অন্ধকারেও আলো খুঁজছেন বাংলাদেশের কোচ

ক্রীড়া প্রতিবেদক

স্কটল্যান্ডের কাছে হার দিয়ে বিশ্বকাপ শুরুর পর সুপার টুয়েলভে উঠে টানা তিন ম্যাচ হেরে বিদায়ের পথে বাংলাদেশ দল। দলের পারফরম্যান্স নিয়ে হচ্ছে নানামুখী সমালোচনা। তবে বাংলাদেশের কোচ রাসেল ডমিঙ্গো মনে করছেন সাফল্য-ব্যর্থতার তফাৎ খুব সামান্য। ব্যর্থতার মিশনেও তিনি দেখছেন আলোর দিক।

খাতায়-কমলে এখনো বিশ্বকাপে টিকে আছে বাংলাদেশ। তবে সেটাই এতই ক্ষীণ যে অসম্ভবই বলে দেওয়া যায়। এমনকি বাংলাদেশ দলও সেই বাস্তবতা বুঝে চোটে ছিটকে যাওয়া সাকিব আল হাসানের কোন বিকল্প ভাবেনি। দক্ষিণ আফ্রিকা ও অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে শেষ দুই ম্যাচ তাই অনেকটাই আনুষ্ঠানিকতা।

মঙ্গলবার দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে নামার আগে ডমিঙ্গো অন্ধকার থেকেও আলোর খুঁজ পাচ্ছেন, তার মনে হচ্ছে তারুণ্য নির্ভর বাংলাদেশ এই বিশ্বকাপে আসলে অভিজ্ঞতায় ঋদ্ধ হয়েছে, 'ইতিবাচক অনেক কিছুই আছে। বিশেষ করে তরুণদের। শরিফুল, নাঈম খুব ভাল করেছে। সময় যখন খারাপ যায় সবাই এসব ভুলে যায়। আমরা তরুণ দল। দুই-তিনজন অভিজ্ঞ থাকায় এটা অনেকের ভুল হয়। তবে দলে বেশিরভাগই কিন্তু বয়সের দিক থেকে তরুণ।'

'আমরা ভাল ফল করছি না, কিন্তু তীব্র স্নায়ু চাপের মাঝেও ছেলেদের লড়াই নিয়ে আমি গর্বিত। আমি নিশ্চিত এমন পরিস্থিতি ওদের সমৃদ্ধ করছে।'

তিন ম্যাচের দুটিতে জেতার সুযোগ তৈরি করেছিল বাংলাদেশ। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে লিটন দাসের ক্যাচ হাতছাড়ায় ম্যাচ ফসকে যায়। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেও শেখ মেহেদী, আফিফ হোসেনদের ক্যাচ মিসের মাশুল গুণেছে দল। রান খরায় থাকা লিটন রানে ফিরলেও শেষ দিকে আউট হয়ে দলকে জেতাতে পারেননি। এরমাঝে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে কোন লড়াই-ই করতে পারেনি মাহমুদউল্লাহর দল। তবে বাকি দুই ম্যাচে এদিক-সেদিক হলেই ফল আসতে পারত পক্ষে, ডমিঙ্গো তাই ইতিবাচক দিকটাই দেখতে চান,  'দেখেন তিনটা হারের দুইটাতে আমরা ভাল অবস্থানে ছিলাম, দুটো ম্যাচ জিততেই পারতাম এবং স্বস্তিতেই থাকতে পারতাম। আসলে সাফল্য- ব্যর্থতার তফাৎ আসলে খুবই কম। আমরা ইতিবাচক ব্যাপারে মনোযোগ দিতে চাই। ভুলগুলো শুধোরে উন্নতি করতে চাই।'