আরিফ খান
সংবিধান বিষয়ে কর্তব্য ও গন্তব্য
আমাদের এই অঞ্চলে জনমানুষের রাজনৈতিক বিবর্তনের ইতিহাস পরিক্রমায় লক্ষ করলে স্পষ্ট বোঝা যায় যে, বৈষম্য, নিপীড়ন ও বঞ্চনার বিরুদ্ধে আমাদের সমষ্টিগত সংগ্রামের দীর্ঘ এক ইতিহাস রয়েছে।
৪ নভেম্বর ২০২৪, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
বিচারপতি সাহাবুদ্দীন আহমদ: তিনি কেন গুরুত্বপূর্ণ
সাহাবুদ্দীন আহমদ এক দীর্ঘ এবং কার্যকর জীবন অতিবাহিত করেছেন। তার মতো খুব কম মানুষের এমন দীর্ঘ কর্মজীবন লাভ সম্ভব হয়। তিনি বহুগুণে গুণান্বিত ছিলেন। ভবিষ্যতে তার পূর্ণাঙ্গ জীবনী যখন লেখা হবে তখন তার জীবনের সবদিক উন্মোচিত হবে আশা করি।
২০ মার্চ ২০২২, ০৯:০৪ পূর্বাহ্ন
আনিসুজ্জামান ও সংবিধানের ভাষা
আনিসুজ্জামানের জীবনে শ্রেষ্ঠ কাজ হলো বাংলা ভাষায় সংবিধান প্রণয়নে নেতৃত্ব প্রদান। এ কাজের যোগ্য স্বীকৃতি আজও তাকে দেওয়া হয়নি। আসছে নভেম্বরে সংবিধানের ৫০ বছর পূর্তি হবে। একটি সদ্য স্বাধীন রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় দলিলের ভাষানির্মাণ কাজে তিনি যে আদর্শ স্থাপন করে গেছেন, তা বহুবছর প্রেরণা যোগাবে। হাজার বছরের বাঙালি জাতি প্রথম তার পূর্ণাঙ্গ রাজনৈতিক স্বাধীনতা অর্জন করেছিল একাত্তরে। এরপর যখন সংবিধান রচনায় সময় এলো, তখন বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনে অংশ নেওয়া তরুণ আনিসুজ্জামানের সামনে তার জীবনের একটি শ্রেষ্ঠ কাজের সুযোগ এসে ধরা দিয়েছিল। তিনি তার উপর অর্পিত সেই দায়িত্ব অসামান্য দক্ষতার সঙ্গে পালন করেছেন। তবে, কাজটি কঠিন ছিল। কেননা তখন পর্যন্ত বাংলায় সংবিধান লেখার কোন নমুনা তার সামনে ছিল না।
১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২, ০৮:১৪ পূর্বাহ্ন
শ্রদ্ধাঞ্জলি / মিজানুর রহমান খান: কর্তা ও কৃতি
মিজানুর রহমান খানের সঙ্গে পরিচয় ২০০৭ সালে। ইমেইলের মাধ্যমে। তখন বিদেশে পড়াশোনা করছি। ২০০৯ সালে দেশে আসি এবং তার সঙ্গে দেখা করি। এই সম্পর্ক মৃত্যু অবধি অটুট ছিল। যেহেতু সংবিধান নিয়ে গবেষণা এবং সংবিধান বিষয়ক দলিলপত্রের অনুসন্ধান করা আমার গবেষণার মূল কাজ—এজন্য মিজানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া অনেকটা অনিবার্য ছিল এবং হয়েছেও তাই।
১ ফেব্রুয়ারী ২০২১, ০৬:০৫ পূর্বাহ্ন