পুনঃতফসিলের পরও খেলাপি হচ্ছে ঋণ
ঋণ পরিশোধের জন্য খেলাপি গ্রাহকদের সময় দিয়েছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। তাদেরকে সহজ শর্তে ঋণ পাওয়ার সুযোগও দেওয়া হয়। এসব করেও মন্দ ঋণ কমাতে সাফল্য পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা যাচ্ছে, পুনঃতফসিল করা ঋণও খেলাপি হয়ে যাচ্ছে।
২০ অক্টোবর ২০২২, ০৩:৫১ অপরাহ্ন
খেলাপি ঋণের ৭০ শতাংশ ৯ খাতে
দেশের ৯টি খাতেই মোট খেলাপি ঋণের ৭০ শতাংশ রয়েছে। দীর্ঘ অর্থনৈতিক মন্দার কারণে অনেক ঋণগ্রহীতা ঋণের কিস্তি সময়মতো পরিশোধ করতে পারছেন না। আবার অনেকে ইচ্ছা করেই ঋণ পরিশোধ করছেন না। এতে ওইসব খাতে খেলাপি ঋণ কেন্দ্রীভূত হচ্ছে।
১৯ অক্টোবর ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
সঞ্চয়ের টাকা খেয়ে ফেলছে মূল্যস্ফীতি
ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির কারণে ব্যাংক থেকে সঞ্চয় তুলে নিতে বাধ্য হচ্ছেন মানুষ। তবে, যারা কেবল সুদের আয়ের ওপর নির্ভরশীল, তারা সঞ্চয় ধরে রেখেছেন।
১৩ অক্টোবর ২০২২, ০৯:০১ পূর্বাহ্ন
সুখবর স্কুল ব্যাংকিংয়ে
শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্কুল ব্যাংকিং সেবার জনপ্রিয়তা দ্রুত বাড়ছে। দেশের অর্থনীতিতে বর্ধনশীল মূল্যস্ফীতির মতো প্রতিবন্ধকতা থাকা সত্ত্বেও জুলাই মাসে এ ধরনের অ্যাকাউন্টের মোট আমানতের পরিমাণ ছিল ২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা।
৩ অক্টোবর ২০২২, ০৫:৪২ পূর্বাহ্ন
মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে পলিসি রেট বাড়িয়ে ৫.৭৫ শতাংশ করল বাংলাদেশ ব্যাংক
মূল্যস্ফীতির চাপ সামলাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল সুদ হার (পলিসি রেট) ২৫ বেসিস পয়েন্ট বাড়িয়ে ৫ দশমিক ৭৫ শতাংশ নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
৩০ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৮:০৭ পূর্বাহ্ন
সংকোচনমূলক মুদ্রানীতির মধ্যেও বেসরকারি খাতে ঋণ বাড়ছে
বাংলাদেশের বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি আগস্টে ১৪ দশমিক ০৭ শতাংশে পৌঁছেছে, যেটি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সমগ্র অর্থবছরের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি। এই প্রবণতা দেশের অর্থনীতির জন্য একটি অশনি সংকেত, কারণ এতে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়তে পারে।
২৮ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:০২ অপরাহ্ন
জুলাইয়ে কার্ডে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেন বেড়েছে ২৭৪ শতাংশ
জুলাই মাসে ব্যাংকের কার্ডের মাধ্যমে বিদেশি মুদ্রায় লেনদেনের পরিমাণ আগের বছরের তুলনায় ২৭৪ শতাংশ বেড়েছে। এমন সময়ে এই লেনদেন বাড়ছে যখন সরকার দেশে ডলারের রিজার্ভ ধরে রাখার চেষ্টা করছে।
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২২, ০৩:৩৫ অপরাহ্ন
বেসরকারি খাতে বিদেশি ঋণ বেড়ে যাওয়ায় নতুন উদ্বেগ
বাংলাদেশের বেসরকারি খাতের বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ২০২০ সালের পর থেকে দ্রুত বেড়ে চলেছে। দেশের অর্থনীতির জন্য এটা বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। এমন এক সময় এই প্রবণতা দেখা যাচ্ছে, যখন দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ কমতির দিকে।
১৯ সেপ্টেম্বর ২০২২, ১২:৫৩ অপরাহ্ন
জুনে এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ খেলাপি ঋণ ১২৫২৫৭ কোটি টাকা
চলতি বছরের জুন শেষে দেশে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ২৫৭ কোটি টাকা, যা এ যাবৎকালের সর্বোচ্চ।
১১ আগস্ট ২০২২, ০২:০৬ অপরাহ্ন
বিদেশ ভ্রমণ বাড়ায় মে মাসে কার্ডে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন সর্বোচ্চ ৩৫৬ কোটি
বিদেশে ভ্রমণ বেড়ে যাওয়ায় গত মে মাসে কার্ডের মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রার লেনদেন হয়েছে ৩৫৬ কোটি টাকা, যা এ যাবতকালের মধ্যে সর্বোচ্চ।
৮ আগস্ট ২০২২, ০৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
দোষ কি সব আইএমএফের?
ফেসবুকসহ পত্র-পত্রিকায় আন্তর্জাতিক অর্থ তহবিল বা আইএমএফের বিরুদ্ধে ব্যাপক মুণ্ডপাত চলছে। অনেকের ধারণা, সংস্থাটির ৪ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ নেওয়ার জন্যই নাকি সরকার তেলের দাম নজিরবিহীনভাবে বাড়িয়েছে। হ্যাঁ এটা সত্যি, সবসময় জ্বালানি তেলের দাম বিশ্ববাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে এর মূল্য নির্ধারণ করার প্রস্তাব দেয় আইএমএফ। কিন্তু মজার বিষয় হচ্ছে, ঋণ দেওয়ার জন্য আইএমএফ কোনো শর্ত সরকারকে এখনও দেয়নি। এরপরও সরকার তেলের দাম বাড়িয়েছে। আর আকার-ইঙ্গিতে এর দায়ভার দেওয়া হচ্ছে আইএমএফকে।
৭ আগস্ট ২০২২, ১১:২৮ পূর্বাহ্ন
‘আউট অব দ্য বক্স’ সমাধান অর্থনীতিকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনবে: গভর্নর
মূল্যস্ফীতি যখন বাড়তে থাকে, তখন সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য সুদের হার পরিবর্তন খুবই উপযোগী একটি প্রক্রিয়া। তা সত্ত্বেও, গতকাল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নতুন গভর্নর আবদুর রউফ তালুকদার তার প্রথম সংবাদ সম্মেলনে দৃঢ়তার সঙ্গে জানান, এই প্রক্রিয়াটি ব্যবহার করা হবে না।
৫ আগস্ট ২০২২, ০৮:০০ পূর্বাহ্ন
আরও বাড়ল ডলারের দাম, প্রতি ডলার এখন ৯৩.৯৫ টাকা
মার্কিন ডলারের বিপরীতে আবারও টাকার অবমূল্যায়ন হয়েছে। ফলে আন্তব্যাংক লেনদেনে বেড়েছে ডলারের দাম।
১৩ জুলাই ২০২২, ০১:২৯ অপরাহ্ন
অর্থ ‘পাচারকারী’র খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিলের অনুমতি বাংলাদেশ ব্যাংকের
নিজস্ব নিয়মের লঙ্ঘন করে একজন অভিযুক্ত অর্থপাচারকারীকে ঋণ পুনঃতফসিলের অনুমোদন দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। জাল নথির মাধ্যমে বাংলাদেশ কমার্স ব্যাংক লিমিটেড (বিসিবিএল) থেকে নেওয়া ১৯৯ কোটি টাকা হাতিয়ে নিয়েছিলেন ওই ব্যক্তি।
২৮ জুন ২০২২, ০৩:০৬ অপরাহ্ন
আগামীর মুদ্রানীতি: জিডিপি নয়, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হোক প্রধান লক্ষ্য
তখন লকডাউনের সময়। ২০২০-এর এপ্রিল। ভয়ঙ্কর এক ভয়ের মধ্য দিয়ে জীবন চলছিল। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমরা সবাই অন্ধকারে। ওই সময় অর্থনীতির গতিপ্রকৃতি নিয়ে ডেইলি স্টারের বাংলা বিভাগের জন্য একটি প্রবন্ধ লিখেছিলাম। ‘করোনাভাইরাস ও যুদ্ধকালীন অর্থনীতি’। লেখাটি ওই বছর ১৫ এপ্রিল প্রকাশিত হয়। সেখানে বলা হয়েছিল, অর্থনৈতিক সংকটের কারণে পণ্যের উপর মানুষের চাহিদা কমবে। এতে তৈরি হবে ডিফ্লেশন বা মূল্য সংকোচনের পরিস্থিতি। কিন্তু, মহামারির পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে তৈরি হবে তীব্র মূল্যস্ফীতি। এভাবে ভবিষ্যদ্বাণী করার জন্য গণক হওয়ার প্রয়োজন নেই। গত ১০০ বছরে সংঘটিত বৈশ্বিক মন্দাগুলো বিশ্লেষণ করলে কয়েকটি সংকটে এই ধরনের পরিস্থিতি দেখা যায়।
২৫ জুন ২০২২, ০৪:৪৬ অপরাহ্ন
২৭ হাজার কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে ১০ ব্যাংক
চলতি বছরের মার্চ মাসের হিসাব অনুসারে, দেশের ১০টি ব্যাংক সম্মিলিতভাবে ২৭ হাজার ৫১ কোটি টাকার মূলধন ঘাটতিতে রয়েছে।
৯ জুন ২০২২, ০৬:৫৯ পূর্বাহ্ন
আর্থিক খাতে শৃঙ্খলা ফেরাতে দ্রুত টাকার মান কমানোর তাগিদ
বিশ্বব্যাপী খাদ্য, জ্বালানি ও কাঁচামালের উচ্চমূল্য সত্ত্বেও বাংলাদেশে উচ্চ আমদানি অব্যাহত আছে। এই প্রবণতা ইতোমধ্যে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার মজুতের ওপর চাপ তৈরি করেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মার্কিন ডলারের বিপরীতে এখন পর্যন্ত টাকার বড় ধরনের কোনো অবমূল্যায়ন না হওয়ায় তা বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছে।
১৫ মে ২০২২, ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
ডলার সংকট এড়াতে জনপ্রিয় পলিসি পরিত্যাগ করতে হবে
বাংলাদেশের অর্থনীতি অদূর ভবিষ্যতে কী ধরনের সংকটে পড়তে পারে তা নিয়ে দ্য ডেইলি স্টারের বাণিজ্য পাতায় আজ থেকে পাঁচ মাস আগে একটি বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন ছাপা হয়েছিল। এতে তিনটি সম্ভাব্য সংকটের ওপর জোর দেওয়া হয়। মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রা ব্যবস্থাপনার অসঙ্গতি এবং ব্যাংকগুলোতে ক্যাশ টাকার অপ্রতুলতাকে প্রধান সংকট হিসেবে দেখানো হয়েছিল।
১১ মে ২০২২, ০৩:১১ অপরাহ্ন
দুর্নীতি, উচ্চ ব্যয়ের জেরে লোকসানে ৯ ব্যাংক
আর্থিক কেলেঙ্কারি ও দুর্বল ব্যবস্থাপনার কারণে ২০২১ সালে নিট লোকসানের সম্মুখীন হয়েছে ৯টি ব্যাংক। এর মধ্যে ৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক।
১২ এপ্রিল ২০২২, ০১:০৪ অপরাহ্ন
ব্যাংক কেন মূলধন সংকটে পড়ে?
মূলধন ছাড়া কোনো ব্যবসা প্রতিষ্ঠান চলতে পারে না। কিন্তু আশ্চর্য হলেও সত্যি, বছরের পর বছর কোনো রকম মূলধন ছাড়াই বাংলাদেশের অধিকাংশ রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ব্যবসা পরিচালনা করছে। এসব ব্যাংকের মালিক সরকার। সংকট থেকে মুক্তি পেতে ইতোপূর্বে ব্যাংকগুলোকে হাজার হাজার কোটি টাকার মূলধন যোগান দেওয়া হয়েছিল। সাধারণ মানুষের করের টাকায় এই মূলধনের যোগান দিয়েছিল সরকার। এরপরও মূলধন স্বল্পতা থেকে বেরিয়ে আসতে পারেনি এসব ব্যাংক। শুধু তা-ই নয়, দক্ষিণ এশিয়ার যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অর্থনীতির তুলনা করা হয়, তাদের চেয়ে এখানকার ব্যাংকখাতের মূলধনের অবস্থা অত্যন্ত নাজুক।
২১ মার্চ ২০২২, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন