আরবি হরফের পতাকা সরকারের নজরে আছে: প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা

স্টার অনলাইন রিপোর্ট

রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় আরবি হরফ সম্বলিত পতাকা টানানোর বিষয়টি সরকারের নজরে আছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সাপ্তাহিক সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

গণমাধ্যমকর্মীরা প্রশ্ন করেন, গত কয়েকদিন ধরে দেখেছেন যে, আরবি হরফের সম্বলিত পতাকা বিভিন্ন জেলায় টানানো হয়েছে, বিভিন্ন স্থাপনায়, সড়কে। সরকার এটা জানে কি না, আর সরকারের সাথে কোনো সম্পর্ক আছে কি না বা সরকার কী ব্যবস্থা নেবে এই বিষয়ে?

জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, ‘খুব বিস্তারিত বলছি না। এটা সরকার কগনিজেন্সে (নজরে) নিয়েছে। সরকার এটা দেখেছে। এটার সাথে সরকারের কোনো সম্পর্ক থাকার কোনো কারণ নেই। বরং এটা সরকার খতিয়ে দেখছে এবং সেটা কেন হচ্ছে।’

‘কারণ এটা নিয়ে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভুল বার্তা যাওয়ার সম্ভাবনা আছে গ্লোবালি। এ ব্যাপারে আমরা সচেতন আছি। আমরা এটা নিয়ে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছি এবং আমি ব্যক্তিগতভাবেও এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছি। আমরা আশা করি এই জিনিসটা আর এভাবে কন্টিনিউ করবে না,’ বলেন তিনি।

জাহেদ উর রহমান আরও বলেন, ‘এটা খতিয়ে দেখার প্রশ্ন আছে এবং এটা যেহেতু এত বিস্তীর্ণভাবে (ওয়াইডস্প্রেড) হয়েছে, এর পেছনে নিশ্চয়ই কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা আছে। সেটাই আমরা খতিয়ে দেখছি।’

এদিকে কালো-সাদা পতাকার বিস্তার নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশের পর প্রাণনাশের হুমকি পাওয়ায় কলাবাগান থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছে ঢাকা স্ট্রিম।

ঢাকা স্ট্রিমের কমিউনিকেশন বিভাগের প্রধান এস এম মিজানুর রহমান বাদী হয়ে শুক্রবার জিডি করেন।

জিডিতে বলা হয়, বাংলা স্ট্রিম নিউজ পোর্টালে ‘সাদা-কালো পতাকায় সয়লাব দেশ, নেপথ্যে কারা’ শিরোনামে এবং ‘বাংলাদেশে আল-কায়েদার পতাকার পেছনে কারা?’ শিরোনামে দুটি সংবাদ প্রকাশ করা হয়।

প্রতিবেদন দুটি প্রকাশের পরে কিছু উগ্রবাদী অজ্ঞাতনামা ব্যক্তি ঢাকা স্ট্রিমের সাংবাদিকদের বিভিন্নভাবে হুমকি দিচ্ছে। তারা প্রতিষ্ঠানের ফেসবুক পেজে হুমকিমূলক বার্তা পাঠাচ্ছে, দাপ্তরিক নম্বরে ফোন করছে এবং সম্পাদক ও প্রকাশক গোলাম ইফতেখার মাহমুদ এবং সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক সালেহ ফুয়াদকে হত্যার হুমকি দিচ্ছে, উল্লেখ করা হয় জিডিতে।

এতে আরও উল্লেখ করা হয়, এই পরিস্থিতিতে আমাদের প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কর্মচারী ও সাংবাদিকদের জীবন, ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা মারাত্মক ঝুঁকির মুখে রয়েছে।