ঢামেকে সবার মন জয় করা ট্রান্সজেন্ডার স্বেচ্ছাসেবী
“আমি একজন স্বেচ্ছাসেবক। আপনাকে কীভাবে সাহায্য করতে পারি?”- লেখা একটি প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) কোভিড-১৯ চিকিৎসা কেন্দ্রের প্রবেশ পথের সামনে অপেক্ষা করছিলেন সাগরিকা। একটি অ্যাম্বুলেন্স আসার সাথে সাথেই তিনি সেদিকে দৌড়ে যান এবং রোগীকে নামাতে সাহায্য করেন।
৬ মে ২০২১, ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
চাকরির নামে অনলাইনে প্রতারণা
‘ঘরে বসে মাত্র দুই ঘণ্টা কাজ করে মাসে ২০ হাজার টাকা আয় করতে চান?’
অনলাইনে, বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপে যুক্ত থাকা নারীদের ফাঁদে ফেলতে এমনই লোভনীয় প্রস্তাব দেওয়া হয়।
১৯ ডিসেম্বর ২০২০, ১২:১৭ অপরাহ্ন
চাপ বাড়ছে গ্রামীণ অর্থনীতিতে
করোনা মহামারিতে কাজ হারিয়ে গ্রামের পথে হাজারো মানুষ। এই শহরের খরচ তারা আর বহন করতে পারছেন না। সেই মানুষদের ভিড়েই কয়েকটি মুখ নার্গিস আক্তার, মো. লোকমান ও তাদের তিন সন্তান।
২ সেপ্টেম্বর ২০২০, ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
হাতের কাছে ‘ডাক্তারখানা’
রংপুর তাঁতিবাজার এলাকার ৫০ বছর বয়সী ব্যবসায়ী মোহাম্মদ শাহজাহান খন্দকার গত কয়েকবছর ধরেই শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। গত মাসে হঠাৎ অবস্থা বেশি খারাপ হলেও হাসপাতালে যেতে রাজি হচ্ছিলেন না। একে তো করোনার প্রাদুর্ভাব, তার ওপর শ্বাসকষ্ট। মনে মনে ভয় পাচ্ছিলেন ডাক্তাররা হয়তো করোনা সন্দেহে চিকিৎসা নাও দিতে পারেন।
২৫ জুন ২০২০, ০১:০৯ অপরাহ্ন
পথচারীবান্ধব পারাপার নিশ্চিত না করে জরিমানা কতটা যৌক্তিক?
সকালে উঠেই দেখলাম বিআরটিএ-এর পৃথক সাতটি ভ্রাম্যমাণ আদালত ঢাকা শহরের বিভিন্ন সড়কে অভিযান চালিয়ে যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়া ২৮৭ জন পথচারীর কাছ থেকে ৪৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করেছে। তিনদিনের এই অভিযানের প্রথম দিনেই ঢাকা এবং চট্টগ্রামে এভাবে যত্রতত্র রাস্তা পার হওয়া পথচারীদের তিন লাখেরও বেশি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
২৪ এপ্রিল ২০১৯, ১২:১১ অপরাহ্ন
অর্থের বিনিময়ে চাকরি, প্রতারণার নতুন ফাঁদ
গাজীপুর চৌরাস্তা থেকে শিববাড়ির দিকে যেতে মাত্র তিন-চার মিনিট হাঁটলেই নবনির্মিত ভবন আমান্তা টাওয়ার। দূর থেকে দেখলে প্রথমেই চোখে পড়বে রাজউক-এর আঞ্চলিক অফিসের সাইনবোর্ড। এই ভবনের চারতলায় ‘গাজীপুর সিটি এজেন্সী’ নামের একটি প্রতিষ্ঠান চাকরি দিচ্ছে শত শত গ্রামীণ তরুণ-তরুণীদের। বাইরে কোনো সাইনবোর্ড না থাকলেও প্রতিদিনই এখানে আনাগোনা বহু চাকরিপ্রার্থীর। আর এদের সবাই আসেন এই প্রতিষ্ঠানের কোনো না কোনো কর্মীর সুপারিশে।
১৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন
বাস থেকে সোশ্যাল মিডিয়া- কোথায় নেই আপনারা
আমি ঢাকা শহরের একজন নিয়মিত বাসযাত্রী। শিক্ষাজীবন থেকে কর্মজীবন- পুরোদস্তুর বাসযাত্রী। শিক্ষাজীবনে বাবার পাঠানো টাকায় প্রতিদিন চারশো টাকা সিএনজির পেছনে খরচ করার মতো অবস্থা আমার ছিলো না। কর্মজীবনে এসেও জরুরি প্রয়োজন ছাড়া মোটামুটি দূরত্বের গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর জন্য বাসই ভরসা। কারণ, বেতনের তিনভাগের একভাগ টাকা প্রতিদিন সিএনজি কিংবা রাইড শেয়ারকে দিয়ে শৌখিনতা প্রদর্শন করার মতো আর্থিক অবস্থা এখনো আমার হয়ে উঠেনি।
৯ এপ্রিল ২০১৯, ০৪:৪৪ পূর্বাহ্ন