনালের আশা টিকে রইল বাংলাদেশের।
১৭ জুন ২০১৯, ০৫:২৭ অপরাহ্ন
বৃষ্টিই তবে একমাত্র আঁধার নয়
নটিংহ্যামে ভারত-নিউজিল্যান্ডের ম্যাচ তখন তুমুল বৃষ্টিতে শুরুই হতে পারছে না। বাংলাদেশ অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজার চোখ সেই ম্যাচের দিকেই। খেলা হচ্ছে না দেখে ভীষণ হতাশ মাশরাফি। স্ত্রী-সন্তান আর ছোট ভাইকে নিয়ে বাইরে খেতে বেরুবেন। কিন্তু কেন যেন স্বস্তি মিলছে না তার। ছটফটানির কারণ নটিংহ্যামের ম্যাচ যদি ভেস্তে যায় নিউজিল্যান্ড পেয়ে যাবে এক পয়েন্ট। কিন্তু তাতে বাংলাদেশের ক্ষতি কি! ক্ষতিটা যে কি, খানিকপর ব্যাখ্যা দিয়ে বোঝালেন তিনি।
১৩ জুন ২০১৯, ০৭:০৯ অপরাহ্ন
টন্টনের ‘ক্রিকেট জ্বর’
ব্রিস্টল থেকে আঁকাবাঁকা নদীর পাড় দিয়ে উঁচুনিচু পথ ধরে টন্টনের যাত্রা আভাস দিচ্ছিল, ব্রিটেনের দিগন্ত বিস্তৃত হচ্ছে আরও। নয়নাভিরাম সৌন্দর্যের মাত্রাও হয়ত বাড়বে ক্ষণে ক্ষণে। ফাঁকা, সুনসান নিরবতাও হয়ত ঝাঁকিয়ে বসবে তীব্রভাবে। বিকেলবেলা টন্টনে নামতেই অনুমান সত্য। এ যে শহরই নয়, হই হল্লা নেই, ভিড়ভাট্টা দূরে থাক। বাড়িঘর ফেলে মানুষজন সব কোথায় গেল এই প্রশ্নই হয়ত জুতসই মনে হবে।
১৩ জুন ২০১৯, ০৩:৫৭ অপরাহ্ন
‘মেঘের 'পরে মেঘ জমেছে’
ড্রেসিং রুমের জানালা দিয়ে মুশফিকুর রহিমের বিষণ্ণ চেহারা দেখতে পেয়েই তার নাম ধরে সমর্থকদের চিৎকার। মুখে রাজ্যের অন্ধকার নিয়ে তখন ভাবলেশহীন মুশফিক। বাংলাদেশের ড্রেসিং রুমের সামনে সমর্থকদের ভিড় আর ক্ষণে ক্ষণেই স্লোগান। কোন খেলোয়াড়ের চেহারা অল্প একটু দেখতে পেলেই যেন চার-ছক্কা দেখার উদযাপন তাদের। খেলা শেষে নিজেদের চেহারা দেখিয়ে, হাত নেড়ে কিছুটা শুকনো হাসিতে সান্ত্বনা দিয়েছেন ক্রিকেটাররা।
১১ জুন ২০১৯, ০২:৫১ অপরাহ্ন
শান্তির মশাল হাতে কার্ডিফের সমুদ্র পাড়ে দাঁড়িয়ে এক বাঙালি
কার্ডিফে নেমে প্রথম দিনই সেখানকার সমুদ্র পাড়ে যাওয়া হয়েছিল। ‘কার্ডিফ বে’ নামের বিমোহিত করা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মাঝে বিশ্ব শান্তি আর সম্প্রীতির মশাল নিয়ে যে সেখানেই আমাদের দেশের এক গুণী ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছেন, সেদিন খেয়ালই হয়নি। পরে জানার পর ফেরার দিন খুব সকালেই সেখানে যাওয়া হলো আবার। শান্ত, স্নিগ্ধ কার্ডিফের আরও নিবিড় স্নিগ্ধতায় ভরা সকাল মনের উদারতা বাড়িয়ে দিল বিশ্বসংসারের ঐকতানের আওয়াজে।
১০ জুন ২০১৯, ১২:৩৭ পূর্বাহ্ন
ওয়েলস জানাতে চায় তারা কতটা স্বতন্ত্র
ইংল্যান্ড, ওয়েলস, স্কটল্যান্ড আর নর্দার্ন আয়ারল্যান্ড-আলাদা এই চার দেশ নিয়ে যুক্তরাজ্য। যেহেতু চার ভিন্নদেশ পুরো অঞ্চলে কিছুটা বৈচিত্র্য থাকা স্বাভাবিক। লন্ডন থেকে ন্যাশনাল এক্সপ্রেস বাসে ওয়েলসের রাজধানী কার্ডিফ আসার পথে পার্শ্বযাত্রী ইভন্ লুইস ইভান্সের কাছ থেকে জানলাম বৈচিত্র্য আসলে কিছুটা নয়, বেশ কিছুটা। আবিষ্কার করলাম ওয়েলসবাসীর জাত্যাভিমানও বেশ শক্ত, নিজেদের ভাষা নিয়ে গর্বেরও শেষ নেই। ইংল্যান্ড থেকে যে তারা অনেকটাই আলাদা এবং স্বতন্ত্র সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ধারণ করেন, নানাভাবেই তা ধরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা আছে তাদের আচারে।
৭ জুন ২০১৯, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
বাইরে আমেজ নেই, ভেতরে ক্রিকেটীয় উন্মাদনা
বাংলাদেশে বিশ্বকাপ হলে পুরো ঢাকা শহর যেমন রঙ মাখে, ক্রিকেট বিশ্বকাপ ঘিরে লন্ডন শহরের সেই বাস্তবতা নেই। কেবল ওভাল স্টেডিয়াম ঘিরেই দেখা মিলল বিশ্বকাপের রঙ। সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের বিপুল সমারোহের শহরে ক্রিকেট খেলার বিশ্বকাপের মতো বড় আসরও সমুদ্রের বুকে এক বালতি জলের মত ছোট্ট ব্যাপার। কিন্তু দক্ষিণ আফ্রিকার সঙ্গে খেলতে নামা স্বাগতিক ইংল্যান্ডের জন্য গলা ফাটাতে মানুষেরও অবশ্য কোনো কমতি নেই। একদম ভরপুর গ্যালারি আর ক্রিকেটীয় উন্মাদনাতেই শুরু হয়েছে ওয়ানডে ক্রিকেটের শ্রেষ্ঠত্বের লড়াই।
৩০ মে ২০১৯, ১২:৪৩ অপরাহ্ন
বিশ্বকাপের আগে যে বিশ্বাসের খোঁজে বাংলাদেশ
মাশরাফি মর্তুজা একদিন এক আড্ডায় বলছিলেন, ‘ভাই, এশিয়া কাপটা যদি জিততি পারতাম, তাইলে...’ তাহলে কেবল এশিয়া কাপটাই জেতা হতো না। সঙ্গে মিলত আসলে বিশ্বকাপে বড় কিছু করার বিশ্বাসও। সব সংস্করণ মিলিয়ে এর আগে ছয় ছয়বার ফাইনালে উঠে ছোট বড় কোন বহুজাতিক টুর্নামেন্টেরই যে শিরোপা জেতেনি বাংলাদেশ। কয়েকবার ট্রফি জেতার খুব কাছে গিয়েও শেষ মুহূর্তের চাপ আর নেওয়া যায়নি। অদ্ভুত সব ভুলে গড়বড় করে তালগোল পাকিয়ে বেড়েছে একের পর এক আফসোস।
১৬ মে ২০১৯, ০২:৪৮ অপরাহ্ন
আবু জায়েদ, লিটনরা আওয়াজ দিয়ে রাখলেন
টুর্নামেন্টের বিচারে ম্যাচটা গুরুত্বহীন। কিন্তু বিশ্বকাপের প্রস্তুতি মাথায় রাখলে বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কয়েকজনকে যে বাজিয়ে দেখার দরকার ছিল খুব। তাতে আবু জায়েদ রাহি আর লিটন দাস নিজেদের অতি গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে আলো ছড়িয়েছেন। আবু জায়েদ তো পাঁচ উইকেট নিয়ে নিজের সুতোর উপর ঝুলতে থাকা বিশ্বকাপের জায়গাটা অনেকটা শক্ত ভিতেই নিয়ে গেছেন। আর লিটন দাস দেখিয়েছেন ওপেনিংয়ে তিনিও সৌম্য সরকারের চেয়ে খুব কম কিছু না।
১৫ মে ২০১৯, ০৫:৩২ অপরাহ্ন
কোন জবাবদিহিও করতে হলো না সাকিবকে
বিশ্বকাপ স্কোয়াডের অফিসিয়াল ফটোসেশন উপেক্ষা করা সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে নমনীয় হলো বিসিবি। আনুষ্ঠানিক বার্তা পেয়েও তিনি কেন ফটোসেশনে আসেননি, তার কারণ জানতে চেয়ে কোন লিখিত চিঠিও দেয়নি বোর্ড। সাকিবের মৌখিক কথায় সন্তুষ্ট হয়ে এই ব্যাপারটি নিয়ে আর এগুচ্ছেন না তারা
১ মে ২০১৯, ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
জাতীয় দলে যেকোনো পজিশনের জন্যেই তৈরি আছি: ইয়াসির
দ্য ডেইলি স্টারেকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ইয়াসির জানিয়েছেন তার পথচলা আর প্রত্যাশার কথা।
৩১ মার্চ ২০১৯, ০১:০৬ অপরাহ্ন
তামিম ঝলকের পরও কেন এমন ধসে পড়া?
সবুজ ঘাসে ভরা উইকেটের অবয়ব দেখতে যতটা ভীতিকর খেলতে নামার পর ততটা ছিল না। বল ব্যাটে আসছিল দারুণভাবে। সেখানে তামিম ইকবাল যে দুর্দান্ত সুর বেঁধে দিয়েছিলেন, সেটা ধরেই বড় রানের দিকে এগুতে পারত বাংলাদেশ। কিন্তু তামিমের নাচন এক পাশে রেখে আরেক পাশে যেন মুখ থুবড়ে লুটোপুটি খেলেন বাকিরা। শর্ট বল সামলাতে না পারার সেই পুরনো রোগ আবার ফিরে এলো প্রকটভাবে।
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:৩৭ পূর্বাহ্ন
এক গাপটিলের সঙ্গেই পেরে উঠল না বাংলাদেশ
ভেন্যু বদলেছে, আবহাওয়ার পরিস্থিতি বদলেছে। কিন্তু ম্যাচের দৃশ্যপটে বদল খুব সামান্য। খানিকটা এদিক সেদিক করে হুবহু যেন আগের ম্যাচেরই ছবি। নেপিয়ার থেকে ক্রাইস্টচার্চ। হতাশা থেকে বেরুতে পারেনি বাংলাদেশ। বরং নিমজ্জিত হয়েছে আরও গভীর হতাশায়। নিউজিল্যান্ডের মাঠে স্বাগতিকদের সঙ্গে পেরে না উঠার তিক্ত ইতিহাস হয়েছে আরও ভারি।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
নেপিয়ার থেকে ক্রাইস্টচার্চ : বদলালো না ব্যাটিংয়ের দশা
নেপিয়ার থেকে ক্রাইশ্চার্চে। শীতল হাওয়ার দাপট বেড়েছে, কন্ডিশনকে প্রথম চ্যালেঞ্জ মানা বাংলাদেশ পেয়েছে আরও কঠিন পরিস্থিতি। এদিন টস ভাগ্যও আসেনি পক্ষে। প্রতিকূলতা জেতার মানসিকতাও দেখাতে পারেননি ব্যাটসম্যানরা। একটু এদিক সেদিক করে ঠিক আগের ম্যাচের মতই যেন সবই হয়েছে পুনরাবৃত্তি। বলা উচিত ভুলের পুনরাবৃত্তি।
১৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
লড়াইও করতে পারল না বাংলাদেশ
মাঠ ছোট, উইকেট ছিল ব্যাটিংয়ের জন্য বেশ ভালো। নিজ মাঠে নিউজিল্যান্ডের পেসাররা স্যুয়িংয়ে ভুগাবেন, অনুমিত ছিল তাও। সব জেনেও ব্যাটসম্যানরা পারলেন না নিবেদন দেখাতে। শুরুতে সৌম্য সরকার, পরে দারুণ খেললেন মোহাম্মদ মিঠুন, তাকে সঙ্গ দিলেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন। কিন্তু ওদের ব্যাটে পাওয়া সংগ্রহ যে খুব ছোট পরে তা বুঝিয়ে দিয়েছেন কিউই ব্যাটসম্যানরা। বিশেষ করে মার্টিন গাপটিল দেখিয়েছেন রান তোলা কত স
১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৯, ০৮:৩৯ পূর্বাহ্ন