ওয়াটলিং-মিচেলের নৈপুণ্যের পর ইংল্যান্ডের নড়বড়ে শুরু

স্পোর্টস ডেস্ক

ঠাণ্ডা মাথায় উইকেটে লম্বা সময় টিকে থেকে বিজে ওয়াটলিং ও ড্যারিল মিচেল তুলে নিলেন হাফসেঞ্চুরি। ষষ্ঠ উইকেটে শতরানের জুটি গড়ে নিউজিল্যান্ডকে তারা পাইয়ে দিলেন ভালো সংগ্রহ। এরপর বিকালের সেশনে ব্যাটিংয়ে নামা ইংল্যান্ডের শুরুটা হয়েছে নড়বড়ে।

শনিবার (৩০ নভেম্বর) হ্যামিল্টনের সেডন পার্কে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে প্রথম ইনিংসে ইংলিশদের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৩৯ রান। উইকেটে আছেন ররি বার্নস ২৪ ও অধিনায়ক জো রুট ৪ রানে। হাতে ৮ উইকেট নিয়ে তারা পিছিয়ে আছে ৩৩৬ রানে।

ইনিংসের সপ্তম ওভারে ডম সিবলিকে এলবিডব্লিউয়ের ফাঁদে ফেলেন টিম সাউদি। এর তিন ওভার পর জো ডেনলিকে ওয়াটলিংয়ের ক্যাচে পরিণত করেন ম্যাট হেনরি। দুজনের ব্যাট থেকে আসে ৪ রান করে। ইংল্যান্ডের বিপদ হতে পারত আরও। দুবার জীবন পান বার্নস।

এর আগে নিউজিল্যান্ডের প্রথম ইনিংস থামে ৩৭৫ রানে। আগের দিনের ৩ উইকেটে ১৭৩ রান নিয়ে খেলতে নেমেছিল তারা। আগের টেস্টে ডাবল সেঞ্চুরি করা ওয়াটলিং করেন ১৯২ বলে ৫৫ রান। সাদা পোশাকে প্রথমবার খেলতে নামা মিচেল ১৫৯ বলে ৭৩ রানের ইনিংস খেলেন। ষষ্ঠ উইকেটে ৩২২ বলে ১২৪ রান যোগ করেন তারা।

প্রথম দিন সেঞ্চুরি হাঁকানো টম ল্যাথামকে সকালে দ্রুত ফেরান স্টুয়ার্ট ব্রড। তিনি ১০৫ রানে আউট হন। আরেক অপরাজিত ব্যাটসম্যান হেনরি নিকোলসকে টিকতে দেননি স্যাম কারান। তার ব্যাট থেকে আসে ১৬ রান।

এরপর প্রতিরোধ গড়ে বড় জুটি গড়েন ওয়াটলিং ও মিচেল। তাদের জুটি ভাঙার পর কিউইদের ইনিংস দ্রুত গুটিয়ে যায়। শেষ ৫ উইকেট তারা হারায় ৬০ রানে। লেজের দিকে মিচেল স্যান্টনার ২৩ ও সাউদি ১৮ রান করেন।

ইংল্যান্ডের হয়ে ব্রড ৪ উইকেট নেন ৭৩ রানে। ওয়াটলিং ও মিচেল দুজনই তার শিকার হন। ৮৩ রানে ৩ উইকেট পান ক্রিস ওকস। কারান ২ উইকেট দখল করেন ৬৩ রানে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

(দ্বিতীয় দিন শেষে)

নিউজিল্যান্ড প্রথম ইনিংস: (আগের দিন ১৭৩/৩) ১২৯.১ ওভারে ৩৭৫ (লাথাম ১০৫, নিকোলস ১৬, ওয়াটলিং ৫৫, মিচেল ৭৩, স্যান্টনার ২৩, সাউদি ১৮, হেনরি ৫*, ওয়াগনার ০; ব্রড ৪/৭৩, আর্চার ১/৭৫, ওকস ৩/৮৩, কারান ২/৬৩, রুট ০/১৪, স্টোকস ০/৩৬, ডেনলি ০/১৩)

ইংল্যান্ড প্রথম ইনিংস: ১৮ ওভারে ৩৯/২ (বার্নস ২৪, সিবলি ৪, ডেনলি ৪, রুট ৬*; সাউদি ১/২৪, হেনরি ১/১০, ওয়াগনার ০/৩, মিচেল ০/১)।