মালিক-আসিফের প্রশংসায় উইলিয়ামসন
১৩৫ রানের লক্ষ্য। এই সাদামাটা লক্ষ্য তাড়া করতে গিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল পাকিস্তান। পঞ্চদশ ওভারে ৮৭ রানে পঞ্চম উইকেট হারিয়ে ফেলেছিল তারা। সেখান থেকে শোয়েব মালিকের দায়িত্বশীল ব্যাটিং ও আসিফ আলির ক্যামিওতে টানা দ্বিতীয় জয়ের দেখা পেল দলটি। ম্যাচের পর এই দুজন পেলেন প্রতিপক্ষ অধিনায়ক কেইন উইলিয়ামসনের প্রশংসা।
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে আগের দিন মঙ্গলবার নিউজিল্যান্ডকে ৫ উইকেটে হারিয়েছে পাকিস্তান। শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৮ উইকেটে ১৩৪ রান তুলতে পারে নিউজিল্যান্ড। জবাবে শঙ্কার কালো মেঘ সরিয়ে ৮ বল বাকি থাকতে লক্ষ্যে পৌঁছায় বাবর আজমের দল।
আসিফ যখন ক্রিজে যান, তখন পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল ৩১ বলে ৪৮ রান। ম্যাচের ভাগ্য দুলছিল পেন্ডুলামের মতো। অল্প পুঁজি নিয়েও দারুণভাবে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিল কিউইরা। তবে আসিফ ও মালিককে আটকাতে পারেনি তারা। ব্যাটিংয়ের জন্য তুলনামূলক কঠিন উইকেট হওয়া সত্ত্বেও মাত্র ২৩ বলেই সমীকরণ মিলিয়ে ফেলেন দুজনে।
ম্যাচশেষে নিউজিল্যান্ড অধিনায়ক উইলিয়ামসন মালিকের কার্যকর ইনিংস ও আসিফের আগ্রাসী ব্যাটিংয়ের স্তুতি গান, 'আমার মনে হয়, এক পর্যায়ে ত্রিশের মতো বলে পঞ্চাশের মতো রান লাগত। এই উইকেটে ব্যাটে-বলে টাইমিং করা সহজ ছিল না। মালিকের মতো একজন শেষ পর্যন্ত ব্যাটিংয়ে থাকলেন এবং কিছু বড় শটে ম্যাচ শেষ করে দিলেন।'
'আসিফও দারুণ ছিলেন। তিনি উইকেটে এলেন এবং চমৎকারভাবে বল মারতে শুরু করলেন। তুলনামূলক কঠিন উইকেটে বাকি সবার চেয়ে সুন্দর ছিল তার ব্যাটিং।'
পাকিস্তানকে জিতিয়ে ২০ বলে দুই চার ও এক ছক্কায় ২৬ রান করে অপরাজিত থাকেন মালিক। ১২ বলের ঝড়ো ইনিংসে তিন ছক্কা ও একটি চারে আসিফের ব্যাট থেকে আসে ২৭ রান। তাদের জয়ের মূল ভিতটা বল হাতে আগে অবশ্য গড়ে দিয়েছিলেন হারিস রউফ। ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে ২২ রানে ৪ উইকেট নিয়ে তিনিই হন ম্যাচসেরা।