বিপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা 'অনেক সাহায্য' করবে উইন্ডিজকে
বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে (বিপিএল) অংশ নেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে নিকোলাস পুরানের। কেবল তার একার নয়। ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের আরও কয়েকজন ক্রিকেটার খেলেছেন এই ফ্র্যাঞ্চাইজিভিত্তিক টি-টোয়েন্টি আসরে। সেখানে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সঙ্গে মিশে তাদের সামর্থ্য-দুর্বলতার আঁচ পেয়েছেন তারা। সেই অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগানোর প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন পুরান।
আগামীকাল শুক্রবার শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে ধুঁকতে থাকা বাংলাদেশ ও উইন্ডিজ। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভের ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটায়।
বিশ্বকাপের শিরোপাধারী ক্যারিবিয়ানরা প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে। বাংলাদেশের অবস্থাও তাদের মতো সঙিন। শ্রীলঙ্কার কাছে হারের পর ইংলিশদের কাছে নাকানিচোবানি খেয়েছে তারা। সেমিফাইনালে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে দুই দলের সামনে তাই জয় ছাড়া কোনো বিকল্প নেই।
ওয়েস্ট ইন্ডিজের ক্রিস গেইল, লেন্ডল সিমন্স, আন্দ্রে রাসেলরা বিপিএলের পরিচিত মুখ। পুরানের রয়েছে বাংলাদেশ অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ ও আফিফ হোসেনের সঙ্গে একই ফ্র্যাঞ্চাইজিতে খেলার অভিজ্ঞতা। ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে সেটাকে নিজেদের জন্য সুবিধা হিসেবে দেখালেন এই বাঁহাতি ব্যাটসম্যান, 'এটা অনেক সাহায্য করে থাকে। আমি বাংলাদেশে বেশ কিছু সময় কাটিয়েছি। কেবল আমি নই। দলের আরও কয়েকজন সেখানে খেলেছে। (বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের সঙ্গে) আমাদের ভালো বন্ধুত্ব রয়েছে।'
'ভিন্ন ভিন্ন কন্ডিশনে তারা কেমন করে সেটা আমরা বোঝার সুযোগ পেয়েছি এবং খুব ভালোভাবে জানতে পেরেছি। জানাশোনা থাকার কারণে তারা কী করে সেটা জেনেই আসলে আমরা এই ম্যাচে নামতে যাচ্ছি। আমি মনে করি, (বিপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা) আমাদের ব্যাটসম্যান ও বোলারদের অনেক সাহায্য করবে।'
টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। বাংলাদেশের পাঁচ জয়ের বিপরীতে উইন্ডিজ জিতেছে ছয়টিতে। বাকিটিতে ফল হয়নি। দুই দলের প্রথম দেখায় অবশ্য জিতেছিল বাংলাদেশ। ২০০৭ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে চমক দেখিয়ে ক্যারিবিয়ানদের ৬ উইকেটে হারিয়ে সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছিল তারা।