ভয়ডরহীন ক্রিকেটের মন্ত্র পুঁতে দিতে চান গিবস

ক্রীড়া প্রতিবেদক

বয়স ৪৫ পেরিয়েছে, খেলা ছেড়েছেন তাও বছর দশেক হতে চলল। কিন্তু হার্শেল গিবসের ফিটনেস দেখে মনে হলো চাইলে খেলতেও নামতে পারেন তিনি। হেসে হেসে নিজেই জানালেন, এখনো আরও ১০ বছর খেলার মতো নাকি তরুণ আছেন তিনি! খুনে ব্যাটিংয়ের জন্য খেলোয়াড়ি জীবনে বেশ নামডাক ছিল গিবসের। বিপিএলের দল সিলেট থান্ডার্সে কোচিং করাতে এসে জানালেন, তার সেই ভয়ডরহীন মেজাজই পুঁতে দিবেন দলের ক্রিকেটারদের মাঝে। 

সিলেট থান্ডার্সের কোচ হয়ে এদিনই প্রথম কাজ শুরু করেন সাবেক দক্ষিণ আফ্রিকান ব্যাটসম্যান গিবস। খেলোয়াড়ি জীবনে আগ্রাসী মেজাজের গিবসের খেলার ধরণের সঙ্গে টি-টোয়েন্টি খুব মাননসই। কিন্তু তার ক্যারিয়ারের পড়তি সময়ে উদ্ভাবন হয় এই সংস্করণের। ফলে খুব বেশি আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি খেলা হয়নি তার। ঘরোয়াতে অবশ্য এই সংস্করণে ভালোই অভিজ্ঞতা জমা আছে গিবসের। ২০১১ সালে বিপিএলে খুলনা রয়্যাল বেঙ্গলের হয়েও খেলে গেছেন। 

নিজের খেলোয়াড়ি জীবনের সঙ্গে মিলিয়ে কোচিংয়েও তিনি থাকতে চান একই মেজাজের। তার ধরণ গেঁথে দিতে চান ক্রিকেটারদের মধ্যে,  ‘কোন ভিন্নতা নেই (কোচ হিসেবে)। আমি অনেক উদ্যম আর প্যাশন নিয়ে খেলতাম, দক্ষতা তো ছিলই। এই ব্যাপারটাই খেলোয়াড়দের মধ্যে পুঁতে দেওয়ার চেষ্টা করব। যাতে সবাই ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে পারে।’

গিবস এবার যে দলের দায়িত্ব পেয়েছেন সেই সিলেট দলে নেই বড় তারকার ভিড়। স্থানীয় তারকাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় নাম মোসাদ্দেক হোসেন সৈকত। তবু তরুণ ক্রিকেটারদের আগলে রেখেই বড় কিছুর স্বপ্ন গিবসের,  ‘এটা বড় মঞ্চ। কিছু খেলোয়াড় এখনো আন্তর্জাতিক ক্রিকেট খেলেনি, তাদের আগলে রাখতে চাই যাতে তারা নিজেদের প্রতিভা তুলে ধরতে পারে। অনেক বড় নাম আছে টুর্নামেন্টে। কাজেই চ্যালেঞ্জটা ভালোই।’

‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে শেষ মুহূর্তে আমি ড্রাফটে থাকতে পারিনি। ড্রাফট চলার সময় আমি কিছু নাম দল মালিকদের দিয়েছিলাম। যাদের বেশিরভাগই পুরো টুর্নামেন্টে এভেইলেবল ছিল না, যেটা ভাল দল করার ক্ষেত্রে একটা বাধা। যাইহোক আমার খেলোয়াড়দের উপর ভরসা আছে।’