যুক্তরাজ্যে বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে মতবিনিময়
যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলাম বলেছেন, সাম্প্রতিক জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের গণতন্ত্রের ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।
ব্রিটিশ পার্লামেন্টে কমনওয়েলথ পার্লামেন্টারি অ্যাসোসিয়েশন (সিপিএ) আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইলেকশন: হোয়াট নেক্সট’ শীর্ষক প্যানেল আলোচনায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও মানবাধিকার সমুন্নত রাখতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সরকার।
তিনি আরও বলেন, সরকার অর্থনৈতিক ও সামাজিক অন্তর্ভুক্তির ভিত্তিতে আধুনিক রাষ্ট্র গড়তে কাজ করছে এবং বাংলাদেশকে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে উন্নীত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতির অর্থ—সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় স্বার্থ অগ্রাধিকার দিয়ে সবার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা।
যুক্তরাজ্যের বাংলাদেশ বিষয়ক বাণিজ্য দূত ব্যারোনেস উইন্টারটন, চ্যাথাম হাউজের জ্যেষ্ঠ গবেষক সিতেজ বাজপেয়ী এবং ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজেরর প্রতিনিধি সোহেলা নাজনীন এ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন। উপস্থিত ছিলেন জেরেমি করবিন ও রূপা হকসহ অন্যরা। ব্রিটিশ এমপি আপসানা বেগম অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।
ব্যারোনেস উইন্টারটন নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক পরিবেশ বজায় থাকলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির সম্ভাবনা বড়। পাচারকৃত অর্থ ফেরাতে যুক্তরাজ্য সহযোগিতা করছে বলেও জানান তিনি।
সিতেজ বাজপেয়ী বলেন, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির বিজয় প্রত্যাশিত ছিল।