শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার পর সংক্রমণ প্রতিরোধে যা করণীয়
অবশেষে প্রায় দেড় বছর পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলেছে, এটা অত্যন্ত সুখকর একটি খবর। পৃথিবীর আর কোনো দেশে একনাগাড়ে এত দীর্ঘ সময়ের জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখা হয়নি। স্কুল চলাকালীন সময় শিক্ষার্থীদের জন্য শ্রেণীকক্ষে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে, যা করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে অত্যন্ত জরুরি। গবেষণায় দেখা গেছে, একটি জায়গায় যখন সবাই মাস্ক পরে তখন সংক্রমণ প্রতিরোধ করা যায় প্রায় ৯৫ শতাংশ। তবে এ ক্ষেত্রে সবাইকেই সঠিকভাবে সঠিক মাস্কটিই ব্যবহার করতে হবে। তিন স্তরের সার্জিক্যাল মাস্ক সবচেয়ে ভালো, তবে পাতলা কাপড়ের তিন স্তর বিশিষ্ট মাস্কও কার্যকরী।
১২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:৩৩ পূর্বাহ্ন
তৃতীয় ঢেউয়ে দেশে এতো প্রাণহানি কেন
বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যে প্রায় একই সঙ্গে কোভিড মহামারির তৃতীয় ঢেউ শুরু হয়েছে। দুদেশেই সংক্রমণ হচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে। যুক্তরাজ্যের তৃতীয় ঢেউ শুরু হয় ২৫ মে এবং বাংলাদেশে ১ জুন। দুদেশেই করোনা সংক্রমণের হার প্রায় একই রকম। যুক্তরাজ্যে বর্তমানে করোনাভাইরাসের রিপ্রোডাকশন রেট এক দশমিক ৪৩ এবং বাংলাদেশে তা এক দশমিক ৪২। রিপ্রোডাকশন রেট এক এর কম হলে বোঝা যায় সংক্রমণ কমছে, আর এক এর বেশি হলে সংক্রমণ বাড়ছে। করোনা সংক্রমণের গতি এই দুদেশে এক রকম হলেও মৃত্যু সংখ্যায় রয়েছে আকাশ-পাতাল তফাত।
১৫ জুলাই ২০২১, ০৭:৪১ পূর্বাহ্ন
শুধু লকডাউন নয়, জরুরি গণটিকা কার্যক্রম
বাংলাদেশে এখন গড়ে প্রতি পাঁচ জনে একজন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হচ্ছে। এই আক্রান্তের হার সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে ৪০-৬৫ শতাংশ, যার ৮৬ শতাংশ সংক্রমণই হচ্ছে ভারতের অতিসংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে। সংক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে মৃত্যুও বাড়ছে দ্রুত গতিতে। শুক্রবার কোভিডে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল ১০৮, যাদের অর্ধেকেরই বয়স ছিল ষাটোর্ধ্ব।
২৭ জুন ২০২১, ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট থেকে জীবন বাঁচায় প্রায় শতভাগ
বাংলাদেশে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে ব্যাপক হারে। দেশের পশ্চিমাংশের বর্ডার ঘেঁষা জেলাগুলোতে সংক্রমণের হার এখন ৩০-৬৫ শতাংশ। জিনোম সিকোয়েন্স ডাটা অনুযায়ী এই সংক্রমণের ৮৫ ভাগই হচ্ছে ভারতের অতিসংক্রামক ‘ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট’ দিয়ে। এই ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এখন সীমান্ত অঞ্চল থেকে ছড়িয়ে পড়িছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের মধ্যাঞ্চলে। গোটা দেশে এখন করোনা সংক্রমণের হার ১৫-১৮ শতাংশ এবং তা ক্রমান্বয়ে বাড়ছে প্রতিদিন। এটা এখন নিশ্চিত যে দেশে মহামারির তৃতীয় ঢেউটি হতে যাচ্ছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে।
২১ জুন ২০২১, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট থেকে সুরক্ষায় এক ডোজ অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন যথেষ্ট নয়
করোনা মহামারিতে বাংলাদেশের সামনে এখন দুটো বড় সমস্যা। একটি হচ্ছে প্রায় ১৪ লাখ মানুষের জন্য কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের দ্বিতীয় ডোজ প্রাপ্তির অনিশ্চয়তা এবং আরেকটি হচ্ছে দেশে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টের আবির্ভাব।
২৯ মে ২০২১, ০৩:৩০ পূর্বাহ্ন
প্রথম ডোজ কোভিশিল্ড, দ্বিতীয় ডোজ স্পুটনিক বা সিনোফার্ম নেওয়া যাবে?
বাংলাদেশে ফেব্রুয়ারি থেকে দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর টিকাদান কর্মসূচি শুরু হলেও এপ্রিলে এসে তা থমকে দাঁড়িয়েছে। মহামারির দ্বিতীয় ঢেউয়ে পর্যুদস্ত ভারত সব ধরনের ভ্যাকসিন রপ্তানির ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে। ফলশ্রুতিতে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে বাংলাদেশর অগ্রিম কেনা তিন কোটি ডোজ অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা (কোভিশিল্ড) ভ্যাকসিন সময়মতো আসছে না। এ পর্যন্ত সেরাম থেকে পাওয়া গেছে ৭০ লাখ ডোজ, আর উপহার হিসেবে ভারত সরকার দিয়েছে ৩২ লাখ ডোজ। সব মিলিয়ে ভ্যাকসিন প্রাপ্তি এক কোটি দুই লাখ ডোজ। আগামী জুলাইয়ের আগে সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে ভ্যাকসিন পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম।
৩ মে ২০২১, ০২:০০ পূর্বাহ্ন
ভারতে করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট এবং বাংলাদেশের করণীয়
ভারতে করোনা মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। হাসপাতালগুলোতে তিল পরিমাণ জায়গা নেই। অসহায় মুমূর্ষু কোভিড রোগীরা হাসপাতালে শয্যা না পেয়ে চিকিৎসা নিচ্ছে হয় খোলা বারান্দায়, নয়তো অ্যাম্বুলেন্সে। আবার কেউ কেউ চিকিৎসা না পেয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছে। আর কারো গন্তব্য হচ্ছে সরাসরি শ্মশান কিংবা গোরস্থানে। একদিকে হাসপাতাল ও আইসিইউতে শয্যার অভাব, অন্যদিকে দেশব্যাপী দেখা দিয়েছে মারাত্মক অক্সিজেন সংকট। অক্সিজেনের অভাবে দম আটকে মারা যাচ্ছে রোগীরা।
২৯ এপ্রিল ২০২১, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
দ. আফ্রিকার ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রে অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন কতটা কার্যকর
সাম্প্রতিক করোনা সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখে ধারণা করা হচ্ছিল, ভাইরাসের কোনো নতুন স্ট্রেইনই হয়তো বাংলাদেশে ছড়িয়ে পড়েছে। যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সরাসরি যোগাযোগ। প্রতি মাসে হাজারো প্রবাসী দেশে ফিরছেন। আগেই দেশে ইউকে ভ্যারিয়েন্ট (বি.১.১.৭) শনাক্ত হয়েছিল। এসব মিলিয়ে ধারণা করা হচ্ছিল, ইউকে ভ্যারিয়েন্ট দিয়ে সংক্রমণের কারণেই হয়তো দেশে দ্বিতীয় ঢেউয়ের এই ঊর্ধ্বগতি।
৮ এপ্রিল ২০২১, ০৫:০০ অপরাহ্ন
দেশে করোনার নতুন স্ট্রেইন ছড়িয়ে পড়া রোধে করণীয়
চলতি বছরের মার্চে মহামারির দ্বিতীয় ঢেউ শুরুর পর থেকেই বাংলাদেশে প্রতিদিন করোনা সংক্রমণের হার উদ্বেগজনকভাবে বাড়তে থাকে। স্বল্প সময়ের ব্যবধানেই হাসপাতালের সাধারণ ও আইসিইউ শয্যা ভরে যায় কোভিড রোগীতে। সেই সঙ্গে মৃত্যুর সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এই সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের নমুনায় পাওয়া গেছে যুক্তরাজ্য ও দক্ষিণ আফ্রিকার নতুন স্ট্রেইন, সেই জানুয়ারিতেই। এরই মধ্যে এই স্ট্রেইনগুলো দেশব্যাপী ছড়িয়ে পড়েছে কি না, তা এখনো সরকারি পর্যায় থেকে জানানো হয়নি। একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন চলে এসেছে সবার সামনে। বর্তমানে করোনার সংক্রমণ দ্রুত বাড়ার জন্য কি এই নতুন স্ট্রেইনগুলোই দায়ী?
৭ এপ্রিল ২০২১, ০৫:১৬ পূর্বাহ্ন
অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের কারণে রক্ত জমাট বাঁধা এবং আমাদের যত ভ্রান্তি!
সারা পৃথিবীতে করোনার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। তারপরও মহামারিকে প্রতিহত করতে হিমশিম অবস্থা। একটি ঢেউয়ের পরে আরেকটি ঢেউ এসে কেঁড়ে নিচ্ছে হাজার হাজার প্রাণ। বাংলাদেশ, ভারত, পাকিস্তান এবং ইন্দোনেশিয়াসহ দক্ষিণ এশিয়ার বেশ কয়েকটি দেশে করোনা সংক্রমণ আবার বাড়ছে আশংকাজনক হারে।
১৪ মার্চ ২০২১, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
অক্সফোর্ড ভ্যাকসিন কতটা সুরক্ষা নিশ্চিত করে?
অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ফেইজ-৩ ট্রায়ালের প্রথম অন্তর্বর্তীকালীন ফলাফল প্রকাশিত হয় গত বছরের ৮ ডিসেম্বর। এই ফলাফলের ওপর ভিত্তি করেই মূলত ভ্যাকসিনটি জনসাধারণে প্রয়োগের অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে এরপর গত ১৯ ফেব্রুয়ারি তারা চারটি ফেইজ-৩ ট্রায়ালের একটি সম্মিলিত ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে ল্যানসেট জার্নালে। যেখানে তারা দেখিয়েছেন ভ্যাকসিনটির এক ডোজের কার্যকারিতা ও দুটি ডোজের মধ্যবর্তী সময়ের পার্থক্য যা থেকে সবচেয়ে বেশি সুরক্ষা পাওয়া যায়।
৮ মার্চ ২০২১, ০৭:২৮ পূর্বাহ্ন
ভ্যাকসিন নিলেও করোনায় আক্রান্তের সম্ভাবনা থাকে?
বাংলাদেশে করোনা ভ্যাকসিনের কার্যক্রম ভালোভাবেই এগিয়ে চলেছে। এপর্যন্ত ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছে ২৬ লাখের ওপরে। সবকিছু সুশৃঙ্খলভাবেই হচ্ছে। প্রথম দিকে ভ্যাকসিনে নিতে কিছুটা অনাগ্রহ থাকলেও এখন সবাই নিজের ইচ্ছেতেই ভ্যাকসিন নিচ্ছেন। তবে, ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নেওয়ার পরেও কয়েকজন কোভিডে আক্রান্ত হয়েছেন। এর মধ্যে সম্প্রতি ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিবের ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। ফলে, অনেকের মনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে- ভ্যাকসিন কি আসলেই কাজ করছে?
২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ১২:৩৩ অপরাহ্ন
ভারতে করোনার নতুন স্ট্রেইন, বাংলাদেশে সতর্কতা জরুরি
গত এক সপ্তাহে হঠাৎ করে মহারাষ্ট্রসহ দক্ষিণ ভারতের আরও কয়েকটি রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়ে গেছে আশংকাজনকভাবে। গত কয়েক মাস ধরে পাঁচ হাজারের বেশি সংখ্যক মিউটেশন অ্যানালাইসিস করে হায়দ্রাবাদের সেন্টার ফর সেলুলার অ্যান্ড মলিক্যুলার বায়োলজির গবেষকগণ ধারণা করছেন যে ভাইরাসের এই দ্রুত বিস্তারের পেছনে নতুন ধরনের মিউটেশন ‘এন-৪৪০-কে’ দায়ী। এই মিউটেশনটি ঘটেছে ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনে।
২২ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন
৪ সপ্তাহের পার্থক্যে দ্বিতীয় ডোজে ভ্যাকসিনের কার্যকারিতা ৫৩ শতাংশ, ১২ সপ্তাহে ৮৩ শতাংশ
ভ্যাকসিন যে দুই ডোজ নিতে হবে, এই তথ্য আমরা জানি। প্রথম ডোজের সঙ্গে দ্বিতীয় ডোজের সময়ের পার্থক্য কত হবে, এই তথ্যও অজানা নয়। তবে, সুনির্দিষ্ট করে জানার ক্ষেত্রে কিছু দুর্বলতা আছে বা কয়েক রকমের তথ্য জানি। কারণ, ভ্যাকসিন নিয়ে বিস্তর গবেষণা চলছে। জানা যাচ্ছে নানা তথ্য। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিনের সর্বশেষ তথ্য কী?
৮ ফেব্রুয়ারি ২০২১, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন