দুঃসময় থেকে ঘুরে দাঁড়াতে একটি জয়ের খোঁজে বাংলাদেশ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

স্বপ্নের পালে হাওয়া মিলছে না। সেমিফাইনালে খেলার প্রত্যাশা নিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে যাওয়া বাংলাদেশ রয়েছে সুপার টুয়েলভ থেকেই ছিটকে যাওয়ার শঙ্কায়। তবে দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থা থেকে ঘুরে দাঁড়ানোর নজির আগেও আছে দলের। সেসব অভিজ্ঞতার আলোকে ফের সঠিক পথের দিশা খুঁজে নিতে চায় বাংলাদেশ। সেজন্য অপেক্ষা কেবল একটি জয়ের, জানালেন উইকেটরক্ষক-ব্যাটসম্যান নুরুল হাসান সোহান।

শুক্রবার শারজাহতে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের শিরোপাধারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় বিকাল চারটায়।

সুপার টুয়েলভে শ্রীলঙ্কা ও ইংল্যান্ডের কাছে টানা দুই ম্যাচে হেরে মহাবিপাকে আছে বাংলাদেশ। মাঠের বিবর্ণ পারফম্যান্সের পাশাপাশি মাঠের বাইরের নানা ঘটনায় পরিস্থিতি ক্রমেই প্রতিকূল হচ্ছে। ঠিক তখনই সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখতে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ-সাকিব আল হাসানদের উইন্ডিজের বিপক্ষে জয় ছাড়া নেই কোনো বিকল্প রাস্তা। তারকাসমৃদ্ধ দল থাকলেও ক্যারিবিয়ানরাও ধুঁকছে। প্রথম ম্যাচে ইংল্যান্ডের কাছে বিধ্বস্ত হওয়ার পর তারা হেরেছে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে।

উইন্ডিজকে মোকাবিলার আগের দিন সংবাদ সম্মেলন সোহান জানান, অতীত অভিজ্ঞতাকে সম্বল করে দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে উদগ্রীব হয়ে আছেন খেলোয়াড়রা, 'টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, নিজেদের দিনে যারা বেশি ভালো করবে (তারাই জিতবে)। এখানে ছোট বা বড় দল বলে কিছু নেই। এই ম্যাচ আমাদের জন্য অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিগত সময়েও আমরা দেখেছি, বাংলাদেশ দলের অনেক খারাপ সময় এসেছে, সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়িয়ে আমরা ভালো সময়ে এসেছি। আমার মনে হয়, (ঘুরে দাঁড়াতে) আমরা মাত্র একটা ম্যাচ জেতার জন্য অপেক্ষা করছি।'

'(ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে) সবাই নিজেদের শতভাগ দেওয়ার জন্য উদগ্রীব হয়ে আছে। কী (ফল) হবে সেটা খেলা শেষেই দেখা যাবে। কিন্তু আমরা শতভাগ দিয়ে চেষ্টা করতে চাই। যেহেতু ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শেষ দুই-তিনটা টি-টোয়েন্টি সিরিজে আমরা ভালো খেলেছি, সেগুলো আমাদের অনেক বেশি অনুপ্রেরণা দিবে।'

টি-টোয়েন্টিতে এখন পর্যন্ত ১২ বার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। পাঁচ জয়ের বিপরীতে বাংলাদেশ হেরেছে ছয়টিতে। বাকিটি হয়েছে পরিত্যক্ত। ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে গিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজ জিতেছিল বাংলাদেশ। দুই দলের প্রথম দেখাতেও হেরেছিল উইন্ডিজ। ২০০৭ সালের বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে তাদেরকে বিদায় করে সুপার এইটের টিকিট পেয়েছিল বাংলাদেশ।